শাহ পদবীটা বিরাট অদ্ভুত। শাহ শব্দটি নামের আগে থাকলে, বুঝা যাবে ব্যক্তিটির সাথে রাজ্য শাসন কিংবা রাজ শক্তির প্রভাব রয়েছে। আবার এই ‘শাহ’ পদবী নামের পরে থাকলে বুঝা যায় তার সাথে ধর্ম কিংবা সম্প্রদায়ের প্রভাব রয়েছে। উদাহরণ হিসেবে দেখুন
শাহ জাহান: বিখ্যাত মোগল সম্রাট
শাহ সুজা: সম্রাট শাহ জাহানের পুত্র এবং বাংলার সুবাদার।
শাহ আলম (প্রথম ও দ্বিতীয়): মুঘল সাম্রাজ্যের অন্যতম শাসক।
শাহ আব্বাস: পারস্যের (ইরান) সাফাভি রাজবংশের বিখ্যাত সম্রাট।
শাহ ইসমাইল: সাফাভি সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা।
শাহ ফয়সাল: সৌদি আরবের বিখ্যাত বাদশাহ
শাহ রাজা পাহলভী: ইরানের শেষ রাজবংশের শাসক।
শাহ রূখ: তৈমুর লঙের পুত্র এবং পারস্যের (ইরান) একজন বিখ্যাত শাসক।
শাহ তহমাস্প: সাফাভি রাজবংশের দ্বিতীয় শক্তিশালী সম্রাট।
শাহ সুলাইমান: পারস্যের আরেকজন প্রভাবশালী বাদশাহ।
পারস্য ও মধ্য এশিয়ার রাজাদের প্রধান উপাধি ছিল শাহ। সে কারণে শাহ এখানে রাজকীয় মর্যাদা হিসেবে উল্লেখ আছে। আবার
শাহ জালাল
শাহ পরান
শাহ ওয়ালীউল্লাহ
শাহ মাখদুম
শাহ আমানত
এদের সাথে ধর্মীয়ভাবে জনগণ ও রাজ-নৈতিকভাবে শাসক গোষ্ঠী উভয়-দিকের প্রভাব ছিল বিধায়, ওনারা ক্ষমতায় না থেকেও শাহ উপাধি পেয়েছেন। আবার
লালন শাহ
মজনু শাহ
তৈয়ব শাহ
মালেক শাহ
তাহের শাহ
ছাবের শাহ
শাহ শব্দটি এখানে নামের শেষে বসেছে। উপরোক্ত ব্যক্তিরা ধর্মীয় কিংবা সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্মানিত। বাংলাদেশে এভাবে হাজারো শাহ নামের ব্যক্তি রয়েছে। যারা কোন না কোন ভাবে সম্মানিত কিংবা পরিচিত।


Discussion about this post