
ছবিটি ফেসবুকে ছড়িয়ে আছে। সাদা বকের গলা দেখতে চিকন লাগলেও বড় মাছ সে অনায়াসে গিলতে পারে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে যে, বকটি একটি সামুদ্রিক ‘কুইচ্ছা’ তথা ইংরেজিতে EEL খেয়ে নিয়েছে। সেটি তার পেট ও গলার ধারণ ক্ষমতার চেয়ে বড়। ছবির ভিতরে কি ভুল
ফলে বকের উড়ন্ত অবস্থায় জীবন্ত কুইচ্ছা তার গলা ফুঁড়ে বের হয়ে আসছে। ফেসবুকে এভাবেই দাবী করা হয়েছে। এভাবে আরো বহু এডিট করা ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই মন্তব্য করছেন এবং অন্ধভাবে শেয়ার দিচ্ছেন। কিন্তু কথা হল, ছবির ভিতরে কি ভুল আছে ?
যিনি ছবি বানিয়েছেন, তিনি একটি বিরাট ভুল করেছেন। যার দ্বারা প্রমাণিত হয় ছবিটি ভুল! বলতে হবে সে ভুলটি কি?
আরো পড়ুন…
- অলস মানুষ লজ্জাহীন ও সমাজের বোঝা
- Lithops জীবন্ত পাথরের কথা
- আল্লাহর সৃষ্টির বিরল নিপুণতা
আপনাদের উত্তর
অনেকে উত্তর দেবার জন্য চেষ্টা করেছেন, আপনাদের সবাইকে অনেক ধন্যবাদ। মাত্র দু’জন সঠিক উত্তরের কাছাকাছি তথ্য তুলে ধরতে পেরেছেন।
বস্তুত, আমরা নিজেদের চারিদিকে নানা পাখি দেখে থাকি। তাদের মধ্যে হাস-মুরগীও আছে। কিন্তু তাদের খাদ্য পদ্ধতি হয়ত অতটুকু খেয়াল করে দেখিনি। তাই প্রকৃত ভুলটা অনেকে ধরতে ব্যর্থ হয়েছে। ছবির ভিতরে কি ভুল
পাখিরা প্রাণী গিলার ক্ষেত্রে প্রথমে মাথা গিলে। লেজের প্রান্ত দিয়ে গিলে না। তারা জানে লেজ দিয়ে গিলতে গেলে কাটা আটকে বিপদ হতে পারে। এমন কি প্রাণীটি মরে গেলেও। তাই যতই খিদে লাগুক প্রাণীটিকে প্রয়োজন মত দুর্বল করে আগে মাথা গিলে এতে করে আহত প্রাণী যত নড়াচড়া করবে সে তত ভিতরে চলে যাবে। ছবির ভিতরে কি ভুল
ছবির কুইচ্চা প্রাণীটিকে দেখানোর সময় মাথা নিচের দিকে দেখানো হয়েছে মানে বক সেটিকে লেজ দিয়ে গিলেছে। বক প্রয়োজনে উপোষ থাকবে, তারপরও এই ভুল করবে না। তাছাড়া প্রাণীটির মাথা আহত করা হয়নি। বক সাধারণত আহত করেই খায়। এমন কি ব্যাঙের মত নিরীহ প্রাণী খাওয়ার ক্ষেত্রেও।

Discussion about this post