Tipu vai
  • মুলপাতা
  • ধর্ম
    • ইসলাম
    • কোরআন
    • হাদিস
    • ডায়েরি
    • জীবনী
  • সাহিত্য
    • গল্প
    • রচনা
    • প্রবন্ধ
    • রম্য রচনা
    • সামাজিক
  • পরিবেশ
    • উদ্ভিদ জগত
    • প্রাণী জগত
    • ভেষজ হার্বাল
    • জলবায়ু
  • শিক্ষা
    • প্রাতিষ্ঠানিক
    • মৌলিক
    • ইতিহাস
    • বিজ্ঞান
    • ভ্রমণ
    • শিশু-কিশোর
  • বিবিধ
    • ঘরে-বাইরে
    • জীবন বৈচিত্র্য
    • প্রতিবেদন
    • রাজনীতি
    • তথ্যকণিকা
  • লেখক পরিচিতি
No Result
View All Result
নজরুল ইসলাম টিপু
  • মুলপাতা
  • ধর্ম
    • ইসলাম
    • কোরআন
    • হাদিস
    • ডায়েরি
    • জীবনী
  • সাহিত্য
    • গল্প
    • রচনা
    • প্রবন্ধ
    • রম্য রচনা
    • সামাজিক
  • পরিবেশ
    • উদ্ভিদ জগত
    • প্রাণী জগত
    • ভেষজ হার্বাল
    • জলবায়ু
  • শিক্ষা
    • প্রাতিষ্ঠানিক
    • মৌলিক
    • ইতিহাস
    • বিজ্ঞান
    • ভ্রমণ
    • শিশু-কিশোর
  • বিবিধ
    • ঘরে-বাইরে
    • জীবন বৈচিত্র্য
    • প্রতিবেদন
    • রাজনীতি
    • তথ্যকণিকা
  • লেখক পরিচিতি
No Result
View All Result
নজরুল ইসলাম টিপু
No Result
View All Result

কারো সমস্যা দেখে উপকার করলে, অনেকই কৃতজ্ঞ-বদান্য ব্যক্তি হয়না

এপ্রিল ২৪, ২০১৯
in সামাজিক
1 min read
0
শেয়ার করুন
        
সমস্যা জর্জরিত কারো করুণ পরিস্থিতি দেখে এবং সে ব্যক্তিকে হাত পাতার আগেই, অনেকে উপকার করে। এই চরিত্রটা মানুষকে মহানুভবতা প্রদান করে। আল্লাহ মানুষের এই গুনকে খুবই পছন্দ করে। সৃষ্টি-জগতের মধ্যে একমাত্র মানুষ ও জ্বীনের কিছুমাত্র ব্যক্তি ছাড়া আর কেউ এ কাজের জন্য কৃতজ্ঞতা স্বীকার  করেনা।
কোন কারণে তার জন্য যা করা হয়েছে তার কোন দৃষ্টান্ত দিলে উল্টো বলে দেবে, উপকার করেছেন কেন? আমি কি দাবী করেছিলাম নাকি যে,  আমার জন্য উপকার করেন? এই ধরনের প্রতি উত্তরে যিনি উপকার করেন, তিনি খুবই আঘাত প্রাপ্ত হন। কখনও নিজেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন যে, বাকী জীবনে আর কারো উপকার করব না!
 
ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখা যায়, স্বয়ং আল্লাহ তাঁর এই গুণাবলীর পরিপূর্ণতা দিয়েই মহাবিশ্ব পরিচালনা করেন। মানুষ তার নিজের প্রয়োজনীয়তাকে উপস্থাপন করার আগেই, তাদের প্রয়োজন অনুপাতে পানি, অক্সিজেন, বৃষ্টি, খাদ্য, বাতাস, আর্দ্রতা, সহনীয় উষ্ণতা, পরিমিত আবহাওয়া সহ যাবতীয় সবই দান করেন। এটাই আল্লাহর অনুপম দয়া।
কেউ এই উপকারের জন্য আল্লাহর বদান্যতা ও কৃতজ্ঞতা স্বীকার করুক বা নাই করুক, আল্লাহ তার সকল সৃষ্টির জন্যই এই অফুরন্ত দয়া দেখিয়ে যান। আল্লাহর এই গুণাবলীকেই ‘রব’ তথা রাব্বুল আলামীনের অসীম দয়া হিসেবে পরিগণিত হয়।
 
তাই বলে কি গায়ে পড়ে উপকার করা বন্ধ করতে হবে? কখনই নয়! এই ধরনের উপকারে আল্লাহ যে পরিমাণ খুশী হয়,শয়তান ততোধিক পরিমাণে পেরেশান হয়। ফলে শয়তান তার চিরাচরিত পন্থায় খেলতে থাকে।
যিনি উপকার পেয়েছেন তার দ্বারা উপকারের কথা অস্বীকার করা, অবজ্ঞা-তাচ্ছিল্য করা, এমনকি কটূক্তির মোকাবেলাও করতে হতে পারে। এ কারণে উপকারী ব্যক্তি হৃদয়ে বড় ব্যথা পায়। তখন তিনি উত্তেজিত হয়ে দুটো কাজ করে ফেলতে পারেন! 
 
  • এক, হয়ত উপকার নেওয়া মানুষটির চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে তাকে অপমান করবে। 
  • দুই, গোস্বা করে ওয়াদা করতে পারে যে, ভবিষ্যতে আর কোনদিন উপকারের কাজ করবে না।
 
দুটোর যেকোনো একটিই হউক শয়তান তা ঘটাতে চায়, যেটিই ঘটুক সে খুশিতে লাফাতে থাকে। কেননা মানুষটি পথভ্রষ্ট হল, আল্লাহ পবিত্র কোরআনে বলেছেন, “উপকার বা দানের কথা মনে করিয়ে খোটা দিয়ে এবং কষ্ট দিয়ে তোমাদের দানকে বরবাদ করে দিয়ো না”  আল বাক্বারাহ।
সুতরাং খোঁটা দিলে দান বরবাদ হয়, আবার আর কারো উপকার না করার সিদ্ধান্ত নিলে কাজটি ওখানেই থেমে দাড়ায়।  এভাবে শয়তান শোধ নেয়!
 
আল্লাহ বলেছেন, “আমি পরীক্ষা ব্যতিরেকে, এমনিতেই কাউকে জান্নাত দিয়ে দিব না” আল বাকারাহ। কোন মানুষ জানেনা যে, তার পরীক্ষার ধরন কেমন হতে পারে? কিন্তু শয়তান ঠিকই জানে কোনটি মুল পরীক্ষা।
নরম হৃদয়ের অধিকারী, উপকারী মানুষের জন্য, উপকারকে অস্বীকার করাটাই হল এক ধরনের পরীক্ষা। এটা কঠিন পরীক্ষা। সতর্ক না হলে, এই পরীক্ষায় পাশ করা খুবই দূরহ। কাউকে উপকার করলে, যেন হৃদয়ে এই চিন্তা থাকে যে, নিতান্ত আল্লাহকে খুশী করার জন্যই কারো উপকার করা হয়েছে।
উপকার পাওয়া ব্যক্তি ভবিষ্যতে কখনও সচ্ছল হয়ে বদান্যতা দেখাল, নাকি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করল, তার জন্য তোয়াক্কা না করা। ভবিষ্যতে সে কোন একদিন তার শত্রু হয়েও উঠতে পারে। তাই চিন্তায় দৃঢ়তা থাকা দরকার, এই ধরনের পরিস্থিতিতেও যেন, উপকারের উদাহরণ না টানা হয়।
উপকারীর উপকার স্বীকার না করা মানুষের স্বভাবজাত খাসিয়ত। যে আল্লাহ মানুষকে এত ক্ষমতা, এত সুবিধা দিয়েছেন, তারা সেই আল্লাহর উপকার সম্পর্কে বে-খবর। সেখানে একজন মানুষের উপকারের কথা ভুলে যাবে এটা তো আরও সাধারণ কথা!
আর অকৃতজ্ঞ মানুষের কথা বলেছেন? না তারা জান্নাতে যাবে না এবং দুনিয়াতে যতদিন বেঁচে থাকবে, ততদিন অন্যের দয়া দাক্ষিণ্যের উপর ভর করেই চলতে থাকবে। দুনিয়ার জীবনে ক্ষুদ্র একটি শখ পূরণ করাও তাদের পক্ষে দুষ্কর হয়।
Previous Post

রম্য চিঠি – পীর বাবার দরবারে

Next Post

পরনির্ভর ব্যক্তি স্বাবলম্বী হয়না অধিকন্তু অকৃতজ্ঞ হয়

Discussion about this post

নতুন লেখা

  • জ্বালানী তেল যেভাবে তৈরি হয়
  • শাহ পদবীটা বিরাট অদ্ভুত
  • তীর তথা ক্ষেপণাস্ত্র শক্তিতে বলিয়ান হতে স্বয়ং রাসুল (সাঃ) নির্দেশ দিয়েছেন।
  • তসবিহ দানা বৃত্তান্ত!
  • হাজী ইমদাদুল্লাহ মুহাজিরে মক্কী দেওবন্দি ও বেরেলভী আকিদার সূত্রপাত

এই সপ্তাহের জনপ্রিয় লেখা

No Content Available

নজরুল ইসলাম টিপু

লেখক পরিচিতি । গাছের ছায়া । DraftingCare

Facebook Twitter Linkedin
© 2020 Nazrul Islam Tipu. Developed by Al-Mamun.
No Result
View All Result
  • মুলপাতা
  • ধর্ম
    • ইসলাম
    • কোরআন
    • হাদিস
    • ডায়েরি
    • জীবনী
  • সাহিত্য
    • গল্প
    • রচনা
    • প্রবন্ধ
    • রম্য রচনা
    • সামাজিক
  • পরিবেশ
    • উদ্ভিদ জগত
    • প্রাণী জগত
    • ভেষজ হার্বাল
    • জলবায়ু
  • শিক্ষা
    • প্রাতিষ্ঠানিক
    • মৌলিক
    • ইতিহাস
    • বিজ্ঞান
    • ভ্রমণ
    • শিশু-কিশোর
  • বিবিধ
    • ঘরে-বাইরে
    • জীবন বৈচিত্র্য
    • প্রতিবেদন
    • রাজনীতি
    • তথ্যকণিকা
  • লেখক পরিচিতি

© 2020 Nazrul Islam Tipu. Developed by Al-Mamun.