পিতা-মাতার ভরণপোষণের দায়িত্ব ছেলেদের উপরে বর্তায়। বিশ বছরের মধ্যে কন্যারা স্বামীর ঘরে যায়। তখন থেকে কন্যা তার স্বামী সংসারের অংশ হয়ে যায়। উত্তরাধিকার হিস্যা মেয়েরা ছেলের সমান
উত্তরাধিকার সম্পদে ছেলেরা বোনদের দ্বিগুণ পায়। কেননা পিতা-মাতার দায়িত্ব ছেলেদেরই গ্রহণ করতে হয়। তাদের বাকী জীবনে খাদ্য, চিকিৎসা, নিরাপত্তা, সেবা ও ঋণের দায়িত্বও ছেলেদের বহন করতে হয়।
আরো পড়তে পারেন…
- ফেসবুকের বন্ধু সমাচার
- Broken Chair ভাঙ্গা বেদি ভাস্কর্য
- বই পাগল সবুজ, তারুণ্যের এক প্রতিচ্ছবি
একজন পিতা ছেলে-মেয়ে দু’জনকে একই আদরে, একই খরচে ডাক্তার বানালো। তারা উভয়ে সংসার পাতল। এমতাবস্থায়ও মাতা-পিতার জন্য ছেলে যে ভূমিকা রাখতে পারে, কন্যারা সেটা পারেনা।
পিতার কার্যক্ষেত্র যথা, খেত-খামার, দোকান-পাঠ, ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানে উপযুক্ত বয়সের ছেলেরা সশরীরে ভূমিকা রেখে পিতার রোজী-রোজগার বাড়িয়ে তুলতে পারে। অন্যদিকে উপযুক্ত বয়সে কন্যারা অন্যের ঘরের বউ হয়ে যায়। তারা ইচ্ছে করলেও পিতার বাড়তি আয়ে সাহায্য করতে পারে না।
উপরোক্ত ছোট্ট পরিসংখ্যান থেকে প্রতীয়মান হয় যে, পিতার পক্ষ হয়ে কখনও কোন অবস্থাতেই কন্যারা ছেলের মত ভূমিকা রাখতে পারে না। বরং ছেলেরা বোনের চেয়ে দ্বিগুণ, ত্রিগুণ কখনও বহুগুণ ভূমিকা রাখে। উত্তরাধিকার হিস্যা মেয়েরা ছেলের সমান
এমন কি পিতা-মাতার মৃত্যুর পরে বোনেরা যখন ভাইয়ের বাড়িতে বেড়াতে আসে, তখন সে বাড়িতে তাদের যে মর্যাদা থাকে। বোনেরা ইচ্ছে করলেও ভাইদের সে ধরনের মর্যাদা তাদের স্বামীর সংসারে দিতে পারে না।
তাহলে পিতার উত্তরাধিকার সম্পত্তিতে মেয়েরাও ছেলের সমান পেতে হবে কোন যুক্তিতে? আল্লাহ যে বিধান দিয়েছেন, ছেলেরা পাবে মেয়েদের দ্বিগুণ। সেটাই যুক্তিযুক্ত, বৈজ্ঞানিক।
সমাজে একটি কথা উঠে, ছেলেরা পিতা-মাতকে দেখে না, কষ্ট দেয়। এমনটি হলে সেটা হবে ফৌজদারি অপরাধ। এটার জন্য আইন আছে, পুলিশ আছে, প্রশাসন আছে। চেয়ারম্যান-মেম্বারের কাছে যাওয়া সহ বহু রাস্তা খোলা আছে। ধর্ম রাস্তা বানিয়ে দিয়েছে, মানুষ ধর্মের কথা, ধর্মের ফায়সালা মানে। সরকারের কাজ হল তা যথাযথ জনগণকে পাইয়ে দেওয়া। এমন অবিচারে সরকার ও রাষ্ট্র নাগরিকের অধিকার ফিরিয়ে দিবে। সেটার জন্য ধর্মীয় বিধান দায়ী নয়।


Discussion about this post