ছবিতে সাজানো জিনিষ গুলোকে ডিজাইন করা পাথর বলে মনে হতে পারে। সত্য কথা বলতে কি, এগুলো আসলে উদ্ভিদের বীজ! সাধারণত এগুলো যখন পাথরের পাশে পড়ে থাকে, তখন আলাদা করতেই বেগ হতে হয়। Lithops জীবন্ত পাথরের কথা
তারা পাথরের আড়ালে নিজেদের লুকিয়ে রাখতে গিয়ে এমন আকৃতি ধারণ করে। দেখতে অনেকটা আকর্ষণীয় পাথর খণ্ডের মত হবার কারণে এগুলোকে “জীবন্ত পাথর” বলা হয়। Lithops জীবন্ত পাথরের কথা
আরো পড়তে পারেন…
- কর্ক শিল্প ও আমাদের পাটখড়ি
- স্ন্যাক লিলি Snake lily দেখতে অপূর্ব
- কালোজিরা : নিয়ত করে খেলে যে বিচি রোগ সাড়ায়
ইংরেজিতে এটাকে Lithops ‘লিথপ্স’ বলা হয়। ঘরোয়া পরিবেশে পালন করার জন্য দিন দিন এটার চাহিদা বাড়ছে। বিভিন্ন বর্ণের লিথপ্সের চারা গজায় ভিন্ন ভিন্ন ধরনের এবং ফুলগুলোর বর্ণ শোভাতেও ভিন্নতা রয়েছে।
উদ্ভিদের এই চরিত্রের পিছনে লুকিয়ে রয়েছে, তাদের নিরাপত্তার শঙ্কা।
তারা নিজেদের নিরাপদ রাখতে আশে-পাশের পাথরের বর্ণের সাথে মিলিয়ে নিজেরা একটি রং ধারণ করে। অধিকন্তু সেই বর্ণকে একটি অঙ্কনের মত রূপ দেয়। অন্য প্রাণীদের অঙ্কনের প্রতি আগ্রহ না থাকলেও, মানুষ কিন্তু অঙ্কন পছন্দ করে। তাই এসব জীবন্ত পাথর মানুষের ঘরের টেবিলে নিরাপত্তার সহিত আদর-যত্ন পায়। Lithops জীবন্ত পাথরের কথা
রসালো ক্যাকটাসের গায়ে অসংখ্য কাটা জন্মাতে দেখি। ক্যাকটাস উত্তপ্ত মরুভূমির উদ্ভিদ। সে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখতে মাংসকে রসালো করে, যাতে করে দেহে পানি থাকে। আবার কোমল দেহে যাতে কেউ আঘাত করতে না পারে সে জন্য সারা গায়ে কাটা দিয়ে ঘেরা থাকে। এ সবই কিন্তু নিরাপত্তার জন্যই তৈরি করা।
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাদের ডিএনএ তে এসব তথ্য, ভয় ও শঙ্কার হরমোন ঢুকিয়ে দিয়েছে। তাই তারা সদা ভয়ে থাকে এবং এভাবেই নিজের নিরাপত্তা পদ্ধতি বেছে নেয়। Lithops জীবন্ত পাথরের কথা


Discussion about this post