
তারপরও মানুষ ‘হ’
প্রতিদিনের মত যথারীতি আজকে পাশের পাড়ার মাহতাব (ছপ্দনাম) কে ডেকে আনার দায়িত্ব পড়ল। আমি ও তাহের তাদের বাড়ীতে পৌছার পথেই শুনতে পেলাম, সে তাদের পেয়ারা গাছে বসে, “ও পরানের তালত ভাই, চিঠি দিলাম পত্র দিলাম..” লিরিকের গানটির শেষের কলি গেয়ে

প্রতিদিনের মত যথারীতি আজকে পাশের পাড়ার মাহতাব (ছপ্দনাম) কে ডেকে আনার দায়িত্ব পড়ল। আমি ও তাহের তাদের বাড়ীতে পৌছার পথেই শুনতে পেলাম, সে তাদের পেয়ারা গাছে বসে, “ও পরানের তালত ভাই, চিঠি দিলাম পত্র দিলাম..” লিরিকের গানটির শেষের কলি গেয়ে

হোটেল ম্যানেজারকে প্রশ্ন করলাম, ইংরেজি বুঝে এমন কোন নাপিতের খবর আছে কিনা? তিনি আঁকা-বাঁকা পথের একটি সেলুনের সন্ধান দিয় বললেন, সে পথে আড়াই কিলোমিটার পর্যন্ত গেলে; চলন সই ইংরেজি জানে এমন একজন নাপিতের দেখা মিলবে! হাতে মেলা সময়, তাই ঐ

গত বার কৃপণের বাড়ীতে ঈদের মেহমান হতে গিয়ে কি ঝামেলাটাই না হয়েছিল! সেটা আমাদের মনে দাগ কাটা ছিল। তাই পরের বছর সবার ঘরে গিয়ে, গায়ে পড়ে মেহমান হবার ধারণাটি বাদ দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া এক বছরে আমাদের জ্ঞান বুদ্ধিও কিছুটা বেড়েছে,

খালাত, মামাত ও আমি ফুফাতো ভাই মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম ঈদের দিনে একসাথে বেড়াতে বের হব! সঠিক দিনে আরো চার জন বেড়ে মোট সাত জনের একটি ছোট্ট দলে পরিণত হল। বাকিরা আমাদের স্কুলেরই মুখ-চেনা সহপাঠী। সাত জনের নানার বাড়ী, খালার বাড়ী,

দুনিয়াতে তেল বাজের রকম ফের বহু বিচিত্র। এই তেল এমন এক বোতলে থাকে, যা সারা জীবন ব্যবহার করলেও শেষ হয়না; বরং তেলের পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে থাকে। হানিফ সংকেতের ইন্টারভিয়্যুর বোকা যুবক মৌখিক পরীক্ষা দিতে গেলে পর, পরীক্ষক কে সুবিধেয় পেলে,

পৃথিবীর সবচেয়ে বেশী পাটের জন্ম হয় বাংলাদেশে। পাট নাকি বড় মূল্যবান অর্থকড়ি সম্পদ এবং এর আশ নাকি সোনালী তন্তুর মত মর্যাদাবান! এক্কেবারে ভুল কথা, এই কথার কোন সত্যতা আমরা কোনদিন পাইনি! পাটের চমকপ্রদ ব্যবহার পাটের চারা বাংলাদেশের সর্বত্র আগাছার মত
অশীতিপর বৃদ্ধরা বসলে উঠতে পারেনা আবার উঠলে বসতে পারে না। জীবনের এই সময়টা বড় কঠিন হলেও তাদের ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় মল-মূত্র ত্যাগ কিংবা অন্য প্রয়োজনের তাগিদে দিনে-রাতে কদাচিৎ উঠতে-বসতে হয়। তাদের কারো পক্ষে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করা গেলেও, কোনভাবেই দাঁড়িয়ে মলত্যাগ সম্ভব নয়!

সুখী মানুষ আর অসুখী মানুষের প্রকার বুঝতে হলে, আগে মানুষের জীবন চরিতের দিকে নজর দিতে হবে। একজন দিন-মজুর, রিক্সা ওয়ালা সারাদিন হাড় ভাঙ্গা পরিশ্রম করে যেভাবে একটি সুখের ঘুম দিতে পারে, একজন বিত্তশালী ব্যক্তি তা কখনও পারেনা। তাদের প্রতিটি রাতের
উপমহাদেশে প্রাপ্ত গায়ে দুর্গন্ধযুক্ত পোকার মধ্যে গান্ধি পোকার মান-মর্যাদা সর্বোচ্চ। মামাত, খালাত ভাই মিলে এরা কয়েক আকারের হলেও তারা সবাই গান্ধী হিসেবে বিবেচিত। তাদের নাম কেন গান্ধী! কৃষি বিজ্ঞানীরা ব্যাপক গবেষণা করেও ফাইনাল সিদ্ধান্তে পৌছতে ব্যর্থ হয়েছে! না, না, তাদের

লঙ লঙ্গ, রঙ্গ রঙ্গ, শুঙ্কার হুঙ্কারে; ছা-আ পরীর ছাঈ। দোহাই মহাকালের দোহাই, দোহাই মগদ ঈশ্বরীর দোহাই, দোহাই ত্রি-শুঙ্কলপতির দোহাই………। বৈদ্য মানবেন্দ্র ত্রিপুরা ওরফে মণি বৈদ্য এই দুর্বোধ্য রাজমোহনী মন্ত্র এক নিঃশ্বাসে পড়ে যাচ্ছেন আর একটি করে তাবিজ জমির কোণায় মাটিতে