
শান্তির আশায় আত্মহত্যা
মানুষ পৃথিবীতে শূন্য হাতেই আসে আবার শূন্য হাতেই চলে যায়। মাটির কামাই মাটিতেই রয়ে যায়। সাথে যায় শুধুমাত্র নিজ দেহ দ্বারা অর্জিত কর্ম। শান্তির আশায় আত্মহত্যা পাপ ও মন্দ-কর্ম যাই করা হউক না কেন, তা এই দেহ নামক গাড়ীটি দিয়েই

মানুষ পৃথিবীতে শূন্য হাতেই আসে আবার শূন্য হাতেই চলে যায়। মাটির কামাই মাটিতেই রয়ে যায়। সাথে যায় শুধুমাত্র নিজ দেহ দ্বারা অর্জিত কর্ম। শান্তির আশায় আত্মহত্যা পাপ ও মন্দ-কর্ম যাই করা হউক না কেন, তা এই দেহ নামক গাড়ীটি দিয়েই

ছোট কালে আমাদের খামার বাড়ীর উৎপাদিত কৃষি পণ্য আমাকেই বাজারে দাঁড়িয়ে বিক্রি করতে হত। আগে বড় ভাই ও মেজ ভাই করতেন। তারা যথাক্রমে কলেজ ও মাদ্রাসার উচ্চ শিক্ষার জন্য দূরে গেলে পর, আমার কাঁধেই দায়িত্ব পড়ে। মধ্যস্বত্ব ভোগে সামাজিক ক্ষতি

নাতী-নাতনীদের প্রতি নানা-নানী যতটা আপন, দাদা-দাদী ততটা নয় কেন? এমন কথা প্রায়ই শোনা যায়। ফুফুদের প্রতি অতি আন্তরিকতাকেও অনেক নাতিরা নিজেদের প্রতি অবিচার মনে করে। নানী দাদী’র আদরের ভিন্নতা কিন্তু নানা বাড়ীর মজার কাহিনী বলতে গিয়ে, অনেকে বুক ফুলিয়ে ফেলে

ন্যাকামি একটি চরিত্রের নাম। দৃশ্যত কাউকে নাকি সুরে কথা বলতে দেখলে, ভান করা, আদিখ্যেতা করা, জেনেও না জানার ভান করা, তলে তলে সবই বুঝে কিন্তু না বুঝার মত করে প্রেমের অভিনয় করা এ সবই ন্যাকামি। ন্যাকামি পনা যখন Dishonesty মূলত

পরনির্ভর ব্যক্তি কখনও কোন সময়েই সচ্ছলতা ও সমৃদ্ধির সন্ধান পায়না। এই অভ্যাস তাকে ধীরে ধীরে ভিক্ষা-মুখী করে ফেলে। হয়ত দীনহীন ভিক্ষুকের মত করুণার চাহনি দিয়ে হাত পাতে না। তবে যাদের পরনির্ভরতা আছে তারা অনেকটা ভদ্র ভিক্ষুকের মত হয়ে যায়; অনেক

পরহেজগারি কি ও তার পরিচয় পরহেজগার শব্দটি ফারসি থেকে আগত। যার অর্থ পাপ থেকে বেঁচে চলা। অন্যকথায় ধর্মবিরোধী কাজ থেকে বিরত থাকা। মিথ্যাচার, অসৎকার্যে সাবধানতা অবলম্বন কারী। সেই পরহেজগার মানুষটি পবিত্র কোরআনে ‘মুত্তাকী’ বলে সৎ মানুষের একটি পরিচিতি আছে। আরবি

প্রতিবেশী হিসেবে আমি কেমন এই বিচার কি কখনও করা হয়েছে? পৃথিবীতে বেশীর ভাগ মানুষ অন্যকে উপদেশ খয়রাত করতে পারঙ্গম কিন্তু আমি মানুষ হিসেবে কেমন? বাহিরের মানুষের কাছে আমার গ্রহণযোগ্যতা কেমন? এমন চিন্তা করার মানুষ কম। মানুষ হিসেবে আমরা কেমন আমার

অনেক মানুষের আন্তরিক দান বিফলে যায় নিজেদের সামান্য ভুলের কারণে। ভদ্রলোক ঢাকায় বড় চাকুরী করেন কিন্তু গ্রামের সাথে তার সখ্যতা বরাবরই ভাল। পিতা-মাতার প্রতি তার অগাধ ভালবাসা, তাকে গ্রামের প্রতি বরাবরই আকৃষ্ট রেখেছিল। ভাল জীবনের সুবাদে তিনি জাকাত-সাদাকা করতেন গ্রামের

‘পীর’ শব্দটি ফার্সি ভাষা থেকে আগত। আরব দেশের মানুষ এই শব্দ কিংবা পদবীর সাথে পরিচিত নয়। তাদেরকে যদি প্রশ্ন করা হয়, আপনার পীর কে? তারা তাজ্জব হয়ে উল্টো প্রশ্ন করবে, পীর আবার কি জিনিষ? পীর ও বীর সংক্রান্ত তাৎপর্য আরবি

লোকাটাকে যৌবন কাল থেকেই চিনি। হিন্দি সিনেমায় বুঁদ হয়ে থাকত। আসর-মাগরিবের আজান দিলে ভিসিআরে বিরাম দিয়ে নামাজ পড়ে নিত। যথারীতি আবার সেই জায়গা থেকে সিনেমায় মগ্ন হত। যেমন বক্তা তেমন শ্রোতা পরিচিতদের কাছে তিনি একজন নিষ্ঠাবান মুসলিম হিসেবে চিত্রিত। তিনি

মানুষ পৃথিবীতে শূন্য হাতেই আসে আবার শূন্য হাতেই চলে যায়। মাটির কামাই মাটিতেই রয়ে যায়। সাথে যায় শুধুমাত্র নিজ দেহ দ্বারা অর্জিত কর্ম। শান্তির আশায়

ছোট কালে আমাদের খামার বাড়ীর উৎপাদিত কৃষি পণ্য আমাকেই বাজারে দাঁড়িয়ে বিক্রি করতে হত। আগে বড় ভাই ও মেজ ভাই করতেন। তারা যথাক্রমে কলেজ ও

নাতী-নাতনীদের প্রতি নানা-নানী যতটা আপন, দাদা-দাদী ততটা নয় কেন? এমন কথা প্রায়ই শোনা যায়। ফুফুদের প্রতি অতি আন্তরিকতাকেও অনেক নাতিরা নিজেদের প্রতি অবিচার মনে করে।

ন্যাকামি একটি চরিত্রের নাম। দৃশ্যত কাউকে নাকি সুরে কথা বলতে দেখলে, ভান করা, আদিখ্যেতা করা, জেনেও না জানার ভান করা, তলে তলে সবই বুঝে কিন্তু

পরনির্ভর ব্যক্তি কখনও কোন সময়েই সচ্ছলতা ও সমৃদ্ধির সন্ধান পায়না। এই অভ্যাস তাকে ধীরে ধীরে ভিক্ষা-মুখী করে ফেলে। হয়ত দীনহীন ভিক্ষুকের মত করুণার চাহনি দিয়ে

পরহেজগারি কি ও তার পরিচয় পরহেজগার শব্দটি ফারসি থেকে আগত। যার অর্থ পাপ থেকে বেঁচে চলা। অন্যকথায় ধর্মবিরোধী কাজ থেকে বিরত থাকা। মিথ্যাচার, অসৎকার্যে সাবধানতা

প্রতিবেশী হিসেবে আমি কেমন এই বিচার কি কখনও করা হয়েছে? পৃথিবীতে বেশীর ভাগ মানুষ অন্যকে উপদেশ খয়রাত করতে পারঙ্গম কিন্তু আমি মানুষ হিসেবে কেমন? বাহিরের

অনেক মানুষের আন্তরিক দান বিফলে যায় নিজেদের সামান্য ভুলের কারণে। ভদ্রলোক ঢাকায় বড় চাকুরী করেন কিন্তু গ্রামের সাথে তার সখ্যতা বরাবরই ভাল। পিতা-মাতার প্রতি তার

‘পীর’ শব্দটি ফার্সি ভাষা থেকে আগত। আরব দেশের মানুষ এই শব্দ কিংবা পদবীর সাথে পরিচিত নয়। তাদেরকে যদি প্রশ্ন করা হয়, আপনার পীর কে? তারা

লোকাটাকে যৌবন কাল থেকেই চিনি। হিন্দি সিনেমায় বুঁদ হয়ে থাকত। আসর-মাগরিবের আজান দিলে ভিসিআরে বিরাম দিয়ে নামাজ পড়ে নিত। যথারীতি আবার সেই জায়গা থেকে সিনেমায়