Tipu vai
  • মুলপাতা
  • ধর্ম
    • ইসলাম
    • কোরআন
    • হাদিস
    • ডায়েরি
    • জীবনী
  • সাহিত্য
    • গল্প
    • রচনা
    • প্রবন্ধ
    • রম্য রচনা
    • সামাজিক
  • পরিবেশ
    • উদ্ভিদ জগত
    • প্রাণী জগত
    • ভেষজ হার্বাল
    • জলবায়ু
  • শিক্ষা
    • প্রাতিষ্ঠানিক
    • মৌলিক
    • ইতিহাস
    • বিজ্ঞান
    • ভ্রমণ
    • শিশু-কিশোর
  • বিবিধ
    • ঘরে-বাইরে
    • জীবন বৈচিত্র্য
    • প্রতিবেদন
    • রাজনীতি
    • তথ্যকণিকা
  • লেখক পরিচিতি
No Result
View All Result
নজরুল ইসলাম টিপু
  • মুলপাতা
  • ধর্ম
    • ইসলাম
    • কোরআন
    • হাদিস
    • ডায়েরি
    • জীবনী
  • সাহিত্য
    • গল্প
    • রচনা
    • প্রবন্ধ
    • রম্য রচনা
    • সামাজিক
  • পরিবেশ
    • উদ্ভিদ জগত
    • প্রাণী জগত
    • ভেষজ হার্বাল
    • জলবায়ু
  • শিক্ষা
    • প্রাতিষ্ঠানিক
    • মৌলিক
    • ইতিহাস
    • বিজ্ঞান
    • ভ্রমণ
    • শিশু-কিশোর
  • বিবিধ
    • ঘরে-বাইরে
    • জীবন বৈচিত্র্য
    • প্রতিবেদন
    • রাজনীতি
    • তথ্যকণিকা
  • লেখক পরিচিতি
No Result
View All Result
নজরুল ইসলাম টিপু
No Result
View All Result

প্রফুল্লতা অর্জনে ‘আতর বিলাস’ ও বিদঘুটে অভিজ্ঞতা অর্জন

জুলাই ৯, ২০১৯
in বিবিধ
1 min read
0
আতর-বিলাস
মানুষ জন্মগত ভাবে আতর তথা সুগন্ধির প্রতি বেশ দুর্বল। মানুষের কাছে সদ্য ফোটা সকল ফুলের কদর সমান। দু’টি কারণে। একটি ফুলের সৌন্দর্যের জন্য, অন্যটি তার প্রাণ উজাড় করা মোহনীয় ঘ্রাণের কারণে। সে জন্য চতুর ব্যবসায়ীরা সুবাসিত তৈল, আতর, সাবান, স্নো, পাউডার সহ যাবতীয় সব প্রসাধনীতে পরিচিত ফুলের ঘ্রাণ ব্যবহার করে পণ্য বিপণন করে। 

পৃথিবীতে এমন কোন সফল বিজ্ঞানীকে পাওয়া যায়নি যিনি নিজে থেকে একটি ঘ্রাণ বানিয়ে, সেটিকে মানুষের প্রিয় করতে পেরেছেন। এটা আল্লাহর হাতেই সীমাবদ্ধ। তিনি সুবাসিত ঘ্রাণ সৃষ্টি করেছেন এবং সেটা উপভোগ করার জন্য প্রয়োজনীয় হরমোন মানব দেহে ঢুকিয়ে দিয়েছেন। তাই পৃথিবীতে আজো এমন কোন সাহসী ব্যবসায়ীকে পাওয়া যায়নি, যিনি নিজেদের বানানো ঘ্রাণে পণ্য বানিয়ে বাজার মাতিয়ে দিয়েছেন।


নিজেরাই দেখুন, যত পণ্য বাজারে আছে, সে গুলোর ঘ্রাণের সাথে, গোলাপ, চম্পা, জুঁই, জেসমিন, রজনীগন্ধার সুবাস কিংবা মিষ্টান্ন তৈরিতে ভ্যানিলা, কলা, কমলা, আম, স্ট্রবেরী, পেয়ারা, ডালিম সহ নানাবিধ ফলের ঘ্রাণ যোগ করে মানুষের চিত্ত উত্তেজিত করে। যাতে মানুষ পণ্য কিনতে বাধ্য হয় কেননা এই সুবাস অতি পরিচিত এবং লোভকে করে শানিত। 


তাল, কাঁঠাল আমাদের দেশের অতি পরিচিত ফল কিন্তু আরব দেশে এই ফল নাই। আমাদের দেশে তাল, কাঁঠাল খেয়ে ভাল করে হাত মুখ ধুয়ে নিবে যাতে করে ফলর ঘ্রাণ দেহে জড়িয়ে না থাকে। কিন্তু আপনি যদি আরব দেশের কোন মসজিদে নামাজ পড়তে যান, বুঝতে পারবেন কেউ তাল কিংবা কাঁঠাল জাতীয় ঘ্রাণ গায়ে মেখে এসেছে। এই দেশে এই ফলের অভাব কিন্তু তাদের দেহের স্বভাবজাত হরমোন এই ঘ্রাণকে উপভোগ্য বানিয়েছে, তাই তারা এটাকে ঘ্রাণ হিসেবে ব্যবহার করছে। 


নিজেকে প্রশ্ন করুন তো ভ্যানিলা কখনও দেখেছেন কিনা? অধিকাংশ উত্তর না বোধক হবে। কিন্তু ভ্যানিলা আইসক্রিম কিংবা কেকের ঘ্রাণ যদি শিশুর নাকে যায় সেও এটা খেতে চির তরুণের মত লাফিয়ে উঠবে। এখানেই যত কাণ্ডকারখানা। কেননা আল্লাহ মানুষ সৃষ্টির শুরুতেই, তার জন্য উপাদেয়, চিত্ত হরণকারী, প্রফুল্লতা সৃষ্টিকারী কি কি ঘ্রাণ আছে সেটা তার দেহে হরমোন আকারে ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন। একই ভাবে, বিশ্রী, ঘৃণা সৃষ্টিকারী ঘ্রাণের হরমোন ও দেহে আছে। একটি শিশু এসব বুঝতে না পারলেও ঘ্রাণের মাধ্যমে সে সবই বুঝে কোনটি দরকারি কোনটা ক্ষতিকর।


কিন্তু আমি সেদিন ঘ্রাণের জগতে যা আবিষ্কার করলাম, তা এখনও আমাকে হতবাক করে, মাথা এখনও ঠিক করতে পারিনি এই ভেবে যে, এটা বেটার কেমন রুচি! ঘটনাটা না হয় বলেই ফেলি, বিচার বিবেচনার ভাব পাঠকদের হাতে।


সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজ পড়ার জন্য হন্তদন্ত হয়ে কাতারের শেষ ব্যক্তি হিসেবে নিজেকে কাতারের খালি স্থানে ঢুকিয়ে দিলুম। বাইরে ভয়ানক গরম, তার উপর জলীয় বাষ্পের আর্দ্রতা ক্ষণে ক্ষণে বাড়ছে। পাঁচ মিনিটের সামান্য হাঁটা-চলায় পুরো শরীর ভিজে একাকার হয়ে উঠে। মসজিদের এয়ার কন্ডিশন সুবিধা নামাজীদের স্বাচ্ছন্দ্য এনে দেয়। ফলে সময়মত মসজিদে পৌছাতে না পারলে, কাতারের ভিতরে স্থান পাওয়াটা একটু দূরহ।


যাক, আমি তো পেয়ে গেছি! খানিক ভাবলাম পিছনের মানুষগুলো কেন মসজিদের বাহিরে মাঠে কাতার বানিয়ে দাঁড়ালো! তাদের কারো চোখে কি কাতারের এই খালি স্থান কি নজরে পড়েনি। ইমামের কেরাতের প্রতি মনোনিবেশ দিলাম। তখনই ব্যাপারটা আঁচ করতে পারলাম! কেউ একজন গায়ে আতর মেখে মসজিদে ঢুকেছে এবং তার আতর থেকে মুরগী ফ্রাইয়ের কড়া ঘ্রাণ বের হচ্ছে। আশ্চর্য লোভনীয় খাদ্য ঘ্রাণ মেখে কেউ একজন মসজিদে এসেছে! তাকে বেকুব বলব, নাকি পাগল বলব মাথায় আসছে না। আগে থেকেই পেটে খিদে ছিল, মুরগী ফ্রাইয়ের লোভনীয় ঘ্রাণে খিদের প্রকোপ গিয়েছে বেড়ে। শুরুতে ঘ্রাণটি একটু ভালই লাগছিল কিন্তু পরিবেশ পাল্টাতে দেরী হল না। 


প্রথম রাকায়াত কষ্ট করে শেষ করলাম। দ্বিতীয় রাকায়াতে পেট মোচড় মারা ও মাথা ঘুরানো শুরু হলো। ভাবলাম! ইমাম সাহেবের কাছে কি ঘ্রাণটুকু পৌঁছেনি! ছোট্ট মসজিদের ভিতরে এই তেজী ঘ্রাণ তার নাক অবধি না পৌছার কথা নয়! দোয়া করছিলাম নামাজটুকু যদি তিনি তাড়াতাড়ি শেষ করেন! তাহলে এই যাত্রায় বাঁচি। মাশায়াল্লাহ! ইমাম সাহেব খুবিই জলদি নামাজ শেষ করলেন।


ভাবলাম, আজকে মসজিদ থেকে আমাকেই আগে বের হতে হবে, না হলে মুরগী ফ্রাইয়ের কড়া ঘ্রাণে আমি বেহুশ হয়ে পড়ব। নামাজ শেষে যেই মাত্র দরজা বরাবর ছুটতে যাব, মুহূর্তেই জনা দশেকের মত মত মুসল্লি দরজা বরাবর ভৌ দৌড় দিলেন। দরজায় মুসল্লি জট সৃষ্টি হল! কারো কথা বলার সুযোগ নাই, সবাই ফ্রেশ বাতাসের সন্ধানে আগে বাহির হতে চায়। শুধু পিছন থেকে ঈমাম সাহেবের তিরিক্ষি গলার আওয়াজে এতটুকু শুনলাম “শু হাজা! মজনুন! ক্যাফ নফর ফি দাখিল মসজিদ! হারাম হারাম…..” অর্থাৎ “এটা কেমন বিদঘুটে পরিস্থিতি! পাগল নাকি! সে কেমন বেআকল মানুষ যে এভাবে মসজিদে ঢুকেছে, হারাম, হারাম” ইত্যাদি…. বুঝতেই পারলাম সমস্যা শুধু আমার হয় নাই, আরও অনেকের হয়েছে। অবস্থা এমনতর বেগতিক যে, কে এই বিদঘুটে ঘ্রাণ মেখে এসেছে তাকে তালাশ করার চেয়েও মুসল্লিদের কাছে জলদি বাহিরে গিয়ে কিঞ্চিত তাজা বাতাসের ঘ্রাণ নেওয়াটাই বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে।


আল্লাহর সৃষ্টি করা প্রতিটি ঘ্রাণই পরিমিত স্বভাবের। মানুষ যে ঘ্রাণ সৃষ্টি করে তা পরিমিত স্বভাবের মধ্য থাকেনা। হয়ত কম নয়ত বেশী। দুটোই স্বাস্থ্যের জন্য সমস্যা। একহাজার গোলাপের বিছানা বানিয়ে পরমানন্দে ঘুমানো যাবে কিন্তু গোলাপ জলের তিনটি বোতল খুলে মাথার পাশে রেখে ত্রিশ মিনিট বসে থাকা চরম কষ্টসাধ্য হবে। অসুস্থ হতেই হবে। 


আমি ব্যক্তি জীবনে অন্য দশ জনের মত খুবই ঘ্রাণ প্রিয় মানুষ। ইউনানি তথা হারবাল মেডিসিন সম্পর্কে পড়ার সময় নিজের ব্যবহারের জন্য নানা ধরণের ঘ্রাণ জোগাড় করে রাখতাম। তাই এই ঘ্রাণ মাখা মাখি নিয়ে আমি অতীতে কিম্ভুতকিমাকার অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছিলাম। তবে চিকেন ফ্রাইয়ের গন্ধ মেখে কেউ চিত্ত বিনোদন করতে চায় এমন ডিজিটাল স্বভাবের মানুষের কথা জানা ছিলনা। মিলাতে চেষ্টা করলাম এটা কি পাগলামি স্বভাব নাকি নিজেকে আলাদা করার জন্য এই ধরনের রান্নার ঘ্রাণ গায়ে মেখে মসজিদে এসেছে!
Previous Post

ধর্ষনাতঙ্ক! তালাবদ্ধ জাঙ্গিয়া, প্রবৃত্তির লালন ও আইনের শাসন

Next Post

এই সমাজের কথা! পুরুষের চোখে নারীর অবয়ব

Discussion about this post

নতুন লেখা

  • জ্বালানী তেল যেভাবে তৈরি হয়
  • শাহ পদবীটা বিরাট অদ্ভুত
  • তীর তথা ক্ষেপণাস্ত্র শক্তিতে বলিয়ান হতে স্বয়ং রাসুল (সাঃ) নির্দেশ দিয়েছেন।
  • তসবিহ দানা বৃত্তান্ত!
  • হাজী ইমদাদুল্লাহ মুহাজিরে মক্কী দেওবন্দি ও বেরেলভী আকিদার সূত্রপাত

এই সপ্তাহের জনপ্রিয় লেখা

No Content Available

নজরুল ইসলাম টিপু

লেখক পরিচিতি । গাছের ছায়া । DraftingCare

Facebook Twitter Linkedin
© 2020 Nazrul Islam Tipu. Developed by Al-Mamun.
No Result
View All Result
  • মুলপাতা
  • ধর্ম
    • ইসলাম
    • কোরআন
    • হাদিস
    • ডায়েরি
    • জীবনী
  • সাহিত্য
    • গল্প
    • রচনা
    • প্রবন্ধ
    • রম্য রচনা
    • সামাজিক
  • পরিবেশ
    • উদ্ভিদ জগত
    • প্রাণী জগত
    • ভেষজ হার্বাল
    • জলবায়ু
  • শিক্ষা
    • প্রাতিষ্ঠানিক
    • মৌলিক
    • ইতিহাস
    • বিজ্ঞান
    • ভ্রমণ
    • শিশু-কিশোর
  • বিবিধ
    • ঘরে-বাইরে
    • জীবন বৈচিত্র্য
    • প্রতিবেদন
    • রাজনীতি
    • তথ্যকণিকা
  • লেখক পরিচিতি

© 2020 Nazrul Islam Tipu. Developed by Al-Mamun.