ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং

ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং

ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং এর বিশেষ ভাবনা 

বিশ্বখ্যাত অন্যতম ইঞ্জিনিয়ারিং ফিল্ড হিসেবে তুমুল আলোচিত ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং। সিভিল ইঞ্জিনিয়ার, ম্যাকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার এসব মৌলিক ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পর্কে সবাই অবগত আছে।

বিগত শতাব্দী থেকে যোগ হয়েছিল ক্যামিক্যাল, টেক্সটাইল, রোবটিক্স, মেরিন, অ্যারোস্পেস, নিউক্লিয়ার, পেট্রোলিয়াম, অটোমোবাইল, ইন্ডাস্ট্রিয়াল সহ আরো বহু ইঞ্জিনিয়ারিং এর ফিল্ড। উপরোক্ত সকল ইঞ্জিনিয়ারিং ফিল্ডকে পিছনে ফেলে, যে ইঞ্জিনিয়ারিং ফিল্ড বর্তমানে বিশ্বজোড়া খ্যাতির সর্বোচ্চ শিখরে আছে, সেটার নাম “ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং”।

স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর বিশেষ ভাবনা

একদা বাংলাদেশের গৌরব এফ আর খান (ফজলুর রহমান খান) স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং এ বিশ্বজোড়া খ্যাতি অর্জন করেন। বাংলাদেশকে ভিন্নভাবে পরিচয় করিয়ে দেয়!

সেভাবে হাল আমলে আবিষ্কৃত “ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং” ফিল্ডেও বাংলাদেশ বিশ্বে আলোচিত হচ্ছে। বিশ্বসেরা বহু চৌকশ গৌরবৌজ্জল ব্যক্তিদের জন্ম দিয়েছে। শামশুল হুদা, নুরুল হুদা, কাজি রকিবউদ্দীন, হাবিউল আউয়াল এরা এই ফিল্ডের জগতের সেরা ইঞ্জিনিয়ারদের প্রথম কাতারে আছেন।

এমন অভিনব জ্ঞানে অভিজ্ঞ, কর্মদক্ষতায় প্রাজ্ঞ, ২৪ ঘণ্টায় কোটি কোটি মানুষকে বেকুব বানানোতে চরম পারদর্শী, ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ছিলেন জননেত্রি মহামান্যা শেখ হাসিনা!

তিনিও এফ, আর, খানের মত আরেক ভাগ্যবান বাঙ্গালী! যিনি পৃথিবীর ইতিহাসে তার অমূল্য অবদানের স্বীকৃতি লিপিবদ্ধ করেছেন। বাঙ্গালী জাতি দীর্ঘকাল তার আবিষ্কার থেকে ফনিমনসার কাঁটার সুরসুরি উপলব্দি করতে থাকবে।

ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং ফিল্ড, এক আজিব বৈজ্ঞানিক পন্থার নাম। যেটার সূত্র একবার ব্যবহার হলে, দ্বিতীয়বার কাজে আসেনা! দ্বিতীয়বারের জন্যে নতুন গবেষণা, নতুন থিসিস, নতুন গবেষকের প্রয়োজন হয়।

এভাবে যতবার এই ফিল্ডের ইঞ্জিনিয়ারদের দরকার হয়, ততবার নতুন গবেষক, নতুন ইনভেষ্টের মাধ্যমে নতুন প্রজেক্ট সৃষ্টি হয়।

ফলে এই ফিল্ডে প্রতিনিয়ত বহু করিৎকর্ম কর্মকর্তার জন্ম হয় এবং এক প্রচেষ্টায় যত অর্থ উপার্জন করতে পারে, সারা জীবনে আর কারো চাকুরী করারও দরকার পড়েনা। আজীবন পায়ের উপরে ঠ্যাং তুলে খাওয়ার বন্দোবস্ত হয়ে যায়। উদাহরণ হিসেবে দেখুন,

বাংলাদেশের সমৃদ্ধি ও উন্নতি কল্পে নানা কিসিমের ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং এর অবদান

২০০৮ সালে ইঞ্জিনিয়ারেরা যেভাবে “ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং” করেছিলেন সেটা আর পরে কাজে লাগেনি। ইঞ্জিনিয়ারেরা প্রার্থীদের জেতাতে তাদের একাউন্টে অধিক ভোট যোগ করে দেন।

২০১৪ সালের ইঞ্জিনিয়ারেরা যেভাবে “ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং” করেছিলেন সেটা না আগের বছরের সাথে মিল ছিল আর না পরের বছরে কাজে লেগেছে। ভোট, ভোট কেন্দ্র ও ভোটার ছাড়াই প্রার্থী জিতে গিয়েছিল।

২০১৮ সালের ইঞ্জিনিয়ারেরা এভাবে “ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং” করেছিলেন যে, প্রার্থীদের ধরে ধরে জেলখানায় পাঠিয়ে; নিরাপদে সেখানে বসেই বিটিভির মাধ্যমে নিজেদের জিতে আসার সংবাদ দেখেছিল।

২০২৪ সালের ইঞ্জিনিয়ারেরা তো আরো চৌকশ ছিল এমন “ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং” করেছিলেন যে, ভোটারগন ঘুম থেকে উঠে জানতে পারেন, তাদের হয়ে ইঞ্জিনিয়ারেরা পরিশ্রমটি করে নিয়েছেন।

দিনে দিনে এভাবে এই ফিল্ডের সমৃদ্ধি বেড়েছে। এমন ইঞ্জিনিয়ারিং সৃষ্টির জন্য বাংলাদেশে সারা দুনিয়ায় আলোচিত হচ্ছে। ভবিষ্যতে এই ফিল্ডের চিত্তাকর্ষক খ্যাতির জন্যে পুরষ্কার আসলে, সেটার জন্যে উদ্ভাবক হিসেবে, শেখ হাসিনাই পাবেন।

এর কারণে বাংলাদেশ পরিচিতি পেয়েছে বিশ্ব দরবারে। দক্ষতা বেড়েছে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং এর! যোগ্যতা বেড়েছে তাদের অধীনস্থদের। ফলে সামনের দিনেও এই ইঞ্জিনিয়ারিং বিদ্যার প্রকাশ ঘটবে ভিন্ন নামে, ভিন্ন চরিত্রে। জনগণ সেটা সেই ইঞ্জিনিয়ারিং দেখার জন্যে শুকনো বদনে মুখিয়ে আছে!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *