Tipu vai
  • মুলপাতা
  • ধর্ম
    • ইসলাম
    • কোরআন
    • হাদিস
    • ডায়েরি
    • জীবনী
  • সাহিত্য
    • গল্প
    • রচনা
    • প্রবন্ধ
    • রম্য রচনা
    • সামাজিক
  • পরিবেশ
    • উদ্ভিদ জগত
    • প্রাণী জগত
    • ভেষজ হার্বাল
    • জলবায়ু
  • শিক্ষা
    • প্রাতিষ্ঠানিক
    • মৌলিক
    • ইতিহাস
    • বিজ্ঞান
    • ভ্রমণ
    • শিশু-কিশোর
  • বিবিধ
    • ঘরে-বাইরে
    • জীবন বৈচিত্র্য
    • প্রতিবেদন
    • রাজনীতি
    • তথ্যকণিকা
  • লেখক পরিচিতি
No Result
View All Result
নজরুল ইসলাম টিপু
  • মুলপাতা
  • ধর্ম
    • ইসলাম
    • কোরআন
    • হাদিস
    • ডায়েরি
    • জীবনী
  • সাহিত্য
    • গল্প
    • রচনা
    • প্রবন্ধ
    • রম্য রচনা
    • সামাজিক
  • পরিবেশ
    • উদ্ভিদ জগত
    • প্রাণী জগত
    • ভেষজ হার্বাল
    • জলবায়ু
  • শিক্ষা
    • প্রাতিষ্ঠানিক
    • মৌলিক
    • ইতিহাস
    • বিজ্ঞান
    • ভ্রমণ
    • শিশু-কিশোর
  • বিবিধ
    • ঘরে-বাইরে
    • জীবন বৈচিত্র্য
    • প্রতিবেদন
    • রাজনীতি
    • তথ্যকণিকা
  • লেখক পরিচিতি
No Result
View All Result
নজরুল ইসলাম টিপু
No Result
View All Result

লুপ্ত ঐতিহ্যের মসলিন এবং সুপ্ত গৌরবের গার্মেন্টস : গোলামিতেই জীবনচক্র

আগস্ট ৯, ২০১৮
in ইতিহাস
4 min read
0
– সুন্দর ও দামী কাপড়ের জন্য প্রাচীন বাংলা মুল্লুক সারা দুনিয়াতে সমাদৃত ছিল।
– পৃথিবীর বেশীর ভাগ রাজা-বাদশাহ, মহারানীরা সাজতেন বাংলায় বানানো কাপড় পড়ে।
– লাল কেল্লার মোতি মহল, শীষ মহল, মমতাজ মহলের পর্দা বাংলার কাপড়েই তৈরি হত।
– রাজ কন্যাদের সৌন্দর্য বৃদ্ধির স্বপ্ন লুকিয়ে থাকত, বাংলায় উৎপাদিত কাপড়ের পরতে পরতে।
– মোগল রাজ প্রসাদের সকল দামী কাপড় তৈরি করত, সোনার গায়ের কারিগরেরা।
 
পাঠক নিশ্চয়ই বুঝেছেন, আমি মসলিন কাপড়ের কথাই বলছি। হয়ত ভাববেন, মসলিন নিয়ে তো কম পড়িনি এতে আবার নতুন কি আছে! বলব অবশ্যই নতুন কিছু আছে। আগে আমরা কাপড় বানাতে শ্রষ্ঠ ছিলাম এখন কাপড় দিয়ে পোশাক বানাতে শ্রেষ্ঠ। বিষয়টাকে এই জন্যই নতুন করে নিয়ে এসেছি যে, যোগ্যতা দক্ষতা না থাকলে খোদায়ী সম্পদ থাকলেও কারো কপালে সমৃদ্ধি আসেনা; কথাটি পরিষ্কার করার জন্যই। অতীতে আমরা কিভাবে মসলিনকে হারিয়েছি সেটা জানলে, আজকের ভুল গুলোকে শুদ্ধ করে লড়তে সহজ হবে। নচেৎ কপাল পোড়াই থাকতে হবে। মাটির নীচে তেল আর গ্যাস তা যতই থাকুক না কেন।
 
আসুন, শুরুতেই মসলিন নিয়ে দু’টো কথা জেনে পুরানো জ্ঞানকে হালনাগাদ করে নেই।
 
**পৃথিবীতে দেশে দেশে মসলিনের কদর**
– মসলিন কাপড় মূলত তুলা থেকেই তৈরি হত। পৃথিবীতে বহু জাতের তুলা পাওয়া যায়, তার মধ্যে অন্যতম হল কার্পাস, এই কার্পাসের রয়েছে আবার বিভিন্ন প্রজাতি।
– প্রাচীন কাল থেকেই পৃথিবীর বহু স্থানে মসলিন তৈরি হত। মোলায়েম, স্বচ্ছ ও হালকা হিসেবে এই কাপড়ের মূল্য ও গুরুত্ব বিবেচিত হত।
– আমাদের অঞ্চলে এই কাপড় বেশী পরিমানে তৈরি হত এবং এটার কদর ছিল চীন, ইউরোপ, মধ্য এশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, তুর্কীস্তান, আরব, ইয়েমেন ও আফ্রিকা পর্যন্ত বিস্তৃত।
– ইউরোপ থেকে সমুদ্র পথে ভারত, ইন্দোনেশিয়া, মালয়, সুমাত্রায় কিভাবে আসা যাবে এটা চতুর্দশ শতকের আগের মানুষেরা জানত না।
– ফলে আমাদের অঞ্চলের কাপড় উঠের পিটে করে ভারত, ইরান, মুলতান, তুর্কি হয়ে ইরাকের মসুল নগরীতে পৌঁছত।
– ইউরোপিয়ান বণিকেরা ভূমধ্যসাগর কিংবা স্থলপথে মসুল নগরীতে আসত। এই নগরী কাপড়ের জন্য বিখ্যাত ছিল। ধারণা করা হয় মসলিন কাপড়ের নামটির সাথে মসুল নগরীর যোগ সূত্র আছে।
– বাংলা মুল্লুক থেকে মসলিন কাপড় সমুদ্র পথে ইরান, ইয়েমেন, লোহিত সাগর হয়ে আরব ও আফ্রিকায় পৌঁছত। আবার পূর্বের দেশ মালয়, ইন্দোনেশিয়া ও চিনেও পৌঁছে যেত। যার কারণে চট্টগ্রাম বন্দর ও মেঘনা নদীর গুরুত্ব তখন থেকেই বাড়তে থাকে।
 
**সোনারগায়ের মসলিন কেন পৃথিবী বিখ্যাত ছিল**
– পৃথিবীর বহু দেশে মসলিন বানানো হলেও ঢাকা ও সোনার গাঁয়ের মসলিন ছিল সবার চেয়ে সেরা।
– এই মসলিন মোলায়েম, সূক্ষ্ম, পাতলা, দীর্ঘস্থায়ী ও বহু বার পানিতে ধোয়ার উপযোগী।
– মলবুস খাস ও মলমল খাস ছিল সোনারগাঁয়ের সর্বোত্তম মসলিন, খাস অর্থ স্পেশাল, ওগুলো মোগল সম্রাটের রমণীরা ব্যবহার করত।
– ১০ গজ লম্বা ও ১ গজ প্রস্ত একটি কাপড়ের ওজন ৮ ভরি বা ৮ তোলার সমান। রেশমী ডিজাইনের গুলো ২০ ভরি পর্যন্ত ওজন হত। যা একটি আংটির মধ্য দিয়ে সহজে আনাগোনা করানো যেত।
– সোনারগাঁয়ের মসলিনের সমকক্ষ আর কোন পোশাক ছিলনা, তাই এক বছর আগে নগদ অর্থ অগ্রিম দিয়েই এই কাপড় যোগাড় করতে হত।
– সোনারগাঁ ও ঢাকার আশে পাশে ‘ফুটি’ নামক এক প্রকার কার্পাস তুলা পাওয়া যেত; এটিই মসলিনের মূল উপাদান। বিশেষজ্ঞরা বলেন, মেঘনার পলিমাটির কারণে এই তুলায় ভিন্ন ধরনের বিশেষত্ব সৃষ্টি হয়েছিল।
– বোয়াল মাছের দাঁতের চিরুনি দিয়ে তুলাকে খুবই মিহি ও মসৃণ করা হত। তখনকার দিনে বোয়াল মাছ শুধু এই অঞ্চলে পাওয়া যেত।
– মেঘনা ও লাক্ষা নদীর পানি দ্বারা সুতা ভিজালে ভিন্ন ধরনের উজ্জ্বলতা দেখা দিত এবং সুতা হয়ে যেত শক্ত। ধারনা করা হয় এই নদীর পানিতে কোন একটি উপাদান ছিল, যা সুতার জন্য বড় উপযোগী ছিল।
– ১৩ থেকে ২০ বছর বয়সী বালিকারা সুতা কাটত, তাদের হাতে ছিল খুবই স্পর্শকাতর অনুভূতি। চোখে ছিল তীক্ষ্ণ জ্যোতি-শক্তির প্রভাব।
– এই অঞ্চলের ঘন সবুজ পরিবেশে বেড়ে উঠা ও মিঠা পানির মাছের কারণেই মানুষের এই কর্ম-দক্ষতা সৃষ্টি বলে অনেক বিশেষজ্ঞদের ধারণা।
 
**মসলিন সম্পকিত ঐতিহাসিক দলীল-দস্তাবেস**
– জেমস টেলর ছিলেন তৎকালীন ঢাকার কালেক্টর এবং পেশায় ছিলেন সাজর্ন।  তিনি Sketch of the Topography & Statistics of Dacca – James Taylor 1840 নামে একটি গবেষণা মূলক ঐতিহাসিক বই লিখেন। সেখানে অনেক চিত্তাকর্ষক তথ্য তুলে আনেন।
– ১৮৫১ সালে বিলাতের প্রদর্শনীতে ১০ গজ লম্বা ১ গজ প্রস্ত একটি মসলিন কাপড়ের ওজন হয়েছিল ৮ তোলা বা (৮ ভরি)। তখন ঢাকায় সেটির মূল্য ছিল ২০০ টাকা।
– সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে এ ধরনের একটি কাপড়ের মূল্য ছিল ১০০ টাকা, তখন বাংলায় শায়েস্তা খানের আমল এবং টাকায় আট মন চাউল পাওয়া যেত।
– মোগল সম্রাটেরা এই কাপড়ের অন্যতম খদ্দের ছিল তাদের কাপড় ছিল স্পেশাল যা সোনারগাঁয়েই তৈরি হত। বাকি কাপড় দুনিয়ার বাকি অংশে যেত।
– নবাব মুর্শিদকুলি খাঁর আমলেই ঢাকাতে মসলিন কাপড়ের চারটি বড় ‘আড়ং’ ছিল। একদা তিনি মোগল বাদশাহদের জন্য ১ লক্ষ টাকার কাপড় সরবরাহ করেন।
 
**মসলিন বাংলার জনপদে বহু আপদ ডেকে আনে**
– মসলিন কাপড়ের সূত্র ধরেই ব্যবসা করার জন্য আর্মেনিয়ান, ইরানী, তুরানি, মোগল ও পাঠান বনিকেরা বাংলাদেশে আসা শুরু করে।
– তাদের মাধ্যমে এই কাপড় ইউরোপীয়ান ব্যবসায়ীরা ইরাকের মসুল শহরের দোকানে পেতেন।
– চতুর্দশ শতাব্দীতে সমুদ্র পথে বাংলায় আসার পথ আবিষ্কার হবার পরে, দলে দলে ইউরোপিয়ান বনিকেরা এদেশে আসতে থাকে।
– ষোড়শ শতাব্দীতে ‘দিনেমার’ তথা ডেনিসেরা (বর্তমান ডেনমার্ক) ব্যবসায়ের নামে বাংলায় আসে।
– ১৬৬৩ সালে ওলন্দাজ তথা ডাচ (হল্যান্ডের মানুষ) বাংলায় কুটির স্থাপন করে।
– ১৬৬৯ সালে ইরেজেরা ব্যবসায়ের লক্ষ্যে বাংলায় আসে।
– ১৬৮১ সালে ফিরিঙ্গি তথা ফ্রান্সের ব্যবসায়ীরা ঢাকার ব্যবসায়ের গোড়াপত্তন শুরু করে।
– সতের শতকের দিকে পর্তুগীজেরা (বর্তমান পর্তুগাল) বাংলায় আসার রাস্তা চিনে, তারা বর্তমান ভারতের হুগলী থেকেই তাদের ব্যবসা শুরু করে।
 
**স্বার্থের কারণে ইউরোপীয়ানেরা একে অপরের প্রবল শত্রু**
– নবাব আলীবর্দি খার আমল থেকেই ইংরেজেরা বাংলায় ব্যবসা করার সুযোগ নেয়।
– ফ্রান্স আগে থেকেই ব্যবসায়ের নামে এদেশে ঝেঁকে বসেছিল।
– ষোড়শ শতকে ইংরেজ ও ফ্রান্স একত্রে মিলে, পর্তুগীজদের হুগলী থেকে বিদায় করেন।
– পর্তুগীজেরা বার্মিজদের সামরিক সহযোগিতায় চট্টগ্রাম দখল করে এবং স্থানীয় মানুষদের বন্দি করে দাস হিসেবে বিক্রি করা শুরু করে।
– চট্টগ্রামের কোট চত্বর থেকে শুরু করে, সকল লাল দালান নিজেদের নিরাপত্তার জন্য পর্তুগীজেরাই বানিয়েছিল।
– শায়েস্তা খাঁর আমলে কর্ণফুলী নদীতে পুর্তগীজদের সাথে এক ভয়ানক যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
– এভাবে বাংলার ব্যবসা বাণিজ্য হাতিয়ে নিতে ইউরোপীয় ব্যবসায়ীরা একে অপরের বিরুদ্ধে অনবরত লড়তে থাকত। 
– সৈন্য ও দালাল হিসেবে ব্যবহৃত হত স্থানীয় মানুষেরা, অন্যরা দাস হিসেবে রপ্তানী হত।
– বাংলাদেশের বিভিন্ন শহরে আর্মানীঠোলা, পাঠানঠুলি, মোগলঠুলি, ফিরিঙ্গি বাজার সহ অগণিত নাম বিদেশী বণিকদের আশ্রয়স্থলের নামেই হয়েছে।
 
**মসলিনের চাহিদা ও বাজারের হাল হাকিকত।**
– মসলিন কাপড়ের মূল্য এক বছর আগেই নগদ পরিশোধ করা হত। 
– তারপরও যথাসময়ে কাপড় পাওয়ার গ্যারান্টি ছিল না।
– জেমস টেলর ১৭৩৭ সালের একটি দলীল যোগাড় করে দেখায় যে, ৪০ হাজার টাকার কাপড় যোগাড় করে দেবার জন্য নিতাই নামের এক মধ্যস্থতা কারীকে ৯ হাজার টাকা দালালী দিতে হয়েছিল।
– জেমস টেলরের দেওয়া, ১৭৪৭ সালের একটি নথি থেকে জানা যায়, ঢাকাই মসলিন রপ্তানির ধাপে, দিল্লীর বাদশাহ, নওয়াব ও জগত শেঠ সাড়ে পাঁচ লাখ; পাঠান, তুরানি, মোগলেরা সাড়ে ছয় লাখ, আর্মেনীয় ও হিন্দু ব্যবসায়ীরা ৭ লাখ, ইউরোপীয় বনিকেরা সাড়ে নয় লক্ষ টাকার কাপড় সহ সর্বমোট সাড়ে আটাশ লক্ষ টাকার কাপড় ঢাকা থেকেই রপ্তানি হয়েছিল।
 
**এত দামী মসলিন কাপড়ের শ্রমিকেরা ছিল বঞ্চিত।**
– অষ্টাদশ শতাব্দীতে ২০ গজ লম্বা ও ১ গজ প্রস্ত একটি কাপড় বানাতে একজন তাঁতি ও দু’জন সহকারী কারিগরের এক বছর সময় লাগত; কাপড়ের মূল্য ছিল ২৫০ টাকা।
– একজন সহকারীর  মাসিক বেতন ছিল আট আনা থেকে বার আনা। দক্ষ কারিগর ১.২৫ থেকে সর্বোচ্ছ দেড় টাকা পর্যন্ত বেতন উঠত।
– ১৭৪৩ সালে ঢাকায় এক টাকায় সোয়া মন চিকন চাউল, অথবা দেড় মন মোটা চাউল পাওয়া যেত।
– তিনজন কারিগরের জন্য সর্বোচ্ছ বেতন হিসেব করলেও বাৎসরিক ৩৫ টাকা বেতন আসত। সেখানে বাজারে কাপড়ের মূল্য ছিল ২৫০ টাকা বেতন ধরা হলেও ২১৫ টাকা মধ্য-স্বত্বভোগীরা মেরে দিত।
– যাদের ঘাম ও যোগ্যতায় গড়ে উঠেছিল মসলিন শিল্প, মধ্য-স্বত্বভোগী ও দালালের কারণে তারাই হয়ে উঠেছিল বঞ্চিত।
 
** মসলিন শিল্প কিভাবে শেষ হল**
– ১৭৫৬ সালে ইংরেজেরা যখন পুরো ভারতের কর্তৃত্ব লাভ করে এবং শক্তি ও কৌশলে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে আগত সকল ব্যবসায়ীদের ভারত ছাড়া করে।
– ফলে মসলিনের রপ্তানিতে বিরাট ভাটা পড়ে, যা উৎপাদন হত সেটাও ব্রিটিশ ব্যবসায়ীরা নাম মাত্র মূল্যে ছিনিয়ে নিত।
– ১৭২০ সালে সালে মসলিন রপ্তানির উপর ১৫% শুল্ক ধার্য হয়, সবশেষে এই শুল্ক ৪৪% এসে থামে। এত শুল্ক গুনে ব্যবসা চালানো কঠিনতর হয়ে পড়ে।
– ব্যবসায়ীরা লোকসানী নিয়ন্ত্রণে তাদের মুনাফা ঠিকই রাখত এবং শ্রমিকদের ন্যুনতম বেতন থেকেই কমানো শুরু করে।
– ফলে কারিগরদের এই আয় দিয়ে জীবন চালানো কঠিনতর হয়ে উঠে; ফলে তারা এই কাজ ছেড়ে দেয়।
– ইংরেজ ব্যবসায়ীরা কারিকরদের যথাযথ পারিশ্রমিক দিত না অধিকন্তু চরমভাবে ঠকানোর নীতি গ্রহণ করেছিল।
– এই ঠকাঠকির কারবার সুন্দর ভাবে প্রতিষ্ঠার জন্য ইংরেজেরা স্থানীয় মানুষ নিয়োগ করত।
– নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল নগর কোতোয়াল ও পুলিশ সুপারিন্টেনডেন্ট। 
– জাতে এরা স্থানীয় হলেও নিজেদের মানুষের উপর শোষণ করে, ইংরেজদের পরিতুষ্ট রাখত।
– ইতিমধ্যে বিলাতে কাপড়ের কল তৈরি হয়, এসব কলে মসলিন বানানো না হলেও, সে সব কলে সস্তায় ভিন্ন ধরনের কাপড় পাওয়া যেত। ফলে ঢাকার মসলিন ব্যবসা শুকিয়ে পড়ে।
 
** শ্রমিকের ভাগ্যের সেকাল একাল**
– মসলিনের মত জগৎবিখ্যাত একটি কারিগরি পেশার অধিকারী হবার পরও আমরা গরীব থেকেছি।
– আবার নিজেরা নিজেদের ঠকিয়ে অন্যদের পকেট করেছি স্বাস্থ্যবান।
– শত শত বছর গত হলেও, আজও আমরা সেই খাসিয়ত ত্যাগ করতে পারিনি।
– গার্মেন্টস শ্রমিকের সামান্য বেতনের টাকাটা যথা সময়ে পরিশোধ করা হয়না।
– ন্যায্য মজুরীর বালাই নাই, তারপরও বেতন চাইতে গেলে লাঠির বাড়ি, নির্যাতন কখনও জেল-জুলুম কপালে জুটে।
– গার্মেন্টস শিল্প বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল স্তম্ভ, ব্যবসায়ীরা আন্তর্জাতিক পুরষ্কার পায় আবার এই ব্যবসায়ের কথা বলে বাংলাদেশের ব্যাংক গুলোকে ফতুর বানানো হয়।
– কিন্তু শ্রমিক, মেহনতি মানুষ আজো ভাগ্য বিড়ম্বিত, যাদের ঘাড়ের উপর দাড়িয়ে আছে ওদের দালান, বাড়ী, গাড়ী ও মর্যাদার পদক।
– এই চরিত্র না বদলালে আরও কয়েকশত বছর পার হলেও আমরা স্বাবলম্বী হতে পারব না।
– বরং বিলাতি ঠগবাজ, হঠকারী জুচ্চুরদের প্রতি ঘেন্নার স্থলে শ্রদ্ধা, সম্মানই বাড়ানো হবে, মানুষের ভাগ্য বাড়ার সম্ভাবনা হবেনা।
 
তথ্য সূত্র: 
– ঢাকাই মসলিন (১৯৬৫ সালের সংস্করণ) – ড. আব্দুল করিম সাহিত্য বিশারদ
– টপোগ্রাফি এণ্ড স্টাটিসটিক্স অব ঢাকা-১৮৪০
– উইকিপিডিয়া
– বাংলা পিডিয়া
Previous Post

শরিয়তের পোষাকে ঢাকি সাড়ে তিন হাত শরীর!

Next Post

হাই সোসাইটির বিদ্যা-শিক্ষা ও আমাদের ভাষার দৈন্যতা

Discussion about this post

নতুন লেখা

  • জ্বালানী তেল যেভাবে তৈরি হয়
  • শাহ পদবীটা বিরাট অদ্ভুত
  • তীর তথা ক্ষেপণাস্ত্র শক্তিতে বলিয়ান হতে স্বয়ং রাসুল (সাঃ) নির্দেশ দিয়েছেন।
  • তসবিহ দানা বৃত্তান্ত!
  • হাজী ইমদাদুল্লাহ মুহাজিরে মক্কী দেওবন্দি ও বেরেলভী আকিদার সূত্রপাত

এই সপ্তাহের জনপ্রিয় লেখা

No Content Available

নজরুল ইসলাম টিপু

লেখক পরিচিতি । গাছের ছায়া । DraftingCare

Facebook Twitter Linkedin
© 2020 Nazrul Islam Tipu. Developed by Al-Mamun.
No Result
View All Result
  • মুলপাতা
  • ধর্ম
    • ইসলাম
    • কোরআন
    • হাদিস
    • ডায়েরি
    • জীবনী
  • সাহিত্য
    • গল্প
    • রচনা
    • প্রবন্ধ
    • রম্য রচনা
    • সামাজিক
  • পরিবেশ
    • উদ্ভিদ জগত
    • প্রাণী জগত
    • ভেষজ হার্বাল
    • জলবায়ু
  • শিক্ষা
    • প্রাতিষ্ঠানিক
    • মৌলিক
    • ইতিহাস
    • বিজ্ঞান
    • ভ্রমণ
    • শিশু-কিশোর
  • বিবিধ
    • ঘরে-বাইরে
    • জীবন বৈচিত্র্য
    • প্রতিবেদন
    • রাজনীতি
    • তথ্যকণিকা
  • লেখক পরিচিতি

© 2020 Nazrul Islam Tipu. Developed by Al-Mamun.