Tipu vai
  • মুলপাতা
  • ধর্ম
    • ইসলাম
    • কোরআন
    • হাদিস
    • ডায়েরি
    • জীবনী
  • সাহিত্য
    • গল্প
    • রচনা
    • প্রবন্ধ
    • রম্য রচনা
    • সামাজিক
  • পরিবেশ
    • উদ্ভিদ জগত
    • প্রাণী জগত
    • ভেষজ হার্বাল
    • জলবায়ু
  • শিক্ষা
    • প্রাতিষ্ঠানিক
    • মৌলিক
    • ইতিহাস
    • বিজ্ঞান
    • ভ্রমণ
    • শিশু-কিশোর
  • বিবিধ
    • ঘরে-বাইরে
    • জীবন বৈচিত্র্য
    • প্রতিবেদন
    • রাজনীতি
    • তথ্যকণিকা
  • লেখক পরিচিতি
No Result
View All Result
নজরুল ইসলাম টিপু
  • মুলপাতা
  • ধর্ম
    • ইসলাম
    • কোরআন
    • হাদিস
    • ডায়েরি
    • জীবনী
  • সাহিত্য
    • গল্প
    • রচনা
    • প্রবন্ধ
    • রম্য রচনা
    • সামাজিক
  • পরিবেশ
    • উদ্ভিদ জগত
    • প্রাণী জগত
    • ভেষজ হার্বাল
    • জলবায়ু
  • শিক্ষা
    • প্রাতিষ্ঠানিক
    • মৌলিক
    • ইতিহাস
    • বিজ্ঞান
    • ভ্রমণ
    • শিশু-কিশোর
  • বিবিধ
    • ঘরে-বাইরে
    • জীবন বৈচিত্র্য
    • প্রতিবেদন
    • রাজনীতি
    • তথ্যকণিকা
  • লেখক পরিচিতি
No Result
View All Result
নজরুল ইসলাম টিপু
No Result
View All Result

তুর্কির ডাইরি একজন এরদোয়ান ও একটি মতিভ্রম দৃষ্টিভঙ্গি।

জুন ১১, ২০১৮
in ইতিহাস
3 min read
0
শেয়ার করুন
        

আধুনিক তুরস্কের জাতির পিতা কামাল আতা-তুর্ক। এরদোয়ান

মৃত্যু অবধি তিনি দেশের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী ছিলেন।

গ্রীকের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত যুদ্ধে তিনি ইউরোপিয়ানদের থামতে বাধ্য করেছিলেন।

ফলে তিনি জাতির এক নতুন হিরো হিসেবে চিত্রিত হয়েছিলেন।

সকল মুসলমান ভেবেছিল, তিনি ইসলাম ও মুসলমানদের মুক্তিতে কাণ্ডারি হবেন।

জাতীয় কবি নজরুল তাঁর কালজয়ী কামাল পাশা কবিতা তাকেই উৎসর্গ করেছিলেন।
মধ্যযুগে তুর্কিদের প্রভাব প্রতিপত্তি বাড়তে থাকে।

পৃথিবীর প্রথম বড় কামান তারাই তৈরি করেছিলেন।

পাহাড়ের উপরে পানির জাহাজ চালানোর মত দুর্লভ সমর শক্তি তারাই দেখিয়েছিল।

ভবনের উপরে গম্বুজ বানিয়ে ছাদ বানানোর দক্ষতা দুনিয়াতে তারাই শুরু করেছিল।

তাজমহল বানানোর সকল প্রকৌশলী তুর্কী থেকেই আনা হয়েছিল।

কনস্টান্টিনোপল তথা ইস্তাম্বুল নগরী দখলের মাধ্যমে সাড়া দুনিয়ায় তারা সাড়া ফেলে দেয়।

জ্ঞান-বিজ্ঞানের বহু শাখায় তাদের আধিপত্য সৃষ্টি হয়।

সারা দুনিয়ার মুসলমানেরা তাদেরকেই নতুন দিগন্তের নাবিক হিসেবে দেখতে পায়।

তুর্কিরা সাম্রাজ্য বিস্তারে নজর দেয়, এতে মুসলমানদের আধিপত্য বিস্তার হয়।

১৫১৭ সালে পুরো আরব তাদের দখলে চলে যায়।

তারা দুই হারামাইনের খেদমতের দায়িত্ব পালনের দায়িত্ব পায়।

মক্কা ও মদিনার উন্নয়নে তারা বহু অর্থ খরচ করে।

রাসুল (সাঃ) রওজার বর্তমান কাঠামো তাদের হাতেই সৃষ্টি।

কাবা শরীফের মাত্তাফের চারিদিকের ছোট দালান তারাই তৈরি করে।
তুর্কিরাও ইসলামের নামে রাজতন্ত্রের মাধ্যমে সাম্রাজ্য পরিচালনা করত।

তারা নিজেদেরকে ইসলামের মুল প্রতিনিধি ও কখনও খলিফা দাবী করত।

 

 

আরাম-আয়েশ, ভোগ-বিলাস, অপচয়-অজাচারে মত্ত হয়ে পড়েছিল।

তাদেরকে সহযোগিতা করত একদল ধর্মীয় মুফতি ও বিশ্লেষকেরা।

সপ্তদশ শতাব্দীতে ধীরে ধীরে ব্রিটিশের উত্থান শুরু হয়।

ব্রিটিশ মুসলমানদের সাথে সম্মুখ লড়াই সর্বদা এড়িয়ে চলে।

সারা মুসলিম বিশ্বের অঞ্চলে অঞ্চলে মুসলমান দালাল দিয়ে বিদ্রোহ সৃষ্টি করে।

সারা আরবের সর্বত্র ব্রিটিশেরা বিদ্রোহীদের অস্ত্র দিয়ে সাহায্য করে।

এভাবে ভারত মুসলমানদের হাত ছাড়া হয়।

সেভাবে আরব, মিশর সহ সবই তুর্কিদের হাতছাড়া হয়।

তুর্কিরা সব হারিয়ে নিজ এলাকার সীমানার মধ্যে আবদ্ধ হয়ে পড়ে।

তুর্কির এই পতন শাসকদের অতিমাত্রার বিলাসিতার ফল বলে প্রচারণা চালানো হয়।

এই দুর্বল মুহূর্তে তুর্কির নিকট শত্রু গ্রীক; বিশাল শক্তি নিয়ে সীমান্তে হাজির হয়।
তরুণ সাহসী বীর কামাল পাশা এই যুদ্ধের সেনাপতির দায়িত্ব পায়।

তার চৌকশ রণকৌশলের কাছে গ্রীকের বিশাল শক্তি পরাজিত-পর্যদূস্ত হয়।

 

 

কামাল পাশা পুরো জাতির নিকট নতুন বীরে পরিণত হন।

চারিদিকে তার জয়ধ্বনি তুঙ্গে উঠে এবং জাতীর দায়িত্ব নিতে প্ররোচনা দেওয়া হয়।

কামাল পাশা এই ধরনের একটি পরিবেশের জন্য তক্কে তক্কে ছিলেন।

কামাল পাশা অভ্যুত্থান ঘটিয়ে শাসন ক্ষমতা দখল করেন।

দেখা যাক, কি হয় এই ভাবনায় জনগণ অপেক্ষায় থাকলেন।

তিনি নিজেকে আধুনিক তুরস্কের জাতির পিতা হিসেবে আইন পাশ করেন।

কামাল দেশের পতনের জন্য খলিফা নামধারী শাসক এবং ইসলাম ধর্মকে দায়ী করেন।

ফলে তিনি ধর্মনিরপেক্ষতার নামে দেশে ধর্মহীনতার আইন জারী করেন।

খ্রিস্টান-ইহুদী বিশ্বে কামাল পাশার সুনাম সুখ্যাতি জয়-জয়কার হতে থাকে।
কামাল পাশা বহু কড়া আইন প্রবর্তন করে দেশের নতুন সংবিধান রচনা করেন।

কামাল পাশার সামান্য সমালোচনা করলেও নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট গদি-চ্যুত হতে পারেন।

ধর্মীয় লেবাসের লেশমাত্র উপস্থিত থাকলেও একজন মন্ত্রী মুহূর্তে বরখাস্ত হতে পারে।

শিশুরা অতীত গৌরবোজ্জল ইতিহাস জেনে যাতে জাগ্রত হতে না পারে সে ব্যবস্থা করে।

তুর্কি ভাষা আরবি বর্ণমালায় লিখা হত, তা পরিবর্তন করে ল্যাটিন হরফে লেখার আইন করে।

 

এতে প্রবীণেরা নতুন ইতিহাস আর নবীনেরা পুরাতন ইতিহাস পড়ার সুযোগ হারায়।

ইসলামী পর্দা প্রথা সরকারী স্তরে চিরতরে নিষিদ্ধ করা হয়।

আরবি ভাষায় আজান নিষিদ্ধ হয়, নিষিদ্ধ হয় মসজিদের আরবি খুতবা।

কোন ইসলামী দল ও ইসলামাইজেশন বরদাশত করা হল না।

কমিউনিজম, সেকুরালারিজম, সোশালিজম, ক্যাপিটালিজমের সূত্রপাত ঘটে।
আদনান মেণ্ডারীস কামাল পাশার দলের চৌকশ পার্লামেন্টারীয়ান ছিলেন।

কামাল পাশার মৃত্যুর পরে নতুন নেতাদের জন্য দিন খুলে যায়।

আদনান মেণ্ডারীস নির্বাচনে দাঁড়ান এবং তার নতুন দল জয়ী হন, তিনি প্রধানমন্ত্রী হন।

তিনি রাষ্ট্রের বহু অভূতপূর্ব কাজ সমাধা করতে পেরেছিলেন।

নির্বাচনে জয়ী হতে পারলে আরবি আজান চালু করবেন বলে ওয়াদা করেছিলেন।

তিনি তা বাস্তবায়ন করেছিলেন এবং সংবিধান লঙ্ঘনের দায়ে তাঁর ফাঁসির আদেশ হয়।

আদালত বুঝাতে চায়, ব্যক্তি যতই জনপ্রিয় হউক, সংবিধানের কাছে কঠোর ভাবে আবদ্ধ।

[ফাঁসিতে লটকানোর আগে ঘোষণা করা হয়, আদনান তুমি জাতির জন্য অনেক কিছু করেছ। সে জন্য জাতি চিরদিন তোমার কাছে কৃতজ্ঞ থাকবে। তাই দেশের মহা সড়ক সহ বহু গুরুত্বপূর্ণ স্থান তোমার নামে উৎসর্গ করা হয়েছে। কিন্তু তুমি (আজান চালু করে) সংবিধান লঙ্ঘন করেছ তাই তোমাকে মরতে হচ্ছে। তোমার এই মরণ আমাদের কাঁদাবে, ভাবাবে, ভোগাবে। তোমার অনুপস্থিতি আমাদের কষ্ট দেবে। আদনান! তুমি মহান, তুমি সম্মানিত আমাদের কাছে, তবে পরাজিত সংবিধানের কাছে]
 

তুর্কির সংবিধান ধর্ম ও ধর্মীয় আচরণের উপর অত্যান্ত কঠোর ও নির্দয়।

এত বিপরীত পরিবেশে বসবাস করেও ইসলাম প্রিয় মানুষ বসে থাকেনি।

তারা পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে যতটুকু পারা যায়, পরিবর্তনের জন্য চিন্তা করতে থাকে।

ফলে দাড়ি বিহীন, কোট-টাই পরা ইসলামী ভাবা দর্শের মানুষ সৃষ্টি হতে থাকে।

নাজিম উদ্দীন আরবাকানের মত শ্রেষ্ঠ ইসলামী শায়খের জন্ম হয় সেদেশে।

নিন্দুকেরা বলতে থাকে এ কেমন ইসলামী ব্যক্তি! যার দাড়ি, টুপি, মাদ্রাসা শিক্ষা নাই।

নাজিমুদ্দিনের দেশে মাদ্রাসা নাই কিন্তু তার সান্নিধ্যে হাজার হাজার তরুণ মসজিদে যায়।

নাজিমুদ্দিন বার বার নির্বাচনের জিতে আসে, তিনি প্রধান মন্ত্রীও হয়ে যান।
তাঁর ইসলামী বক্তব্য ও আচরণের কারণে তিনি বারে বারে সংসদ থেকে বরখাস্ত হন।

 

নাজিমুদ্দিন ইসলামী পন্থি, এই দোষের কারণে তার নিকট থেকে প্রধানমন্ত্রীত্ব কেড়ে নেয়া হয়।

মন্ত্রীর ঘর থেকে তাকে সোজা কারাগারে নিক্ষেপ করা হয়।

প্রধানমন্ত্রীত্ব থেকে কারাগার বরণের নির্লোভ দৃষ্টান্ত পৃথিবীতে কয়জন মুসলমানের আছে!

তিনি আমৃত ইসলামের পক্ষে সরকার ও রাষ্ট্র সংস্কারের প্রত্যয়ে কাজ করেছেন।
এরবাকানের অনুসারী আবদুল্লাহ গুল একদা তুর্কির প্রেসিডেন্ট হন।

তিনি ইসলামকে ভালবাসতেন ও রাসুল (সাঃ) সুন্নাতের অনুসারী বলে অপবাদ ছিল।

নিন্দুকেরা হাসি-ঠাট্টায় কাতুকুতু উপভোগ করছিল, তিনি কেমন মুমিন! যার দেহেই নাই ইসলাম!

একদা প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহ গুলের স্ত্রীর মাথায় একটি স্কার্ফ দেখা গিয়েছিল!

এটা আয়তনে ক্ষুদ্র হলেও ইসলামী হিজাবের সাথে মিলে যায়।

সুতরাং এটা তো ইসলাম পালনেরই নামান্তর যা প্রেসিডেন্টের পদ ও সংবিধান পরিপন্থী।

আদালতে মামলা হল, আবদুল্লাহ গুলের প্রেসিডেন্সী যায় যায় দশা।

মামলায় আবদুল্লাহ গুল জিতে যায়, কথা উঠে কিছু বিচারকের পক্ষপাতিত্ব নিয়ে।

কেননা ততদিনে আবদুল্লাহ’রা সর্বত্র ইসলামী আদর্শের মানুষকে স্থানে স্থানে বসাচ্ছিলেন।

নিন্দুক হাসি-ঠাট্টার তুফান তুলল এ কেমন ইসলাম পালন! যারা দলীয় মানুষ পদে বসায়!
লেবু বিক্রেতা, ফুটবলার, সমাজ কর্ম করে এরদোয়ান ইস্তাম্বুলের মেয়র হয়ে যান।

 

বদনাম উঠে সেও নাজিমুদ্দিনের অন্ধ অনুসারী।

তিনি জন সমাবেশে একটি কবিতা আবৃতি করেন, আদালত এটা মেনে নিতে পারলেন না!

তিনি কবিতায় বল্লেন, মুসজিদ গুলো আমাদের ঢাল এবং মিনার গুলো ক্ষেপণাস্ত্র……..

উপরে ক্লিন শেভ, গায়ে কোট হলেও, আদালতে তিনি ইসলাম পন্থি বলে ধিক্কৃত হলেন

চার লাইনের কবিতা আবৃতির বদৌলতে এরদোয়ানের কয়েক বছরের জেল হল………..

নিন্দুকেরা পিট চুলকিয়ে বলল, এ কেমন মুমিন! যার গায়ে নাই ইসলাম! হারাম হারাম!
এরদোয়ান নতুন একটি সেকুলার তথা ধর্মনিরপেক্ষ পার্টি সৃষ্টি করলেন।

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে কারিশমাটি যোগত্যা সম্পন্ন কয়েকজন তার সাথে যোগ দেয়।

তার দল খুবই ভাল করল, এরদোয়ান সেকুলার দলের হয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী হলেন।

আদালত ও বিপক্ষ শক্তি আগা গোড়াই তাকে ইসলাম পন্থি বলে ঘায়েল করছিল (ফাঁসানোর জন্য)।

এরদোয়ান নিজেকে জাতির পিতা কামাল পাশা ও সংবিধানের প্রকৃত অনুসারী বলে দাবী করছিল (দলকে বাঁচানোর জন্য)।

অতঃপর এরদোয়ান তুরস্কের প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিজেকে স্থলাভিষিক্ত করলেন।

 

এরদোয়ানের ভিষণ:

তিনি প্রশাসনের ভিতর থেকে একে একে বিরোধী দুষ্ট শক্তি মূলোৎপাটন করলেন।

তিনি নতুনদের অতীত গরিমায় সমৃদ্ধ করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন।

তাই নতুন করে আরবি বর্ণমালা শিক্ষায় ফিরিয়ে আনার প্রত্যয় ঘোষণা করেছেন।

বহু ইসলামী স্কুল সৃষ্টি করলেন, নিজেও ইসলামের প্রতি দাওয়াত দিলেন।

তিনি একটি প্রসাদ তৈরিতে হাত দিয়েছেন।

চারিদিকে নিন্দাবাদ ছড়িয়ে পড়ল এ কেমন ইসলাম যিনি প্রসাদের সুখে মত্ত হতে চান।

যদিও পৃথিবীতে বহু মুসলিম শাসকের একজনের নিকট বহু প্রাসাদ বিদ্যমান, তারা সেক্ষেত্র চুপ!

প্রাসাদের মাধ্যমে এরদোয়ান ইতিহাসের দ্বিতীয় মুরাদের চরিত্র তুরস্কে ফুটিয়ে তুলতে চান।

যিনি অটোমান সাম্রাজ্যের গোড়াপত্তন করে, দুনিয়ার বিশাল অঞ্চল করেছেন শাসন।
এরদোয়ান তুরস্ককে অতীতের মত বলীয়ান করতে সিদ্ধান্ত নেন।

জাতিকে সমর শক্তিতে বলীয়ান হতে দৃঢ় সংকল্প গ্রহণ করেন।

 

মুসলিম দেশে সমর্থন বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রতি বছর হাজারো ছাত্রকে শিক্ষা বৃত্তি দিচ্ছেন।

মুসলিম দেশের সকল প্রকার স্বার্থ ও সমস্যা গুলোতে আগ বাড়িয়ে নাক গলাচ্ছে।

মুসলমানদের শক্র জাতিগুলোকে তিনি তুরস্কের শত্রু বলে ঘোষনা দিলেন।

হিংসুটে বলল, এটা তুর্কিদের অতীতের মত সাম্রাজ্যবাদ প্রসারের নামান্তর।

 আরব ও ইউরোপ তুর্কিদের এই পদক্ষেপ সন্দেহের চোখে দেখছে।

 মুসলমানদের মধ্যে আরব, ইরান, তুর্কী ও আফগান জাতি স্বভাবে চরম জাতীয়তাবাদী!

 তাই এরাই এ সমস্ত কাজে প্রথম প্রতিক্রিয়া দেখায়।

প্রতিক্রিয়ার একটি দারুণ অস্ত্র হল ইসলামের ভাবাবেগ কে ব্যবহার- ও সুবিধাজনক ধর্মীয় আলেমদের ব্যবহার; অতীতে দেখা গেছে,

আলেমের মাধ্যমে তুর্কিরা আমাদের দেশে সুফিবাদ ছড়িয়েছে।

আলেমের মাধ্যমে ইরানীরা ছড়িয়েছে কবর পূজার রীতি।

আমরা অজ্ঞাতে এসবকেই ধর্মীয় কাজ মূল মনে করে নিয়েছি।

অবিরত লড়ছি আর ইসলামকে করছি ক্ষত-বিক্ষত।
 

সুপ্রিয় পাঠক, উপরের সকল কথাগুলো ডাইরি। যা ইতিহাসের পাতা থেকে সংক্ষিপ্ত ভাবে তুলে আনা হয়েছে। আমরা ফেসবুক সহ বিভিন্ন মিডিয়ায় লড়ছি কেউ তুর্কির পক্ষ হয়ে কেউ আরবের পক্ষ হয়ে কেউ ইরানীর পক্ষ হয়ে। মূলত আমরা মুসলমান, আমাদের ঐক্য হওয়া উচিত কোরআন-হাদিসের মানদণ্ডে। জাতীয়তাবাদী চিন্তার ঢঙয়ে নয়।
 

আমাদের কথা:

মুখ যার কথা বলা তার অধিকার।

যে বেশী বলবে সে তত বেশী অপরাধী।

যে শুনে কম বলে বেশী, সে বেশী বাগাড়ম্বর-কারী।

অপবাদ, নিন্দাবাদ, চোগলখোরি আর গীবতের চর্চাকারী।

সবই ইসলাম পালনকারীদের মাঝে বাড়াবাড়ির পর্যায়ভুক্ত।

শোনা যায় এরদোয়ান নাকি এখন নতুন খলিফাতুল মুসলেমিন!

বঙ্গবন্ধুকেও দ্বীন বিক্রিকারী আলেম, খলিফাতুল মুসলেমিন বানিয়েছিল।

মূলত বঙ্গবন্ধু ও এরদোয়ান এরা কেউ এই উপাধি দাবী করেননি!

তেল মারতে, বদনাম করতে, চুলকানি উপশম করতে জোর করে লাগানো হয়েছে।

পরিবেশ, পরিস্থিতি সমাজ ও সংস্কৃতি অনুধাবন না করে, সবাইকে নিজের চিন্তায় বিচার করছি।

আর হাবুডুবু খাচ্ছি, আলেম বেড়েছে তাই বাড়ছে ফেতনা আর অনুসারীরা মত্ত ধন্ধ-সংঘাতে।

Previous Post

দশ ও বিশ রাকায়াত তারাবিহর না বলা ইতিহাস

Next Post

প্রজ্ঞা’র সম্যক ধারণা ও তার প্রয়োজনীয়তা

Discussion about this post

নতুন লেখা

  • জ্বালানী তেল যেভাবে তৈরি হয়
  • শাহ পদবীটা বিরাট অদ্ভুত
  • তীর তথা ক্ষেপণাস্ত্র শক্তিতে বলিয়ান হতে স্বয়ং রাসুল (সাঃ) নির্দেশ দিয়েছেন।
  • তসবিহ দানা বৃত্তান্ত!
  • হাজী ইমদাদুল্লাহ মুহাজিরে মক্কী দেওবন্দি ও বেরেলভী আকিদার সূত্রপাত

এই সপ্তাহের জনপ্রিয় লেখা

No Content Available

নজরুল ইসলাম টিপু

লেখক পরিচিতি । গাছের ছায়া । DraftingCare

Facebook Twitter Linkedin
© 2020 Nazrul Islam Tipu. Developed by Al-Mamun.
No Result
View All Result
  • মুলপাতা
  • ধর্ম
    • ইসলাম
    • কোরআন
    • হাদিস
    • ডায়েরি
    • জীবনী
  • সাহিত্য
    • গল্প
    • রচনা
    • প্রবন্ধ
    • রম্য রচনা
    • সামাজিক
  • পরিবেশ
    • উদ্ভিদ জগত
    • প্রাণী জগত
    • ভেষজ হার্বাল
    • জলবায়ু
  • শিক্ষা
    • প্রাতিষ্ঠানিক
    • মৌলিক
    • ইতিহাস
    • বিজ্ঞান
    • ভ্রমণ
    • শিশু-কিশোর
  • বিবিধ
    • ঘরে-বাইরে
    • জীবন বৈচিত্র্য
    • প্রতিবেদন
    • রাজনীতি
    • তথ্যকণিকা
  • লেখক পরিচিতি

© 2020 Nazrul Islam Tipu. Developed by Al-Mamun.