শিষ্টাচার হল দালানের আস্তর স্বরূপ। কোটি টাকা দামের ফ্লাট-বাড়ীতে কেউ উঠে না, হাজার টাকার আস্তরের কাজ না করা হলে। তাই কোটি টাকা দামের বিদ্যা-ডিগ্রীও উপকারে আসেনা, যদি চরিত্রে শিষ্টাচার না থাকে। ব্যক্তিত্ব বিকাশে শিষ্টাচারের প্রভাব
আরো পড়তে পারেন…
- বুয়েট মেধাবীদের প্রেম নিবেদন
- শিল্পীর হাত আর মেধাবীর মন
- রাষ্ট্রীয় সম্পদ মেরে ধনী হবার পরিণতি
বিদ্যা নাই, ডিগ্রীও নাই এমন ব্যক্তিও কখনও যথেষ্ট খ্যাতিমান হতে উঠতে পারে, যদি তার কাছে উত্তম খাসিয়ত ও আকর্ষণীয় শিষ্টাচার থাকে। আবার কিছু ব্যক্তিদের কাছে দুটোর একটিও থাকেনা। তারা এসবের প্রয়োজনীয়তাও মনে করেনা। তারা হল পরিপূর্ণ মূর্খ, পৃথিবীতে তার আগমন বৃথা এবং এরা ইতর গাধার চেয়েও মূল্যহীন। আজকের দিনে এমন মানুষের সংখ্যাই বাড়ছেই। এমন মানুষদের লক্ষ্য করেই মহাকবি শেখ শাদী (রঃ) বলেছেন,
“অযোগ্য লোক প্রতিপালন করলে, কখনও সে যোগ্য হয়না”
তাই সবার উচিত। সন্তানদের মেধাবী বানানোর জন্য শুধু লেখাপড়ার পিছনে চাপ দিলেও সফলকাম হওয়া যাবেনা। তাকে উত্তম শিষ্টাচার শিখানো লেখাপড়ার চেয়েও অধিক গুরুত্বপূর্ণ। মোহাম্মদ (সা) কে রাসুল বানাবেন এটা মহান আল্লাহর আগে থেকেই পরিকল্পনা ছিল। তাই মহামানব হওয়ার জন্য শিশুকালেই উত্তম শিষ্টাচার পাওয়া অধিক জরুর।
তাই আল্লাহ কায়দা করে, শিশু মোহাম্মদ (সা) কে হুনাইন অঞ্চলের অধিবাসী হালিমা (রা) নামক মহীয়সী ব্যক্তির তত্ত্বাবধানের ব্যবস্থা করে দেন। কেননা, তদানীন্তন যুগে হুনাইনের মানুষের ভাষা প্রয়োগ ও শিষ্টাচার দুটোই সুন্দর ছিল। ব্যক্তিত্ব বিকাশে শিষ্টাচারের প্রভাব


Discussion about this post