উর্দু হবে রাষ্ট্রভাষা – মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ! কেন কি প্রয়োজন

উর্দু হবে রাষ্ট্রভাষা - মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ

রাষ্ট্রভাষা উর্দু দাবীর পিছনের মূল ইতিবৃত্ত পরিচিতি

উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা, ১৯৪৮ সালে দেওয়া মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ভাষনের উপরেই পোষ্টখানির ভিত্তি। তারই আলোকে ঘটনার বিশ্লেষন ও পরবর্তীতে আমাদের প্রাপ্তি কি তা আলোচনা করা হয়েছে

বাংলা, বেলুচিস্তান, পাঞ্জাব, সিন্ধু, সীমান্ত প্রদেশ নিয়ে পাকিস্তান হলেও উর্দু কারো মায়ের ভাষা ছিল না।

উর্দু শব্দের অর্থ ‘সেনা শিবির’, মোগল-তুর্কি আমলে সেনা শিবিরের সম্ভ্রান্ত ভাষা হিসেবে এটি পরিমার্জিত হয়ে পরে উর্দু ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।

উর্দু ভাষাকে বলা হত ‘জবান-ই-উর্দু-মুয়াল্লা’ রাজকীয় শিবিরের ভাষা হিসেবে

মোগল আমলে ‘জবান-ই-উর্দু-মুয়াল্লা’ তথা রাজকীয় শিবিরের ভাষা হিসেবে রাষ্ট্রীয় সম্মান দেওয়া হত

অতঃপর তুর্কি শাসন এবং পরবর্তীতে ইংরেজ শাসনামলে কলকাতার ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের মাধ্যমে উর্দু ভাষার ব্যাকরণ বানানো হয়। একই কলেজ থেকে হিন্দি ব্যাকরণ ও তৈরি হয়।

উর্দু লিখতে হয় আরবি, ফার্সি অক্ষর দিয়ে, যা হিন্দুরা পড়তে পারে না, আবার ভারতীয় রাজনীতিবিদেরা চায় না যে, হিন্দুরা আরবি ফন্টগুলো পড়তে জানুক (না জানি কৌতুহলে আবার কোরআন পড়ে দেখে কিনা)

হিন্দি ভাষার অক্ষর গুলো হারিয়ে যাওয়া খাড়ি-বলি ভাষা থেকে হাওলাত করে আনা। যেগুলো দেখতে কিছুটা বাংলার কাছাকাছি। খুব চিন্তা-ভাবনা করেই দীর্ঘ পরিকল্পনার আলোকে কাজটি করে।

হ্যাঁ! কাজটি হয়েছে বেশীদিন আগে নয় মাত্র শ’খানেক বছর আগে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ থেকেই। তার আগে হিন্দিও লেখা হত, আরবি ফন্ট দিয়ে এমনকি বাংলা পুঁথিও আরবি হরফে পাওয়া যায়।

উর্দু ভাষায় প্রচুর পরিমাণ তুর্কি, আরবি, ফার্সি শব্দ ভাণ্ডার আছে

উর্দু ভাষায় প্রচুর পরিমাণ তুর্কি, আরবি, ফার্সি ভাষার শব্দ ভাণ্ডার থাকে, এসব মুসলিম ভাষার শব্দের উপরে হিন্দু পণ্ডিতদের গাত্রদাহের কারণ আছে

হিন্দি ভাষায় প্রচুর পরিমাণ শব্দ সংস্কৃত শব্দ আছে

ওদিকে হিন্দি ভাষায় প্রচুর পরিমাণ শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকেই আসে, যা হিন্দু পণ্ডিতদের সুখকর বিষয়ের কারণ

তদুপরি উর্দুর মাধ্যমে, হিন্দিতে প্রচুর বিদেশী শব্দ ঢুকে পড়ে, যেগুলো তারা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে নাই, যদিও ভারতে উর্দু ভাষার কথা বলার মানুষ আছে

একই ভাবে পশ্চিম বাংলার অভিধান থেকে আরবি, তুর্কি, ফার্সি শব্দ বিতারণ করে সেটাকে খাঁটি বাংলা বলে চালিয়ে দেওয়া হয়েছে

বাংলাদেশের অভিধানে প্রচুর মুসলিম বিদেশী শব্দ থাকায় এটাকে তারা যবন, অসুর, ম্লেচ্ছ, রাক্ষসের ভাষা বলে চালিয়ে দেন।

এতটুকু যদি বুঝে থাকেন, তাহলে আপনি আলবৎ বুঝে যাবেন উর্দুর প্রতি ঘৃণা বিদ্বেষের মূল কারণ পাকিস্তান নয়। বরং সেটার মূল কারণ ইসলামী ঐতিহ্য, সংস্কৃত, কৃষ্টিকে হুমকি মনে করা এবং সেটাকে মূলোৎপাটন করার একটা প্রচেষ্টার নাম। সরাসরি ইসলামী ঐতিহ্য নিয়ে গালি দিলে তো সমস্যা। তাই জিন্নাহকে গালি দিয়ে উর্দু ভাষাকে গালি দেওয়া হয়। আর এই মুল্লুকের অশিক্ষিত বাঙ্গালদের উস্কানো হয়, মায়ের ভাষা কাইরা নেবার ভয় লাগিয়ে। চলুন সামনে আগাই

যেহেতু উর্দু লিখাগুলো মুসলমানদের ঐতিহ্যের সাথে মানান সই হয়ে যায় এবং রাষ্ট্রীয় সম্মান থাকে তাই মুসলমানেরা এই ভাষা এমনিতেই পড়তে আগ্রহী হতেন।

তবে এই ভাষাটি  যদি পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষা হয়ে যায়, তাহলে হিন্দু জনগোষ্ঠী বিরাট সমস্যার মুখে পড়বে

তাদের পক্ষে নতুন এই ভাষা আয়ত্ত করে রাষ্ট্রীয় কাজে অংশ নেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে

জিন্নাহ ঝানু রাজনৈতিক ব্যক্তি ছিলেন, হিন্দুদের চরিত্র-চক্রান্ত ভালই বুঝতেন, তাই তিনি পাকিস্তান স্বাধীন করতে পেরেছিলেন।

তার নিজের মায়ের ভাষা উর্দু না হওয়া সত্ত্বেও তিনি হিন্দুদের থেকে আলাদা স্বতন্ত্রতা দিতে এবং জাতি রাষ্ট্রকে রক্ষা করতেই উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ভারতীয় ঝানু রাজনীবিধেরা সরাসরি উর্দুর বিপক্ষে না গিয়ে উল্টো বাঙ্গালীদের ক্ষেপিয়ে তুলে এই বলে যে, জিন্নাহ তোমাদের মায়ের ভাষা কেড়ে নিতে চায়।

মায়ের ভাষা আল্লার দান। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ ভাষা ও বর্ণকে নভোমণ্ডল ও ভূমণ্ডল সৃষ্টির পরের গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন বলেছেন। অর্থাৎ আল্লাহ ব্যতীত দুনিয়ার কেউ মায়ের ভাষা পরিবর্তন করতে পারে না।

আপনি যদি ভাষা বিষয়ে এতটুকু বুঝেন, তাহলে এতক্ষণে নিশ্চয়ই আপনার আশঙ্ক্ষার সৃষ্টি হয়েছে যে, আচ্ছা  ওপাড়ের ওরা তাহলে এই কারণেই মায়াকান্না দেখায়। মূলত বাঙ্গালীরা দীর্ঘ-বছর গোলামের জাতি ছিল। তাদের কিভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায় এ বিষয়ে যথেষ্ট জ্ঞান আছে ব্রিটিশদের কাছে। তারপরে বাঙ্গালীদের নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে যদি কারো কাছে অধিক জ্ঞান থাকে, তারা হল ভারতীয়রা। ওরা বাংলা মুল্লুকের অভ্যাস, চরিত্র, খাসিয়ত নিয়ে যথেষ্ট গবেষণা করে নিশ্চিত হয়েছে যে, তাদের কোন কথাটি সহজে গেলানো যায়, কোনটা দিয়ে উস্কানো যায়, কোনটা দিয়ে পাগল করে দেওয়া যায়। পশ্চিম পাকিস্তানিরা যদিও বাংলাদেশ শাসন করেছে, তাগের কাছে এই বিষয়ে জ্ঞান তো ছিলই না উপরন্তু বাঙ্গালীর চরিত্র নিয়ে স্টাডি করার গরজ বোধ করে নাই। ফলে মায়ের ভাষার কাইরা নেবার বিষয়টিকে তারা মানুষের জন কাছে সঠিকভাবে উপস্থাপন করতে পারে নাই। ওটাই ওদের চরম ব্যর্থতা। চলুন সামনের দিকে আগাই

রাষ্ট্রভাষা যেভাবে একটি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে সাহায্য করে

বাংলা, বেলুচিস্তান, পাঞ্জাব, সিন্ধু, সীমান্ত প্রদেশ জাতি আলাদা হলেও উর্দুর মাধ্যমে ঐক্যের ধারণা চিন্তা করা হয়েছিল।

যেমনটি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান করেছেন। তিনি বাংলা ভাষাকে কেন্দ্র করেই বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের প্রবর্তন করেছেন। এতে বাংলাদেশের সকল উপজাতিদের স্বার্থও রক্ষা পেয়েছে।

সোভিয়েত ইউনিয়ন মধ্য এশিয়ার মুসলিম দেশ তাজিকিস্তান, কাজাকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান, খিরগিজিস্তান, আজার বাইজানের আলাদা ভাষা থাকা সত্ত্বেও তাদের রাষ্ট্রভাষা রুশ চালু করে, তাদের সাম্রাজ্যের ভিত্তির জন্যই

ইউরোপের ল্যাটিন ভাষা ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে, প্যারাগুয়ে, কলম্বিয়া, চিলি, পেরু, ভেনিজুয়েলা সহ বহু দেশে চলে বলে দেশ গুলোকে জোট করা হয় ল্যাটিন আমেরিকা নামে। ফলে তারা এই ভাষার গোষ্ঠীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল

আরব দেশ বহু গোত্র উপজাতিতে বিভক্ত, তাদের মধ্যে হানাহানি চরম মাত্রায় থাকে। তবুও যতটুকু তাদের কাছাকাছি ধরে রাখা সম্ভব হয়েছে তাও হয়েছে এই আরবি ভাষার কল্যাণে।

রবীন্দ্রনাথ বাংলায় নোবেল পুরষ্কার পেয়েও হিন্দিকে যেন রাষ্ট্রভাষা করতে বলেছিলেন

রবীন্দ্রনাথ বাংলায় নোবেল পুরষ্কার পেলেন। তিনি গান্ধীকে চিঠি লিখে বলেছিলেন হিন্দিকে যেন রাষ্ট্রভাষা করা হয়। সায় দিলেন শরৎচন্দ্র, শ্যামা-প্রসাদেরা। তার মানে রবীন্দ্রনাথও চেয়েছিলেন হিন্দি ভাষাকে কেন্দ্র করে ভারতীয় হিন্দু জাতির ঐক্য ধরে রাখতে। তারা কিন্তু মায়ের জন্যে কান্না করে নাই, আবার সেই ভাষা হারিয়েও যায় নাই।

ঠিক একই কারণে জিন্নাহ উর্দুকে রাষ্ট্র ভাষা করতে চেয়েছিলেন যদিও তিনি নিজেই উর্দু ভাষায় কথা বলতে পারতেন না।

যুক্তির খাতিরে ধরুন জোর জরবদস্তি করে আমাদের উপরে, উর্দুকেই যদি রাষ্ট্রভাষা চাপিয়ে দেওয়া হত, তাহলে কি কি নতুন সমস্যার সৃষ্টি হত

বাংলাদেশে তখনও শিক্ষিত মানুষের সংখ্যা কম ছিল

পশ্চিম পাকিস্তানিরাই সর্বত্রই চাকরির সুযোগ সুবিধা পেয়েছিল

সেটা উর্দুর চেয়েও ইংরেজির কারণেই বেশী হয়েছিল

আমাদের দেশের শিক্ষিত শ্রেণি ইংরেজিতেই অংক, বিজ্ঞান পাশ করেই চাকরিতে যেতে হত

যেহেতু আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা বানিয়েছিল ব্রিটিশদের কেরানী সাপ্লাইয়ের উপযোগী করে, এখনও তাই

সেহেতু আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থায় ইংরেজির প্রভাব পরিলক্ষিত ছিল, সেটা বাংলাদেশের আমলের শুরুতেও ছিল

শিশুকালে মক্তব মাদ্রাসায় আরবির পাশাপাশি উর্দু, ফার্সি দুটো ভাষা শিক্ষা দেওয়া হত

উর্দু কায়দা, ফার্সি কি পহেলি কিতাব পড়ে শিশুরাই এসব ভাষার বুঝতে পারত

মাদ্রাসার ছাত্ররা উর্দু নাত, ফার্সি গজলে অভ্যস্ত হয়েছিল,

কবি নজরুলের মত বিখ্যাত কবির সৃষ্টি হয়েছিল এসব পড়েই

ফলত উর্দু মুসলমানদের জন্যে কঠিন, দূরহ অজানা আচানক কোন বিষয় ছিল না

জিন্নাহ মারা যান ১৯৪৮ সালে এর পরেও বাংলায় আরো বহু নেতার জন্ম হয়েছিল

আবুল হাশেম, আবুল মনসুর, ফজলুল হক, সহরোওয়ার্দী, ভাসানী, আতাউর রহমান, শেখ মুজিবুর রহমান সহ সকল রাজনৈতিক ব্যক্তিরা কারো সহযোগিতা ছাড়াই অনর্গল উর্দুতে কথা বলতে পারতেন।

বাঙ্গালীরা উর্দু দখলে এতই পারদর্শী ছিল যে, সিন্ধু, পাঞ্জাবের মানুষের চেয়েও বাংলার শব্দ ভাণ্ডার খুবই শক্তিশালী থাকায় সহজে তারা রপ্ত করতে পারত।

এখনও মধ্য প্রাচ্যে অশিক্ষিত বাঙ্গালীরা যত দ্রুত উর্দু-হিন্দি দখলে নেয়, অশিক্ষিত পাকিস্তানিরা তা পারে না

পাকিস্তান আন্দোলন গড়ে উঠেছিল বাংলা অঞ্চলের নেতাদের দ্বারা

১৯৪০ সালের ২৩ শে মার্চ লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করে শেরে বাংলা ফজলুল হক, বাংলা অঞ্চল থেকে প্রচুর নেতারা অংশ নেন।

গুরত্বপূর্ন সেই বৈঠকটিও অনুষ্ঠিত হয় উর্দু ভাষায় সকল বাংলাভাষী নেতারাও উর্দুতেই বক্তব্য উপস্থাপন করনে এবং ইরেজীতে প্রচার করেন।

প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশে লেখা পড়া করেও বাংলায় লিখতে পারতেন না। তিনি উর্দু-ইংরেজীতে সমান-তালে পারদর্শী ছিলেন

উর্দু যদি রাষ্ট্রভাষা হয়েই যেত, তাহলে পূর্ব পাকিস্তানের ততটুকু সমস্যা হত, যতটুকু পশ্চিম পাকিস্তানী শিক্ষার্থীদের হত

তাহলে রাষ্ট্রভাষা উর্দু হলে মূলত কাদের হত বেশী? সমস্যা হত হিন্দুদের। তারা ঘৃণার কারণে আরবি ফন্ট পড়তে চাইত না। বাধ্য হয়ে সেটা পড়তে হত নচেৎ সরকারি চাকুরিতে সুযোগ পেত না। ফলে ভাষা আন্দোলনের তাত্ত্বিক ফল তাদের ঘরেই গিয়েছে

তাছাড়া হিন্দুদের জন্যে পাকিস্তান সরকার ভাববে কোন যুক্তিতে? হিন্দুস্তান ও পাকিস্তান নামক দুটো দেশের জন্মই হয়েছে ধর্মের ভিত্তিকে।

হিন্দুস্থানে হিন্দুরা আর পাকিস্তানে মুসলমানেরা প্রাধান্য পাবে। বর্তমানে পশ্চিম যেসব হিন্দু আছে, তারা উর্দু শিখেই সে দেশে বসবাস করছে না।

মূলত দেশে ভাগের সময়েই ভেবে রাখা হয়েছিল যে, বাংলাদেশ নামক ভূখণ্ডকে ভারত গ্রাস করবে। তাই তাদের সংস্কৃতিতে মানুষগুলোকে অভ্যস্ত করতে চেয়েছিল

আওয়ামীলীগ আমলে তার যথার্থতা তারা দেখিয়েছে।

জিন্নার ছোট বোন ফাতেমা জিন্নার জনসভায় শেখ মুজিবুর রহমান সার্বক্ষণিক সময় দিয়েছিলেন। তখন কি মুজিব জানতেন না যে, জিন্নাহ বাংলাদেশের জন্য ক্ষতিকর ছিল?

শেখ মুজিব ভাল করে জানতেন বলেই নিজেও পাকিস্তান আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী হিসেবে গৌরব করতেন

জিন্নাহকে গালি দেবার অর্থ হল ভারতের দাসত্ব থেকে দুটো মুসলিম দেশ আলাদা করার কারণেই গালি দেওয়া হয়।

জিন্নাহকে গালি দেবার অর্থই হল, এই অঞ্চলের মুসলমানদের ভারতীয় দাসত্বের অধীনে দলিত শ্রেণী হওয়া থেকে বাধা দিয়েছে, সে কারণেই করা হয়।

বাঙ্গালীর জন্যে শুকরের গোশত অবারিত থাকত আর গরু জবাই করলে আইনের মাধ্যমে শাসন করা হত।

আজকে পশ্চিম বাংলার মুসলমানদের পরিণতি দেখুন, যদি পাকিস্তান না হত, তাহলে এর চেয়ে চরম পরিণতি আরো ত্রিশ বছর আগে কপালে জুটত।

ফাইনালি আজ যারা মোহাম্মদ আলীর জিন্নাহ নাম শুনে আঁতকে উঠে, তার রক্তে ভারতীয় বীর্য মিশ্রিত আছে, সেটাই প্রমাণ করে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *