Tipu vai
  • মুলপাতা
  • ধর্ম
    • ইসলাম
    • কোরআন
    • হাদিস
    • ডায়েরি
    • জীবনী
  • সাহিত্য
    • গল্প
    • রচনা
    • প্রবন্ধ
    • রম্য রচনা
    • সামাজিক
  • পরিবেশ
    • উদ্ভিদ জগত
    • প্রাণী জগত
    • ভেষজ হার্বাল
    • জলবায়ু
  • শিক্ষা
    • প্রাতিষ্ঠানিক
    • মৌলিক
    • ইতিহাস
    • বিজ্ঞান
    • ভ্রমণ
    • শিশু-কিশোর
  • বিবিধ
    • ঘরে-বাইরে
    • জীবন বৈচিত্র্য
    • প্রতিবেদন
    • রাজনীতি
    • তথ্যকণিকা
  • লেখক পরিচিতি
No Result
View All Result
নজরুল ইসলাম টিপু
  • মুলপাতা
  • ধর্ম
    • ইসলাম
    • কোরআন
    • হাদিস
    • ডায়েরি
    • জীবনী
  • সাহিত্য
    • গল্প
    • রচনা
    • প্রবন্ধ
    • রম্য রচনা
    • সামাজিক
  • পরিবেশ
    • উদ্ভিদ জগত
    • প্রাণী জগত
    • ভেষজ হার্বাল
    • জলবায়ু
  • শিক্ষা
    • প্রাতিষ্ঠানিক
    • মৌলিক
    • ইতিহাস
    • বিজ্ঞান
    • ভ্রমণ
    • শিশু-কিশোর
  • বিবিধ
    • ঘরে-বাইরে
    • জীবন বৈচিত্র্য
    • প্রতিবেদন
    • রাজনীতি
    • তথ্যকণিকা
  • লেখক পরিচিতি
No Result
View All Result
নজরুল ইসলাম টিপু
No Result
View All Result

মীলাদুন্নবী ও সীরাতুন্নবী এবং রাসুলের ভালবাসা

সাহাবীরা বাস্তব জীবনে হুবহু শিশুর মতই রাসুল (সা) অনুকরণ, অনুসরণ করতেন। এটার নামই প্রকৃত ভালবাসা।

নভেম্বর ২৩, ২০১৯
in ইসলাম
2 min read
0
মীলাদুন্নবী সীরাতুন্নবী

মীলাদুন্নবী সীরাতুন্নবী ও রাসুলের ভালবাসা

মীলাদুন্নবী-সীরাতুন্নবী হিসেবে আমাদের দেশে মাহফিল হয়। আমরা অনেকেই মীলাদুন্নবী সীরাতুন্নবী নবী নিয়ে ঝগড়া করি। কেউ আবার মীরাজুন্নবী করেন, কেউবা হায়াতুন্নবী করার জন্য জিদ ধরেছেন।

রাসুল (সাঃ) প্রতি অগাধ ভালবাসার গভীরতা বুঝাতে বাংলাদেশে এই শব্দগত পার্থক্য নিয়ে মানুষের মাঝে দূরত্ব বাড়ানো হয়। মীলাদুন্নবী সীরাতুন্নবী

ওয়াজ মাহফিল গরম হয়; প্রভাবিত হয় সাধারণ মানুষ। কৃপণ প্রকৃতির লোভী ধনীরা পর্যন্ত নিজের অন্যায্য পাপ মোচনের মোক্ষম সুযোগ হিসেবে গরু-মহিষ-গয়াল নিয়ে হাজির হয় মীলাদুন্নবীর ওরসে।

মানুষ এসব ভাল নিয়তেই করে এবং তা করা হয় রাসুল (সা) প্রতি আন্তরিক ভালবাসা প্রকাশার্থেই। সে যা হউক, রাসুল (সাঃ) কে কিভাবে ভালবাসতে হবে? তা দেখার জন্য আমাদের সামনে লক্ষাধিক সাহাবীদের জীবন রয়েছে।

বিতর্ক এড়াতে উদাহরণের মাধ্যমে কয়েকটি পয়েন্ট নিয়ে কথা বলে দেখি, ইতিহাস আমাদের কি দেখায় আর আমরা কি করি।

প্রথম দৃষ্টান্ত
রাসুল (সা) এর প্রতি বাহ্যিক ভালবাসার স্বীকৃতি দেবার নাম যদি হয় মীলাদুন্নবী পালন। তাহলে দেখতে পাব, রাসুলের প্রতি ভক্তি ভালবাসার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী হিসেবে সর্বাগ্রে যার নাম উঠে আসে তিনি হলেন তাঁরই চাচা ‘আবু লাহাব’!

আবু লাহাবের দাসী শিশু রাসুলের (সাঃ) জন্মের খবর দেওয়া মাত্রই, আনন্দে-উৎফুল্ল হয়ে উঠে। খুশীর আতিশয্যে তিনি বসা থেকে লাফিয়ে উঠেন এবং এ ধরনের সুসংবাদ প্রদান করার জন্য, আবু লাহাব তার দাসীকে ঘটনাস্থলেই স্বাধীন করে দেন।

তিনি ছিলেন ধনী ব্যক্তি, তার কাছে সর্বদা সোনা-দানা থাকত। ঐ মুহূর্তে পকেটে যা ছিল তার সবটাই দাসীকে উজাড় করে দেন। বন্ধুদেরকে মেহমানদারী এবং নবজাতক শিশু মোহাম্মদ (সা) আদর চুম্বন করেন।

যুবক রাসুল (সা) ব্যক্তি জীবনের প্রতি আবু লাহাবের আকর্ষণ এতই প্রবল ছিল যে, যার কারণে রাসুল (সাঃ) এর দুই কন্যাকে, আবু লাহাব নিজের দুই পুত্রের জন্য পুত্র বধূ হিসেবে বাছাই করেছিলেন। যে সম্পর্ককে বাংলা ভাষায় বেয়াই হিসেবে চিত্রিত করা হয়।

দ্বিতীয় দৃষ্টান্ত
সাত বছর বয়সে মোহাম্মদ (সা) এতিম শিশু হিসেবে চাচা আবু তালিবের কাছে পালিত হন। আবু তালিব ছিলেন খুবই সম্মানিত ব্যক্তি কিন্তু আর্থিক ভাবে ছিলেন অসচ্ছল। তাঁর ঘরেও ছিল অনেকগুলো সন্তান, যিনি তাদের খাদ্য যোগাতেই কাহিল হয়ে পড়তেন।

এত কিছুর পরেও আবু তালিব, শিশু মোহাম্মদ (সা) কে পিতার অবর্তমানের কথা অনুভব করতে দেননি। তারা স্বামী-স্ত্রী উভয়েই নিজের সন্তানদের চেয়েও শিশু মোহাম্মদ (সা) কে অগ্রাধিকার দিতেন।

আবার তাদের শিশুরা যাতে মোহাম্মদ (সা) কে উপদ্রব না ভাবে সে জন্য সবার ভালবাসা পাইয়ে দিতে সদা সতর্ক থাকতেন। বিক্ষিপ্ত ইতিহাসে উল্লেখ আছে যে, চাচা শিশু মোহাম্মদ (সা) এত ভালবাসতেন, যার কারণে তিনি তার ভাইপোর, সারা দেহের সকল অঙ্গে চুম্বন করতেন!

আবু তালিব মৃত্যুর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত পর্যন্ত মোহাম্মদ (সা) এর প্রতি আন্তরিক ভালবাসায়, তাঁর নিরাপত্তায় সীসার প্রাচীরের মত বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন।

রাসুলের ভালবাসায় তিন বছর বন্ধী জীবন মেনে নিয়েছেন। কাঁটা গাছের পাতা, শুকনো গাছের নরম ডাল পালা খেতে গিয়ে শরীরকে করেছিলেন নষ্ট। অতঃপর সেই ভগ্ন স্বাস্থ্য নিয়েই আবু তালিব দুনিয়া ত্যাগ করেন।

আবু তালিব যখন ইন্তেকাল করেন তখন রাসুল (সা) বয়স তখন প্রায় সাতচল্লিশের কোটায়! তিনি ভাইপো তথা রাসুল (সাঃ) এর জীবন রক্ষায় হাতির মত পাহাড় সম হয়েই বাধার দেওয়াল তৈরি করেছিলেন। রাসুল (সা) জন্য এ ধরনের তিল তিল অবদান আর কেউ রাখতে পারেনি!

এমন অবদান রাখার পরও উপরের দু’জন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি কিন্তু জাহান্নামে যাবে! কারণ রাসুলের প্রতি শুধু ভালবাসা থাকলেই তাকে রাসুল প্রেমিক বলা যায়না।

রাসুল প্রেমিক হতে গেলে তাঁর আদর্শকে নিজের জীবনে হুবহু বাস্তবায়ন করতে হয়। যে সব ব্যক্তি, গোষ্ঠী রাসুলকে ঘৃণা করে, তারা নিজের যতই আপনজন হউক না কেন, নিজের জন্য যতই উপকারী হউক না কেন, তাদের সংশ্রব ত্যাগ করতে হয়।

এটাই রাসুল (সা) প্রতি ভালবাসা। কোন ব্যক্তি রাসুলকে (সাঃ) ভালবেসে তাঁর নামে করা ওরসে কয়টি গরু জবাই করল, কয়টি মহিষ কোরবান করল, কত বড় গয়ালের গোশত মানুষকে খাওয়াতে পারল, রাসুলের (সা) সম্মানে দাঁড়িয়ে কত লক্ষ সালাম পৌঁছাল, তাতে কিছুই যায়-আসে না।

এর চেয়েও অনেকগুণ বেশী ভালবাসা আবু লাহাব, আবু তালিব দেখিয়েছিল! তবুও তাদের ভালবাসা, রাসুলের প্রতি তার প্রতিদান, অবদান, স্নেহ, বাৎসল্য কোন কিছুই কাজে আসেনি!

ধরুন কোন পিতার বিশজন ধনী-সুযোগ্য সন্তান রয়েছে। তারা পিতাকে শ্রদ্ধা, সম্মান ও স্বীকৃতি জানানোর জন্য একটি নিয়ম বের করলেন। চলুন সে ধরণের একটি শ্রদ্ধাশীল পরিবেশের একটি সামাজিক এক্সপেরিমেন্ট করি।

তারা প্রতিদিন সাত সকালে পিতাকে একটি সু-সজ্জিত চেয়ার বসিয়ে সন্তানেরা চারিদিকে ভদ্রভাবে গোল হয়ে দাড়িয়ে, সর্বোচ্চ সম্মান দেখিয়ে, হৃদয়ের আন্তরিক অভিব্যক্তি গলায় নামিয়ে এনে সুন্দর সুরে সুললিত কণ্ঠে পিতার উদ্দেশ্যে নিচের বাণী আওড়াতে থাকে,

  • বাবা তোমায় লাখো সালাম
  • বাবা তুমি অনেক মহান
  • বাবা তুমি চরম দয়াবান
  • বাবা তুমি বেঁচে রহ চিরকাল
  • তোমায় জানাই অনেক সম্মান
  • তুমি হও দয়ালু মহীয়ান।

ছেলেরা যথানিয়মে যথারীতি এই কর্তব্য কর্ম শেষ করে নিজেদের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। বাবার ইচ্ছা, অনিচ্ছা, শারীরিক প্রয়োজনীয়তা, সুচিকিৎসা, খাদ্য, বস্ত্র কিছুরই চিন্তা করেনা।

এমন পিতা কি সন্তানদের প্রতিদিনকার গাওয়া সুন্দর বাক্যে খুশীতে গদগদ হবেন? নিশ্চয়ই হবেন না! বরং সন্তানদের এ ধরনের আনুষ্ঠানিক কাজে তিনি চরম অপমানিত বোধ করবেন!

এ জাতীয় সম্মান প্রদর্শন যদি নিজেদের পিতার ক্ষেত্রে অমর্যাদাকর হয়, তাহলে আমরা কেন রাসুল (সাঃ) কে সম্মান প্রদর্শনের নামে, ভক্তিভরে দাঁড়িয়ে, বুকে হাত বেঁধে, সূর করে গেয়ে গেয়ে সালাম পাঠাই? এটা কি তাঁর জন্য অমর্যাদাকর নয়? তিনি কি মানুষের বানানো পদ্ধতির এমন সম্মানের জন্য খুবই লালায়িত?

  • বালাগাল উলা বি-কামালিহী, কাশাফাদ্‌ দুজা বি-জামালিহী… এটা মহান কবি শেখ সাদির একটি কবিতার চরণ।
  • সেভাবে ছালাতুন ইয়া রাসুলুল্লাহ আলাইকুম, ছালামুন ইয়া হাবিব উল্লাহ আলাইকুম ও একটি কবিতার চরণ!
  • একই ভাবে ‘তালায়াল বাদরু আলাইনা’ একটি আরবি প্রাচীন সংগীত, সেভাবে
  • তুমি যে নূরের রবি, নিখিলের ধ্যানের ছবি’ কবি গোলাম মোস্তফা রচিত কবিতার চরণ।

‘তালায়াল বাদরু আলাইনা’ সংগীত ছাড়া বাকী সব গুলোর জন্ম হয়েছে রাসুল (সা) ইন্তেকালের শত শত বছর পরে।

এসব কবিতার কথা সাহাবী, তাবেঈন, তাবে তাবেঈন গনের কেউ জানতেন না। এসব তারা শুনেন নাই কেননা তাঁদের জীবদ্দশায় এসব সৃষ্টি হয়নি! তাহলে কেন আমরা এসব কবিতাকে রাসুলের (সাঃ) প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের জন্য, অন্যতম নমুনা হিসেবে বাছাই করছি!

কেন আমরা এসব কবিতাকে এবাদতের অংশ বানিয়েছি! কেন আমরা গোঁ ধরে, একে অপরকে আহত করছি এই বলে যে, এসব করা না হলে সে মুসলমানীত্ব থাকবে না, সুন্নীয়ত থাকে না! রাসুলের প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা হয় না?!

রাসুল (সাঃ) প্রতি আনুগত্যের একটি উদাহরণ:
একদা রাসুল (সাঃ) জুতা পায়ে অবস্থায় নামাজে জামায়াতের ইমামতি করছিলেন। নামাজের মাঝখানে তিনি জুতো জোড়া খুলে নামাজ অব্যাহত রাখলেন।

সাহাবীরা (রাঃ) এটা দেখে তাঁরাও তাদের জুতো খুলে রাখলেন। নামাজ শেষে রাসুল প্রশ্ন করলেন, কেন তোমরা জুতো খুলে রেখেছ? সাহাবীরা (রাঃ) জানাল, আপনাকে খুলতে দেখেই আমরাও খুলেছি।

রাসুল (সাঃ) হেঁসে উত্তর দিলেন, ‘আমি নামাজ রত অবস্থায় জিব্রাঈল (আঃ) এসে বলল, আপনার জুতোর নীচে নাপাক লেগে আছে, তাই জুতো খুলেছি’। ওদিকে সাহাবীরা কোন প্রশ্ন ও চিন্তা ব্যতিরেকেই অন্ধের মত রাসুলের আনুগত্য করছে।

আমাদের দেখা দরকার, আমরা সাহাবীদের মত সেভাবে রাসুলের (সা) আনুগত্য করি কিনা, করলে কতটুকু করি।

 রাসুল (সা) ভালবাসার আরেকটি উদাহরণ:
একদা রাসুল (সা) ঘোড়ার পিট থেকে পড়ে গিয়ে কোমরে ব্যথা পান। তিনি সালাত শুরু করলেন কিন্তু ব্যথার প্রকোপে আর দাঁড়াতে পারছিলেন না, তাই বসেই তেলাওয়াত করতে থাকলেন।

সালাতে অংশ নেওয়া পিছনের সকল মুসল্লিও রাসুলের অনুসরণে সালাতে বসে পড়লেন! যদিও সবার কোমরে ব্যথার কারণ ঘটে নাই। সালাত শেষে স্বয়ং রাসুল (সা) বললেন, তোমরা ঈমামের যথাযথ অনুসরণ করেছ।

সাহাবীরা রাসুল (সা) এর কোন কথা কিংবা ঘটনা বর্ণনা করার সময় শুধু কথার বর্ণনা দিতেন না। সে সময় রাসুল (সা) কিভাবে বসেছিলেন কিংবা কিভাবে কোন মুখী হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন, তাঁর মুখ ভঙ্গি, অঙ্গভঙ্গি কেমন ছিল তাও বর্ণনা করতেন।

তাঁরা নিজেরা বাস্তব জীবনে হুবহু শিশুর মতই রাসুল (সা) অনুকরণ, অনুসরণ করতেন। এটার নামই প্রকৃত ভালবাসা। এটার নামই রাসুলের (সা) সুন্নতের প্রকৃত অনুসরণ।

অনুসরণের একটি দুনিয়াবি উদাহরণ:
সুন্নাত অর্থ হল রাস্তা, পথ, আদর্শ, মডেল ইত্যাদি। রাসুলের সুন্নাত অর্থ হল রাসুল (সা) কে মডেল মানা। রাজনৈতিক, দর্শনগত কারণে দুনিয়ার জীবনেও মানুষের বিভিন্ন মডেল বা আদর্শ সৃষ্টি হয়।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের জীবনী তার নিবেদিত প্রাণ কর্মীদের জন্য একটি আদর্শ মডেল! আওয়ামীলীগের অভ্যন্তরে নেতার প্রতি ভালবাসা ও আনুগত্য প্রদর্শনের জন্য প্রচুর অনুসারী রয়েছে।

যেমন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের অনুসারীরা তাঁর মত কোট পড়ে। তাঁর মত করে চুল আঁচড়ায়। সম্ভব হলে অবিকল তার চশমার মত একটি চশমা জোগাড় করে। মোচ থাকলে সেভাবে তাঁর মত রাখতে চেষ্টা করে।

নেতারা বক্তব্য রাখার সময় শেখ মুজিবের মত করে কথা বলতে চেষ্টা করে। অন্তরে মুজিবের প্রতি শ্রদ্ধা, বাহিরে মুজিবের অবয়ব ধারণ করে। মুজিবের প্রতি অবহেলা কিংবা কারো অসদাচরণে কর্মীরা শতভাগ দায়িত্ব নিজের কাঁধে নিয়েই প্রতিবাদ করে।

একজন মুজিব সেনা হিসেবে গৌরব করা, মুজিবের সার্থক অনুসারী হিসেবে বীরত্ব প্রকাশ করার মাধ্যমে প্রমাণ করে তারা শেখ মুজিবের সার্থক অনুসারী! এ ধরনের জানবাজ কর্মীদের পরিচিত আরবি ভাষায় দিতে গেলে বলতে হবে, ‘তারা শেখ মুজিবের সুন্নাতের অনুসারী’।

সুন্নাতের অনুসরণ কেমন হবে, সেটার বাস্তব নমুনা দেবার জন্য, সম্ভবত বাংলাদেশে এর চেয়ে সেরা কোন উদাহরণ নাই।

উপসংহার:

মহিলার কানে দুল থাকলে বলা হয় ‘এটা বিবি হাজেরার মডেল’। পুরুষের কানে দুল থাকলে বলা হয় ‘ভগবান শ্রী কৃষ্ণের মডেল’। পুরুষের হাতে চুড়ি কিংবা ফিতা থাকলে বলা হয়, ‘হিন্দুদের রাখী বন্দনের মডেল’।

সেভাবে মুখে দাড়ি, মাথায় পাগড়ী থাকলে বলা হল রাসুলের (সাঃ) মডেল! এসব মডেল কে আরবি ভাষায় সুন্নাত বলা যেতে পারে। মানুষের প্রতিটি কাজ, তার চিন্তা, চেতনা, অভিলাষ, আহ্লাদ সব কিছুই কোন না কোন সুন্নাত কে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠে।

কেয়ামতের দিন এসব সুন্নাতকে বিরাট ভাবে মূল্যায়ন করা হবে। প্রতিটি ব্যক্তির সুন্নাতই তার দুনিয়াবি জীবন সম্পর্কে বিস্তারিত ধারনা দিবে।

তাই আসুন, আমরা রাসুল (সা) কে অনুসরণ ও ভালবাসার নমুনা পেশ করার জন্য অবিকল রাসুলের মত রূপ ধারণ করি।

তবেই তাঁর প্রতি ভালবাসার দাবী সত্য বলে প্রতিষ্ঠা পাবে। রাসুলকে খুব ভালবাসি এটা মুখে না বলে, বাস্তব জীবনে হুবহু পালন করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করি। তবেই মীলাদুন্নবীর-সীরাতুন্নবীর দাবী সার্থক হবে, নতুবা নয়।

লেখক আমিরাত প্রবাসী। ১০.০৯.২০১৩

Tags: ধর্মীয়
Previous Post

কিংবদন্তির ইঞ্জিনীয়ার এফ রহমান ও অবহেলিত বাঁশের সম্মান

Next Post

ম্যারাথনের পদযাত্রা : অলম্পিকের দেশে

Discussion about this post

নতুন লেখা

  • জ্বালানী তেল যেভাবে তৈরি হয়
  • শাহ পদবীটা বিরাট অদ্ভুত
  • তীর তথা ক্ষেপণাস্ত্র শক্তিতে বলিয়ান হতে স্বয়ং রাসুল (সাঃ) নির্দেশ দিয়েছেন।
  • তসবিহ দানা বৃত্তান্ত!
  • হাজী ইমদাদুল্লাহ মুহাজিরে মক্কী দেওবন্দি ও বেরেলভী আকিদার সূত্রপাত

এই সপ্তাহের জনপ্রিয় লেখা

No Content Available

নজরুল ইসলাম টিপু

লেখক পরিচিতি । গাছের ছায়া । DraftingCare

Facebook Twitter Linkedin
© 2020 Nazrul Islam Tipu. Developed by Al-Mamun.
No Result
View All Result
  • মুলপাতা
  • ধর্ম
    • ইসলাম
    • কোরআন
    • হাদিস
    • ডায়েরি
    • জীবনী
  • সাহিত্য
    • গল্প
    • রচনা
    • প্রবন্ধ
    • রম্য রচনা
    • সামাজিক
  • পরিবেশ
    • উদ্ভিদ জগত
    • প্রাণী জগত
    • ভেষজ হার্বাল
    • জলবায়ু
  • শিক্ষা
    • প্রাতিষ্ঠানিক
    • মৌলিক
    • ইতিহাস
    • বিজ্ঞান
    • ভ্রমণ
    • শিশু-কিশোর
  • বিবিধ
    • ঘরে-বাইরে
    • জীবন বৈচিত্র্য
    • প্রতিবেদন
    • রাজনীতি
    • তথ্যকণিকা
  • লেখক পরিচিতি

© 2020 Nazrul Islam Tipu. Developed by Al-Mamun.