এখন নির্বাচনের কাল। দো-টানার জীবন যাচ্ছে সরকারী কিংবা আধা সরকারী চাকরি-জীবীদের। তারা আছে মহা ফ্যাসাদে। তাদের এক বছর আগের পোষ্ট, ছয় মাস আগের পোষ্ট এবং বর্তমান সময় পোষ্ট দেখলে বুঝাই যায়। তারা কতবার মত ও চিন্তার পরিবর্তন করেছে।
যারা বারে মন্তব্য ও বক্তব্য পরিবর্তন করতে থাকে বুঝবেন তারা এখনও গন্তব্য ঠিক করতে পারে নাই। তাদের সময় যাচ্ছে দোটানার মধ্যে।
তবে, নির্বাচনের ঠিক আগের এবং পরেও তাদের পোষ্টের চরিত্র বদলাতে থাকবে এবং সরকার গঠিত হবার পরেই তারা মন্তব্য ও বক্তব্যের মাধ্যমে গন্তব্য ঠিক করবেন এবং কর্তব্য নির্ধারণ করে ধর্তব্য বিষয়ে নেমে পড়বেন। তার মানে পড়তে বাধ্য হবেন।
শুরুতে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে না পারায়, ফাইনালি তারা উভয়কুল হারিয়ে গুরুত্বহীন হয়ে যাবেন এবং বাকি সময়টা লেংগা ব্যক্তির মত করে ইতি টানবেন। এটা এক মারাত্মক টেনশনের জীবিকা। দো-টানার জীবন
কেননা এর সাথে একজন পেশাদার কর্মচারীর প্রমোশন, ডিমোশন, টার্মিনেশন, ডেপুটেশন, সাসপেনশন এবং ডিস্প্রেশন সবই জড়িত। এটা আমাদের দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হয়ে উঠেছে।
যারা তলে তলে জানতে পারে, কে হবে পরবর্তী সরকার; তারা খুব সহজেই অগ্রিম কেবলা পরিবর্তন করে, আগে থেকেই অয়েলিং, ফুয়েলিং, পলিশিং, পেন্টিং এর মাধ্যমে রাস্তা ক্লিনিং করে সুবিধা আদায় করে নেয়। দো-টানার জীবন
গায়ে পড়ে চুতো নাথা ধরে নির্বাচনের প্রার্থীদের ফাইল বাতিল করে ফেলছেন। ওরাই হল সেই অয়েলিং গ্রুপের সদস্য যারা যথাযত সার্ভিসিং এর মাধ্যমে পজিশনিং করে নিচ্ছে। এজন্য ওরা মহা রিস্ক নিচ্ছেন।
এখন কিছু ক্ষতি হলেও, পরে তারাই সর্বেসর্বা হয়ে পরবর্তী সরকারের কর্ণধার, তহবিলদার ও জিম্মাদার হয়ে উঠবে। আর দলের হয়ে আজীবন শ্লোগান ধারীদের জন্যে হবে ‘খবরদার’! ফলে তারা সর্বদা দলের জন্যে Slow-Gun ধারীই হয়ে থাকবেন কখনও Heavy-Gun ধারী হতে পারবেন না। দো-টানার জীবন


Discussion about this post