ডিজিটাল জমানার বাংলাদেশের প্রথম ইসলামী নকিব মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী

টিপুভাই ডট কম ব্লগের ছবি, নজরুল ইসলা টিপু - tipuvai.com
১. তিনিই প্রথম ইসলাম প্রচারক যার অডিও ক্যাসেট গ্রামে-গঞ্জে ছড়িয়ে পড়ে।
২. তিনিই প্রথম ইসলাম প্রচারক যার ওয়াজ ভিডিও ক্যাসেটে ধারণ করা হয়।
৩. তিনিই প্রথম ইসলাম প্রচারক যার ওয়াজ সিডি-ডিভিডির মাধ্যমে পুরো দেশ জুড়ে বিস্তার পায়।
৪. মাওলানা সাঈদীর ওয়াজ নসিহতের ক্যাসেট, ভিডিও, সিডি বিক্রির জন্য আলাদা দোকান প্রতিষ্ঠা হয়।
৫. মাওলানা সাঈদী প্রথম ব্যক্তি যিনি টিভি চ্যানেলে দর্শকের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার অনুষ্ঠান চালু করেন। (এটিএন বাংলা)
৬. মাওলানা সাঈদী প্রথম ব্যক্তি যাঁর ওয়াজ মাহফিলে কাবা শরীফের ঈমাম হাজির হন। (কলেজিয়েট স্কুল ময়দান, চট্টগ্রাম)
৭. মাওলানা সাঈদী প্রথম আলেম যাঁর সাক্ষাতকার বিবিসি ভয়েস অব আমেরিকা প্রচার করে।
৮. মাওলানা সাঈদী প্রথম ব্যক্তি যার ওয়াজ মাহফিলে হিন্দু, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা ইসলাম সম্পর্কে আকর্ষিত হন। (পাঁচ শতাধিক মুসলমান হন)
৯. মাওলানা সাঈদী প্রথম ব্যক্তি যার ওয়াজ শুনে ব্যাপক সংখ্যক কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররা মসজিদ মুখী হন।
১০. মাওলানা সাঈদী প্রথম ব্যক্তি যার মাহফিলে অগণিত মহিলা ও শিশুরা ওয়াজ শুনতে হাজির থাকতে শুরু করেন।
১১. মাওলানা সাঈদী বাংলাদেশী প্রথম আলেম যিনি শুধুমাত্র তাওহীদ ও দ্বীন প্রচারের লক্ষ্যে পৃথিবীর বহুদেশ ভ্রমণ করেছেন এবং বাংলাভাষী মানুষদের মাঝে ইসলাম প্রচার করেছেন।
১২. মাওলানা সাঈদী প্রথম ব্যক্তি যিনি আলেমে দ্বীন ও রাজনীতিবিদ হিসেবে উভয় স্থানে সমান সমাদৃত ছিলেন।
১৩. তিনিই প্রথম ব্যক্তি যিনি প্রেসিডেন্টের উপস্থিতিতে তাঁকে হেদায়েত করার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করেন (ইসলামী ফাউন্ডেশনের মুনাজাতে প্রেসিডেন্ট এরশাদকে লক্ষ্য করে করা মুনাজাত। ফলে মাও সাঈদী সকল রাষ্ট্রীয় দাওয়াত ও অনুষ্ঠান থেকে বাতিল হয়ে পড়েন)
১৪. মাওলানা সাঈদী প্রথম ব্যক্তি যিনি সংসদ স্পিকারের উদ্দেশ্য মাথা নত করার মত কুফুরী প্রথা বাতিল করান। (আমাদের সংসদে ঢুকার সময় সকল এমপি, মন্ত্রীকে কুর্নিশ তথা প্রণাম করেই প্রবেশ করতে হত)
১৫. মাওলানা সাঈদী প্রথম আলেম যিনি সংসদের অস্বচ্ছ বাজেটের সমালোচনায় সংসদের ইতিহাসে প্রথম প্রবল বিরোধিতার মধ্যেও অকুতোভয় সাহসী ভূমিকা রাখেন। (১৯৯৮ সালের আওয়ামীলীগের বাজেট বক্তব্য)
১৬. ইসলামী মূল্যবোধের কারণে তাঁকেই প্রথম ফাঁসির আদেশ শুনতে হয়। (বিশা বলী নামে একজনকে হত্যা করার অপরাধে দেলোয়ার শিকদারের দোষ দেলোয়ার সাঈদীর মাথায় চাপানো হয়)
১৭. মাও, সাঈদী সেই খ্যাতিমান মানুষ যাঁর পক্ষে নিহত ব্যক্তির ছোট ভাই ও তাঁর আত্মীয়রা ভিন্ন ধর্মের মানুষ হওয়া সত্ত্বেও সাক্ষী দিতে নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়েছিল। (নিহত বিশা বালীর ছোট ভাই সুখরঞ্জন বালী আদালতে সাক্ষী দিতে আসলে, সাদা পুলিশের পোশাকে তাকে অপহরণ করে ভারতীয় সামরিক বাহিনীর যোগ সাজসে, তাকে ভারতের কারাগারে লুকিয়ে রাখে। এখনও তিনি সেখানে অবস্থান করছেন, তার মুক্তি মিলছে না। কেননা তার শারীরিক উপস্থিতিতে মাও সাঈদী জেল থেকে মুক্ত হয়ে যাবেন)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *