Tipu vai
  • মুলপাতা
  • ধর্ম
    • ইসলাম
    • কোরআন
    • হাদিস
    • ডায়েরি
    • জীবনী
  • সাহিত্য
    • গল্প
    • রচনা
    • প্রবন্ধ
    • রম্য রচনা
    • সামাজিক
  • পরিবেশ
    • উদ্ভিদ জগত
    • প্রাণী জগত
    • ভেষজ হার্বাল
    • জলবায়ু
  • শিক্ষা
    • প্রাতিষ্ঠানিক
    • মৌলিক
    • ইতিহাস
    • বিজ্ঞান
    • ভ্রমণ
    • শিশু-কিশোর
  • বিবিধ
    • ঘরে-বাইরে
    • জীবন বৈচিত্র্য
    • প্রতিবেদন
    • রাজনীতি
    • তথ্যকণিকা
  • লেখক পরিচিতি
No Result
View All Result
নজরুল ইসলাম টিপু
  • মুলপাতা
  • ধর্ম
    • ইসলাম
    • কোরআন
    • হাদিস
    • ডায়েরি
    • জীবনী
  • সাহিত্য
    • গল্প
    • রচনা
    • প্রবন্ধ
    • রম্য রচনা
    • সামাজিক
  • পরিবেশ
    • উদ্ভিদ জগত
    • প্রাণী জগত
    • ভেষজ হার্বাল
    • জলবায়ু
  • শিক্ষা
    • প্রাতিষ্ঠানিক
    • মৌলিক
    • ইতিহাস
    • বিজ্ঞান
    • ভ্রমণ
    • শিশু-কিশোর
  • বিবিধ
    • ঘরে-বাইরে
    • জীবন বৈচিত্র্য
    • প্রতিবেদন
    • রাজনীতি
    • তথ্যকণিকা
  • লেখক পরিচিতি
No Result
View All Result
নজরুল ইসলাম টিপু
No Result
View All Result

অন্ধ ভালবাসার বন্ধ দুয়ার

জুলাই ১৭, ২০২০
in জীবন বৈচিত্র্য
3 min read
0
বাবা-মা বিশ্বাস করেনা যে, আমার চাকুরী নেই, বড় কষ্টে আছি। কবেতক পেটভরে খেয়েছি মনে করতে পারছিনা। তারা এসবের কিছুই বিশ্বাস করে না! যতই কষ্টের কথা বলি, যেভাবে বুঝাই, তারা তাদের প্রিয় পুত্রের কথাকে বিশ্বাস করেনা! তাদের বিশ্বাস স্ত্রীকে সুখে রাখার জন্যই টাকা লুকচ্ছি। অথচ স্ত্রীও তাদের সাথে থাকে! তাদের সোজা কথা, নতুন স্ত্রীর কারণেই আমি খারাপ হয়ে গিয়েছি; তাই আগের মত আর টাকা দিচ্ছিনা। এই অন্ধ সন্দেহের কারণে স্ত্রীকে তারা এক মুহূর্তের জন্যও সুখ দেয়না। খোটা, টিপ্পনীর উপর সর্বদা অতিষ্ঠ করে রাখে। তারা বুঝতে চায়না, বিদেশের চাকুরীতে কখনও বেতন বন্ধ হতে পারে, কখনও কমেও যেতে পারে। তাছাড়া তাদের ছেলেও আর আগের মত তরুণ নয়। বউকে সান্ত্বনা দেবার জন্য কখনও, কর্জ করে ফোন করি। আর মা-বাবা ভাবেন কোন চক্রান্ত করছি। তাদের সামনে কথা বললে, বউকে প্রশ্ন করে, তোমাকে কানে কানে কি বলেছিল? সামনে-পশ্চাতে যেভাবেই কথা বলি, স্ত্রীকে আক্রমণ করবেই!
 
দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছেড়ে এসব বলছিলেন, ভিসা ও চাকুরী বিহীন এক রেমিটেন্স যোদ্ধা। তিনি বলছিলেন, দু’মাসের খানার বিল বাকি, একটি প্যান্ট ও এক শার্ট পড়েই আছি। রোজার আগে বহু জন থেকে ধার-কর্জ করে বাবার জন্য পঁয়ত্রিশ হাজার টাকা পাঠিয়েছিলাম। এই টাকা পেয়ে বাবা তেলে বেগুনে জ্বলে উঠলেন! তিনি চিল্লাচ্ছেন! এই টাকা দিয়ে তিনি কিভাবে রোজার মাসের সংসার চালাবেন! এভাবে চিল্লায়ে তিনি পুরো গ্রাম মাথায় তুলছেন। টলমল চোখে যুবক বলল, আমি নিশ্চিত জানি গ্রামীণ জীবনে রোজা পার করার জন্য এই টাকাটা মোটেও কম নয়।
 
কোম্পানির লাইসেন্স গত কারণে এই সমস্যার সৃষ্টি। স্বয়ং কোম্পানির ম্যানেজারের ও ভিসা নেই। মালিক জানিয়েছে বিপদের দিনে সবাই কেটে পড়েছে, তুমিও চলে গেলে এই মরা কোম্পানি আর দাঁড় করানো সম্ভব হবেনা। সমস্যাটা সাময়িক, ইনশায়াল্লাহ অল্পদিনেই সব ঠিক হয়ে যাবে। তার এই সাময়িক সমস্যা দুই বছরের বেশী সময় পার হবার পরও ঠিক হয়নি। এখন আর ইচ্ছা করলেই আর দেশে ফিরে যাওয়া যাবেনা। মামলা হবে, আদালতে তার ফায়সালা হবে, তবেই সিদ্ধান্ত আসবে। সমস্যা ভেদে জরিমানা কিংবা জেলও হতে পারে। 
 
মধ্যপ্রাচ্যে বসবাসকারী বাংলাদেশীদের মধ্যে এই ধরনের কাছাকাছি সমস্যা অনেকেরই আছে। আমিরাতে বাংলাদেশীদের জন্য নতুন ভিসা বন্ধ। এমনকি এক কোম্পানি থেকে অন্য কোম্পানিতে ভিসা হস্তান্তর পর্যন্ত বন্ধ রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে। বাংলাদেশীরা দক্ষ হওয়া সত্ত্বেও এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত। বিশ্বের সমুদয় কোম্পানি গুলো বাংলাদেশীদের এই দুরবস্থার কথা জানে। তাই তারা বাংলাদেশীদের বেতন বাড়ায় না, প্রমোশন দেয়না, সুবিধাদি কমানো সহ নানাবিধ হয়রানী করে থাকে। এসব নিয়ে প্রতিবাদ করার সুযোগ এখানে সীমিত। এ দেশের আইন বলে, দু’মাসের বেতন না পেলেই কোম্পনির বিরুদ্ধে মামলা কর। সরকার তা পাইয়ে দিবে কিন্তু তাকেও চাকুরী ছেড়ে দেশে চলে যেতে হবে। এটা আরো জটিল। মৌন গোস্বা, অভিমান কিংবা রাগ করলে, ওয়ার্নিং লেটার জুটবে, সোজা বলে দিবে, পছন্দ না হলে ভিসা বাতিল করে দেশে চলে যাও। প্রচুর টাকা খরচ করে প্রবাসে এসেছে, এখনও বহু টাকা কর্জ বাকি তাই মনে মনে গোস্বা দেখালেও অধিকাংশ বাংলাদেশীর পক্ষে ভিসা বাতিল করে যাওয়া সম্ভব হয়না। এই অসুবিধার কথা জেনেই কোম্পানি গুলো বাংলাদেশীদের তির্যক পূর্ণ ধমক দেয়। অন্ধ ভালবাসার বন্ধ দুয়ার – প্রবাসের যাতনা
 
মূলত এ ধরনের সমস্যা মোকাবেলায় মধ্যপ্রাচ্যের প্রবাসীদের জন্য কোন অভিভাবক নেই। বরং বাংলাদেশের খেয়ে পদে বসে পিন মারার মানুষ আছে। অনেক তো কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা মারতে আরেকটু অগ্রসর হয়ে বলে বসে, “কি দরকার বিদেশে থেকে, দেশে এসে রিক্সা চালিয়ে খাও!” কিন্তু প্রতিনিয়ত ফ্রি ভিসার নামে দলে দলে অকর্মণ্য ব্যক্তিরা কাজের সন্ধানে বিদেশ পাড়ি দিচ্ছে, তাদেরকে উপদেশ দেবার হিম্মত কি এদের আছে? নিজের দেশে কাজের পরিবেশ থাকলে, কোন মানুষই নিজের মাতৃভূমি পাড়ি দিয়ে বিপদসংকুল পরিবেশে জীবন চালাতে চায়না। সমাজ ও জীবন তাদের বাধ্য করে। যেহেতু তারা নিজের পকেটের টাকা খরচ করে,  নিজের বুকের সাহসকে পূঁজি করে, জীবনের এই চরম ঝুঁকি গ্রহণ করে, তাই তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া পুরো জাতির কর্তব্য। পক্ষান্তরে তাদের মাধ্যমে তো পুরো জাতি উপকৃত হয়। দেখা গেছে, জীবনে কেউ একবার প্রবাসী হলে, বাকী জীবনে সে আর দেশীয় জীবনে সুবিধা করতে পারে না। প্রবাসের অগ্রগামী দক্ষতা দেশের পিছিয়ে পড়া কারিগরি ক্ষেত্রের কোথাও কাজে লাগাতে পারেনা। ফলে প্রবাসীর জীবন প্রবাসেই শেষ হয়। কেবল মৃত্যুর জন্যই তাদেরকে শেষ বয়সে দেশে ফিরে আসতে হয়।
 
প্রতিটি পরিবারের উচিত, তাদের প্রবাসী সন্তানদের প্রতি সদয় আচরণ করা। তার আয়ের প্রতি সুবিচার করা। স্ত্রীদের উচিত স্বামীর আয়কে যথাযথ হেফাজত করা। প্রবাসী যদি শান্তিতে থাকে, তার স্বাস্থ্য ভাল থাকবে, মন ভাল থাকবে, সে সদা কর্মক্ষম থাকতে পারবে। আর প্রবাসের জন্য এটাই সবচেয়ে বেশী দামী সম্পদ। স্বাস্থ্য হানী হয়ে প্রবাসীরা দেশে ফিরে আসলে, তা পিতা-মাতা, স্ত্রী-পুত্র কারো জন্য উপকারী হয়না। আমাদের সমাজে দেখা যায়, ঘরের একজন প্রবাসী হলেই সে পরিবারের চালচলনের ধরণ বদলে যায়। আগে পিতার কাছে মুদির দোকান থাকলে, তিনি সেখান থেকে ইস্তফা দেন। হাট-বাজারে হেটে যাবার অভ্যাস ছিল তো, সন্তান প্রবাসী হবার পর থেকে পিতা রিক্সায় যাতায়াত করেছেন। এভাবে অনেকে পরিবারের জীবন চিত্র বদলিয়ে নেন। নিজেরা দু’টাকা আয়ের চিন্তা বাদ দিয়ে, প্রবাসী সন্তানের আয় দিয়েই জীবনে সুখের তালাশ খুঁজে। যখন দেখে একটি মাস কিংবা পরবর্তী মাসে সুখের জীবনে একটু ঘাটতি পড়তে পারে, তখন তারাই তার প্রবাসী সন্তান কিংবা স্বামীর উপরের কথার অস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন। 
 
তারা একটু চিন্তা করেনা, তিনি বেচে আছেন বলেই, কথার অস্ত্র চলছে, ধমক দেওয়ার সুযোগ চলছে। যদি কোন অঘটন ঘটে যায়, তারপর দিন থেকেই তারা মিসকিনে পরিণত হবেন। মানুষের কাছে কান্নাকাটি, হাত পাতা ব্যতীত কোন রাস্তা নেই, তাহলে কোন দিনই প্রবাসীর অর্থ দিয়ে অহংকার, দাম্ভিকতা, লোকদেখানো বাহাদুরি করার চিন্তা করত না। তাই আমাদের সবার উচিত, প্রবাসীদের প্রতি যত্নবান হওয়া এবং তাদের আয় যতদিন অব্যাহত থাকে, যথাযথ গুরুত্বের সাথে সেগুলো হিসেব করে খরচ করা। সর্বোপরি সেখান থেকেই কিছু অর্থ প্রবাসীর জন্য ধরে রাখা। তা হউক এক হাজার টাকা। এই ক্ষুদ্র সহযোগিতাও প্রবাসীর মনে অফুরন্ত সাহস ও হিম্মত যোগাবে।
Tags: বিবিধ
Previous Post

কর্ক শিল্প ও আমাদের পাটখড়ি

Next Post

উম্মুল মোমেনীন উম্মে হাবিবা (রা)

Discussion about this post

নতুন লেখা

  • জ্বালানী তেল যেভাবে তৈরি হয়
  • শাহ পদবীটা বিরাট অদ্ভুত
  • তীর তথা ক্ষেপণাস্ত্র শক্তিতে বলিয়ান হতে স্বয়ং রাসুল (সাঃ) নির্দেশ দিয়েছেন।
  • তসবিহ দানা বৃত্তান্ত!
  • হাজী ইমদাদুল্লাহ মুহাজিরে মক্কী দেওবন্দি ও বেরেলভী আকিদার সূত্রপাত

এই সপ্তাহের জনপ্রিয় লেখা

No Content Available

নজরুল ইসলাম টিপু

লেখক পরিচিতি । গাছের ছায়া । DraftingCare

Facebook Twitter Linkedin
© 2020 Nazrul Islam Tipu. Developed by Al-Mamun.
No Result
View All Result
  • মুলপাতা
  • ধর্ম
    • ইসলাম
    • কোরআন
    • হাদিস
    • ডায়েরি
    • জীবনী
  • সাহিত্য
    • গল্প
    • রচনা
    • প্রবন্ধ
    • রম্য রচনা
    • সামাজিক
  • পরিবেশ
    • উদ্ভিদ জগত
    • প্রাণী জগত
    • ভেষজ হার্বাল
    • জলবায়ু
  • শিক্ষা
    • প্রাতিষ্ঠানিক
    • মৌলিক
    • ইতিহাস
    • বিজ্ঞান
    • ভ্রমণ
    • শিশু-কিশোর
  • বিবিধ
    • ঘরে-বাইরে
    • জীবন বৈচিত্র্য
    • প্রতিবেদন
    • রাজনীতি
    • তথ্যকণিকা
  • লেখক পরিচিতি

© 2020 Nazrul Islam Tipu. Developed by Al-Mamun.