সাহিত্য

শিল্পী

শিল্পীর হাত আর মেধাবীর মন

রংয়ের তুলির গুরুত্ব একজন সাধারণ মানুষ বুঝে না। একজন চিত্রকর দিনের পর দিন, তার ওস্তাদের নিকট থেকে তুলির জ্ঞান নিতে থাকে। দুই আঙ্গুলের ফাঁকে সেঁটিয়ে, তুলি হাতে নিবিড় মনে প্রাকটিস করতে থাকে একজন শিল্পী। তার কার্যের গতিবিধি কাগজের এক বর্গ

সীরাত

আর রাহিকুল মাকতুম – সীরাত গ্রন্থ

মানব ইতিহাসের সবচেয়ে জঘন্য ও কদর্য কাহিনীতে ভরা অন্ধকার যুগের বীভৎসতা দূর করতে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন জগতের মানুষের কল্যাণে মুহাম্মদ (সা) কে মানবতার বিমূর্ত প্রতীক করে দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন। আর রাহিকুল মাকতুম – সীরাত গ্রন্থ আরো পড়ুন… মানুষ সৃষ্টিতে DNA প্রভাব

সীরাত

রাসুল (সা) সীরাত গ্রন্থ রিভিউ

বিশ্ব-মানবতার মুক্তির দূত মোহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন আবদুল মুত্তালিব (সা) কে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাঁর পক্ষ হতে রাসুল বানিয়ে; লিখিত দলীল কোরআন দিয়ে দুনিয়ায় পাঠিয়েছেন। তিনি নবী ও রাসুল উভয় সম্মানে ভূষিত, মহা সম্মানিত আদম সন্তানদের অন্যতম। আল্লাহ তাঁর কর্মকে

আজীবন অর্থকষ্ট, অভাব যাদের নিত্য-বন্ধু

কিছু মানুষ আছে যারা খানা খাওয়ার পরে ইচ্ছাকৃতভাবে থালায় কিছু খাদ্য রেখে দেয়! তাদের অনেকেই এটাকে এক ধরনের ফ্যাশন মনে করেন। কেউ নিজেকে হামবড়া ভাবে। কেউ চোখের খিদের কারনে এটা করে। যে কারণেই এটা করা হউক না কেন, তারা জানেনা

লেখক হয়ে লাভ কি

লেখক হয়ে লাভ কি

পৃথিবীর বেশীর ভাগ ধনীদের মুখে এই কথাটি শোনা যাবে যে, লেখক হয়ে লাভ কি? লিখালিখি করে কেউ কি ধনী হতে পেরেছে? অধিকন্তু অনেক লেখক তো শাসক ও ধনীদের হয়েই লিখে থাকেন। এগুলো সবই সত্য উপলব্ধি কিন্তু কোনটাই স্থায়ী দৃষ্টান্ত নয়।

বাংলা-নববর্ষে-মুসলমান

বাংলা নববর্ষে মুসলমানদের অবদান

বাংলা সন সৃষ্টিতে মুসলমানদের রয়েছে বিরাট অবদান। পৃথিবীর দুটি বিখ্যাত ক্যালেন্ডারের সাথে মুসলমানদের আছে বিরাট ঐতিহ্য ও ইতিহাস। বাংলা ও হিজরি সন দুটোই সৃষ্টি করেছে মুসলমানেরা। ‘সন’ ও ‘তারিখ’ দুটিই আরবি শব্দ। সন অর্থ হল ‘বর্ষ’ বা ‘বর্ষপঞ্জী’ এবং তারিখ

নববর্ষ উৎযাপনের রীতি-নীতি

পৃথিবীতে নববর্ষ পালনের রীতি-নীতি প্রথম শুরু হয় ইরান থেকে। ইরানে নববর্ষকে নওরোজ তথা নতুন দিন, নতুন বছর হিসেবে চিত্রিত করা হয়। নওরোজের প্রথা চালু করে পারস্যের জেন্দাবেস্তা ধর্মের অনুসারী অগ্নি উপাসক তথা ‘মাজুসীরা’। অগ্নি উপাসকের মতে খৃষ্টপূর্ব ৮০০ সালে পরাক্রমশালী

বাংলা ভাষার গুরুত্ব

১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর ইউনেস্কোর ৩০তম অধিবেশনে ২১শে ফেব্রুয়ারি’কে সার্বজনীন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ইউনেস্কোর ঘোষণায় বলা হয়: Linguistic and cultural diversity represent universal values that strengthen the unity and cohesion of societies. অর্থাৎ “সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য