Tipu vai
  • মুলপাতা
  • ধর্ম
    • ইসলাম
    • কোরআন
    • হাদিস
    • ডায়েরি
    • জীবনী
  • সাহিত্য
    • গল্প
    • রচনা
    • প্রবন্ধ
    • রম্য রচনা
    • সামাজিক
  • পরিবেশ
    • উদ্ভিদ জগত
    • প্রাণী জগত
    • ভেষজ হার্বাল
    • জলবায়ু
  • শিক্ষা
    • প্রাতিষ্ঠানিক
    • মৌলিক
    • ইতিহাস
    • বিজ্ঞান
    • ভ্রমণ
    • শিশু-কিশোর
  • বিবিধ
    • ঘরে-বাইরে
    • জীবন বৈচিত্র্য
    • প্রতিবেদন
    • রাজনীতি
    • তথ্যকণিকা
  • লেখক পরিচিতি
No Result
View All Result
নজরুল ইসলাম টিপু
  • মুলপাতা
  • ধর্ম
    • ইসলাম
    • কোরআন
    • হাদিস
    • ডায়েরি
    • জীবনী
  • সাহিত্য
    • গল্প
    • রচনা
    • প্রবন্ধ
    • রম্য রচনা
    • সামাজিক
  • পরিবেশ
    • উদ্ভিদ জগত
    • প্রাণী জগত
    • ভেষজ হার্বাল
    • জলবায়ু
  • শিক্ষা
    • প্রাতিষ্ঠানিক
    • মৌলিক
    • ইতিহাস
    • বিজ্ঞান
    • ভ্রমণ
    • শিশু-কিশোর
  • বিবিধ
    • ঘরে-বাইরে
    • জীবন বৈচিত্র্য
    • প্রতিবেদন
    • রাজনীতি
    • তথ্যকণিকা
  • লেখক পরিচিতি
No Result
View All Result
নজরুল ইসলাম টিপু
No Result
View All Result

কোন এক প্রত্যূষে ‘শিয়া’ হয়ে যেতে পারেন, যদি….

মে ৩১, ২০১৯
in ইসলাম
11 min read
0
শেয়ার করুন
        

– শিয়ারা মুসলমানদের এমন এক ক্ষত যার অবস্থান ইহুদিদের পরেই

– ইরান, ইরাক, বাহরাইন, আজারবাইজান, লেবানন, ইয়েমেনে শিয়ারা সংখ্যাগরিষ্ঠ।

– কুয়েত, জর্ডান, ফিলিস্তিন, সউদি আরব, ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশেও প্রচুর শিয়া রয়েছে।

– পৃথিবীতে একমাত্র শিয়ারাই সবচেয়ে বেশী উপদলে বিভক্ত সম্প্রদায়।

শিয়াদের উৎপত্তি

– ধরা হয় আবদুল্লাহ বিন সাবাহ এই মতবাদের অন্যতম উত্তরসূরি।

– তিনি জাতে ইহুদী এবং ইসলাম গ্রহণ করার ভান করেছিলেন।

– শান্ত পরিবেশকে গুলিয়ে ফেলার মত চৌকশতা ছিল তার চরিত্রে।

– নিজেদের মধ্যে অন্তদন্ধ, কলহ ও বিভেদ সৃষ্টিতে ছিল বেজায় পটু।

– মূসা ও ইউসা ইবনে নূন (আঃ) কে নিয়ে তিনি ইহুদীদের বিভক্ত করেছিলেন।

– তার সেই দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা সুনিপুণ ভাবে মুসলিমদের মাঝেও চালিয়েছিলেন।

– তিনি কোন একটা দলের কল্যাণকামী সেজে, সেই দলের চূড়ান্ত অকল্যাণ সাধনে সিদ্ধহস্ত ছিলেন।

– যারা বিপক্ষে থাকে তাদের ক্ষতি তো হতই, উপরন্তু নিজেরাই কলহে লিপ্ত হত।

– এটা ঠিক আফগান-সিরিয়ায় আমেরিকার জঙ্গি দমনের মত ঘটনা, চোখ বন্ধ করে বোমা মার।

– শিয়া মরুক! সুন্নি মরুক! জন সাধারণ মরুক! জনম শত্রু শালার মুসলমানই তো মরল!

শিয়াদের বিকাশ

– ওসমান (রা) সময়ে আবদুল্লাহ বিন সাবাহ মদিনায় আসেন এবং ঘটনা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেন।

– আলী (রা) সময়ে তিনি আলীর পক্ষ হয়ে, সাধারণ মানুষদের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়াতে থাকেন!

– আলী (রা) এ খবর জানতে পেরে তাকে মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দেন কিন্তু সে নির্দেশ কার্যকর হয়নি!

– তাকে বর্তমান ইরানে নির্বাসিত করেন পরবর্তীতে তিনি সিরিয়ায় গিয়ে ইসলাম প্রচার করতে থাকেন!!

– তার চাতুর্যতা মিশ্রিত ইসলাম প্রচার, উল্টো ইসলামকে ক্ষত-বিক্ষত করত, পরস্পর ঘৃণা বিদ্বেষ ছড়াত।

– বর্তমানেও আমরা বহু ইসলাম প্রচারক দেখতে পাই, যাদের প্রচারে বিভেদ-বিদ্বেষের প্রসার ঘটে।

– এ ধরনের মানুষের কারণে বিরক্ত হয়ে, কুফার মসজিদে আলী (রা) খোতবায় বলেন, ইশ! তোমাদের সাথে যদি আমার কোন কালে পরিচয় না হত, তাহলে কতই না কল্যাণ হত।

শিয়াদের বিস্তার

– উমাইয়া গোষ্ঠীর মানুষেরা আলী (রা) থেকে ক্ষমতা হাতিয়ে নেন।

– সেই উমাইয়াদের একজন হোসাইন (রা) নির্মমভাবে হত্যা করেন।

– ইতিহাসে এই ঘটনাকে ‘কারবালা‘ বলা হয়।

– সারা দুনিয়ার মুসলমানদের কাছে এই ঘটনা মর্মান্তিক ও করুন দৃশ্যের অবতারণা করে।

– আব্বাসীয়রা কারবালার এই ঘটনাকে পূঁজি করে, উমাইয়াদের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালাতে থাকে।

– আবদুল্লাহ বিন সাবার জন্য সুযোগ আসে, তারাও বলতে থাকে, ফাতিমার (রা) পরিবারকে শাসন ক্ষমতায় নিযুক্ত করতে হবে। কেননা তারাই বেশী ক্ষতিগ্রস্ত ও একাজের হকদার।

– বহু সাধনার পরে আব্বাসীয়দের হাতে উমাইয়াদের পতন হয়।

– আব্বাসীয়রা নিজের মত করে শাসন চালাতে থাকে কিন্তু ফাতিমার (রা) বংশধরেরা উপেক্ষিত হতে থাকে।

– অথচ আব্বাসীয়রা এই ঘটনাকে পূঁজি করে, মানুষ উসকিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল।

– বিপরীতে ফাতিমা (রা) অধঃস্থন বংশধরদের সন্তানেরা যোগ্য, বরেণ্য, দ্বীনদার কিন্তু অবহেলিত হতে থাকে।

– এই প্রচারণা যার কানে গেছে, সেই প্রভাবিত হয়েছে, রাজধানী বাগদাদের বাহিরে এর প্রসারতা ছিল ব্যাপক।

– রাষ্ট্রের প্রতি এই ক্ষোভে সিরিয়া, মিশর, মরক্কোতে বিরাট আকারের কোন্দলে শিয়াদের নেতৃত্বে দল সৃষ্টি হয়।

– মিশরে ফাতেমী নামে আলাদা একটি শক্তিশালী শাসনের জন্ম হয়, আল আযহার বিশ্ববিদ্যালয় তারাই প্রতিষ্ঠা করে।

– অন্যদিকে অযোগ্য, অথর্ব, আরাম-আয়েশে মত্ত আব্বাসীয় শাসকেরা এসবের ন্যুনতম মোকাবেলা করতে পারেনি।

– অধিকন্তু হালাকু খানের আঘাতে পুরো মুসলিম মিল্লাত প্রায় ধূলিসাৎ হয়ে যায় কিন্তু ফাতেমীরা টিকে যায়।

মধ্য যুগে শিয়াদের প্রভাব,

– সুলতানি আমলে বাংলা মুল্লুকে প্রচুর আরব মুবাল্লীগের আগমন ঘটে, মানুষ সঠিক ভাবে ইসলাম পালন করত।

– এর ধারাবাহিকতা দাউদ খান কাররানী পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। আবার অন্যদিকে,

– সম্রাট বাবর মোগল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন, তার ছেলে হুমায়ুন শের শাহের কাছে ক্ষমতা হারায়।

– হুমায়ুন হারানো ক্ষমতা ফিরে পেতে পারস্যের সহযোগিতা নেয় এবং তাদের কৃষ্টি, ধর্ম চিন্তার প্রভাব বাড়ে।

– ফলে মোগলদের শাসন ব্যবস্থায় শিয়া চিন্তার প্রতিফলিত হবার সুযোগ পায়।

– তার ছেলে আকবর ছিল অশিক্ষিত, অধার্মিক ও ইসলাম বিদ্বেষী।

– তিনি ১৫৭৬ সালে সুন্নি শাসক দাউদ খান কাররানীকে পরাজিত ও হত্যা করে, নূতন এক সাম্রাজ্য গড়ে তুলেন।

– সেই থেকে অগণিত মুসলমান শাসক আসলেও আওরঙ্গজেব, আহমেদ শাহ ও টিপু সুলতান ব্যতীত কারো হাতে ইসলামের খেদমত হয়নি।

– শেষাবধি নিজাম, আলিবর্দি খাঁ, মুর্শিদ কুলি খাঁ ও বাংলার শেষ নবাব সিরাজদৌলা সবাই শিয়া ধর্মমতের অনুসারী হিসেবে দুনিয়া ত্যাগ করেন!

– বাংলা মুল্লুকের মুসলিম কিংবদন্তি হাজি মুহাম্মদ মুহসিন, শিক্ষাবিদ মীর মোশারফ হোসেন এবং মীর জাফরের বংশধর সেনাপতি মির্জা ইস্কান্দর সহ অগণিত ক্ষমতাবান ব্যক্তি শিয়া ধর্মমতের অনুসারী ছিলেন!

মোর্দাকথা,

– শিয়াদের গুণকীর্তন ও উচ্চ মার্গের কাহিনী বলার জন্য লিখতে বসিনি

– বলতে বসেছি যাদেরকে আমরা নির্মূল করতে চাই, তাদের সম্পর্কে আমাদের ধারণা কতটুকু সেটা যাচাই করা।

– ইতিহাসে তাদের অবদান কেমন এবং সেটা কি কারণে সম্ভব হল, সেটায় মনোনিবেশ করানো।

– শুধুমাত্র আকিদার কথা বলে তাদের পরাস্ত করাটা বেকুপের চিন্তা হতে পারে দ্বিকবিজয়ী সেনাপতির নয়।

– সেটা সম্ভব হলে চৌদ্দশত বছরে হয়েই যেত।

বর্তমান ইসলামী চিন্তাবিদদের চোখে শিয়ারা দেখতে কেমন,

– শিয়াদের আকিদা খারাপ তাই, তাই তাদের কিছু ভাল কাজ থাকলেও তা ব্যর্থ ও অকার্যকর।

– আমরা সুন্নিদের আকিদা সঠিক ও সহিহ, ভুল-ভ্রান্তি কিছু থাকলেও আল্লাহ ক্ষমা করবেন।

– তাহলে তাদের আকিদা কেমন, কেন তারা বঞ্চিত?

– ধর্মীয় দৃষ্টিকোণে বিবৃত এর জন্য অনেক কিতাবাদি রয়েছে, আছে প্রচুর শায়খ ও হাজারো ওয়াজ-নসিহত।

– ফেসবুক, ইউটিউবে প্রচুর আলোচনা রয়েছে, আর দিন দিন শিয়াদের সংখ্যা বাড়ছে।

– আমি ধর্মীয় আলেম নই, তাই ধর্মীয় দিকে গেলাম না, রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণটা তুলে ধরেছি।

– কিছু শিয়াদের চরিত্র একেবারে সুন্নিদের কাছাকাছি, তাই অনেকে তালগোল পাকিয়ে ফেলে।

– কিছু শিয়াদের চরিত্রে মুসলমানদের ন্যুনতম কিছুই নেই, যেমন ইসমাইলীয়া সম্প্রদায়।

– তাদের প্রায় সবার কাছে ইসলামের মৌলিক বৈশিষ্ট্যের সাথে বৈপরীত্য আছে, তাই তারা প্রকৃত মুসলিম নয়।

আমাদের ব্যর্থতা,

– কিন্তু মানতে কষ্ট হতে পারে কিন্তু করার কিছুই নাই,

– শিয়ারা দৃঢ়তাতে যতটা শক্তভাবে দেখাতে পারে, আমরা ভীরুতাকে ততবেশী প্রকাশ করি।

– যে ইরাক আমরণ তাদের সাথে লড়ল, শেষ সময়ে সাদ্দাম সাড়ে পাচঁশ বিমান ইরানকে দিয়ে দিল!

– সাদ্দামকে উসিকয়ে কুয়েত দখল করাল, আবার তারাই দু-জনের বিবাদ মীমাংসার নামে সমুদয় অর্থ হাতিয়ে নিল।

– আমরা আজো জানিনা সর্বশক্তি দিয়ে করা সেই লড়াইয়ে কেন ইরান-শিয়াদের পরাজিত করা গেলনা।

– মূলত আমরা যাকে বন্ধু বানিয়েছি, সেই মনস্তাত্ত্বিক ভাবে আমাদের ভয়কে বাড়ীতে তুলেছে।

– ফলে তারা দুজনই তোয়াঙ্গর হল, মাঝপথে ইরান লাভবান হল! এ খেলা কিভাবে চলছে?

– এসব প্রশ্ন তোলা এখন বড় বিপদজনক, কেননা এতে অযোগ্যতার ফিরিস্তি লম্বা হয়।

– শিয়াদের গুরু শুধু বক্তব্য দিয়ে যে জাতিকে জাগিয়ে তুলেছে, তার কাছাকাছি মানের বিশ্বনেতা কি আমাদের জন্মেছে?

– আমরা দু‘জন বাদশাহকে পেয়েছিলাম কিন্তু ধরে রাখতে পারিনি।

– তারপরও আমাদের অভিভাবক হয়ে যারা ক্ষমতায় এসেছিল তাদের প্রতি সবার আস্তা ছিল, আছে।

– কিন্তু আস্তা অনুযায়ী কেউ ভূমিকা রাখতে পারেনি, তারপরও মানুষ সন্তোষ চিত্তে মেনে নিয়েছে।

– আপনি সিনেমা হলের প্রসার ঘটাবেন, নাচওয়ালী বাড়াবেন! চুপ! একদম চুপ! এটা বিদ্রোহের নামান্তর।

– কিন্তু আমরা তো আপনার প্রতিই তাকিয়েই আছি, আপনি কবে হয়ে উঠবেন ঘুমন্ত মুসলিমের মুয়াজ্জিন।

– বলদর্পে, ঘৃণা বিস্তারে কোনদিন মতবাদ থামানো যায়না, বহু দৃষ্টান্ত আনা যায়।

– মতবাদ প্রচারে ধৈর্য, প্রজ্ঞা, দূরদর্শীতা, আন্তরিকতার সাথে ব্যাপক প্রচার করতে হয়।

– ইসলাম কিভাবে প্রচার হয়েছে, সে নজীর তো আমাদের সামনে রয়েছে।

– যাই হোক, প্রচার করে একজন শিয়া যদি কমাতে না পারি কিন্তু তাদের সংখ্যা বাড়াবো কেন?

ডিজিটাল যুগে শিয়া বাড়ার আলামত,

– বর্তমানে এই মানা না মানার মাঝেই শিয়া হবার বৈশিষ্ঠ লুকিয়ে।

– আপনি কোন শাসকের সমালোচনা করবেন, আপনি হবেন বিপ্লবী, হয়ে যাবেন শিয়া!

– আপনি কোন শায়কের সাথে দ্বিমত পোষণ করবেন, তাহলেও শিয়া হয়ে যেতে পারেন।

– কিছু শায়খ আর শাসক মাসতুতো ভাইয়ের মত, সামান্য ভিন্নমত! সোজা শিয়া জাহান্নামে স্থান হবে।

– কিছু রাজনৈতিক দল পছন্দ করলেও, শিয়া হওয়া যায়। এতে শিয়ার মূল বিষয়বস্তু হাস্যকর হয়ে উঠে।

– প্রকৃত শিয়ারাও তাজ্জব হয়ে ভাবে দিন দিন এত শিয়া বেড়ে যাবার কারণ কি?

– ফেসবুকে মন্তব্য করে শুয়েছেন? সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখবেন আপনি ইতিমধ্যে শিয়া হয়ে গেছেন!

Previous Post

চলুন ফিরে যাই! ক্ষমাহীন কোন অপরাধের ভয়ে

Next Post

ক্ষমা চাওয়ার গুন মানুষকে দুনিয়াতে সুখী ও সমৃদ্ধশালী করে।

Discussion about this post

নতুন লেখা

  • জ্বালানী তেল যেভাবে তৈরি হয়
  • শাহ পদবীটা বিরাট অদ্ভুত
  • তীর তথা ক্ষেপণাস্ত্র শক্তিতে বলিয়ান হতে স্বয়ং রাসুল (সাঃ) নির্দেশ দিয়েছেন।
  • তসবিহ দানা বৃত্তান্ত!
  • হাজী ইমদাদুল্লাহ মুহাজিরে মক্কী দেওবন্দি ও বেরেলভী আকিদার সূত্রপাত

এই সপ্তাহের জনপ্রিয় লেখা

No Content Available

নজরুল ইসলাম টিপু

লেখক পরিচিতি । গাছের ছায়া । DraftingCare

Facebook Twitter Linkedin
© 2020 Nazrul Islam Tipu. Developed by Al-Mamun.
No Result
View All Result
  • মুলপাতা
  • ধর্ম
    • ইসলাম
    • কোরআন
    • হাদিস
    • ডায়েরি
    • জীবনী
  • সাহিত্য
    • গল্প
    • রচনা
    • প্রবন্ধ
    • রম্য রচনা
    • সামাজিক
  • পরিবেশ
    • উদ্ভিদ জগত
    • প্রাণী জগত
    • ভেষজ হার্বাল
    • জলবায়ু
  • শিক্ষা
    • প্রাতিষ্ঠানিক
    • মৌলিক
    • ইতিহাস
    • বিজ্ঞান
    • ভ্রমণ
    • শিশু-কিশোর
  • বিবিধ
    • ঘরে-বাইরে
    • জীবন বৈচিত্র্য
    • প্রতিবেদন
    • রাজনীতি
    • তথ্যকণিকা
  • লেখক পরিচিতি

© 2020 Nazrul Islam Tipu. Developed by Al-Mamun.