নয় বছর আগে, তিন সন্তানের এক জননী স্বামী ও শাশুড়ি সম্পর্কিত একটি পোষ্ট দিয়েছিলেন। তিনি কোরআন-হাদিস চষে যে কথাটি বুঝাতে চেয়েছিলেন, শ্বশুর-শাশুড়ির দেখভালের দায়িত্বটি একান্তই স্বামীর। তিনি তাঁর লেখাটি কাউকে উদ্দেশ্য করে লিখেছেন, এই বিষয়টি গোপন রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন। ফেসবুক পোষ্টের উপকারী দৃষ্টান্ত
আরো পড়তে পারেন…
- রাষ্ট্রীয় সম্পদ মেরে ধনী হবার পরিণতি
- ইউক্যালিপটাস : পরিবেশ বিপর্যয়ের যত কারণ
- স্বভাব থেকে শখের সৃষ্টি
পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ববোধের জন্য কথাটির যথার্থতা আছে বরং পবিত্র কোরআনে এর চাইতেও বেশি তাগাদা দেওয়া হয়েছে।
হাল আমলে তাঁর একটি পোষ্ট নজরে পড়ল। তিনি আফসোস করে লিখেছেন, এত কষ্ট, খরচ করে সন্তান পালনে কি লাভ! যদি সে সন্তান মাকেই উপেক্ষা করে। একই শহরের অনতিদূরে আলাদা বাসায় তার ঘুম আসে কি করে! তার কি মনে পড়েনা, তার মা তার মুখের দিকেই তাকিয়েই কত রাত নির্ঘুম কাটিয়েছে…
মনের মধ্যে খটকা লাগল, তার কি অতীতের সেই পোষ্ট, সেই দায়িত্ব, সেই উপদেশের কথা ভুলে গেছেন? নাকি যখন যা ইচ্ছে তাই পোষ্ট করে দেন?
উপকার করতে না পারলে চুপ থাকা ভাল কিন্তু কাউকে যেন নিরুৎসাহিত না করা হয়। আর উপকার করলে মৃত্যুর আগে কোন এক অসময়ে, সে উপকার নিজের দিকেই ফিরে আসে।