Tipu vai
  • মুলপাতা
  • ধর্ম
    • ইসলাম
    • কোরআন
    • হাদিস
    • ডায়েরি
    • জীবনী
  • সাহিত্য
    • গল্প
    • রচনা
    • প্রবন্ধ
    • রম্য রচনা
    • সামাজিক
  • পরিবেশ
    • উদ্ভিদ জগত
    • প্রাণী জগত
    • ভেষজ হার্বাল
    • জলবায়ু
  • শিক্ষা
    • প্রাতিষ্ঠানিক
    • মৌলিক
    • ইতিহাস
    • বিজ্ঞান
    • ভ্রমণ
    • শিশু-কিশোর
  • বিবিধ
    • ঘরে-বাইরে
    • জীবন বৈচিত্র্য
    • প্রতিবেদন
    • রাজনীতি
    • তথ্যকণিকা
  • লেখক পরিচিতি
No Result
View All Result
নজরুল ইসলাম টিপু
  • মুলপাতা
  • ধর্ম
    • ইসলাম
    • কোরআন
    • হাদিস
    • ডায়েরি
    • জীবনী
  • সাহিত্য
    • গল্প
    • রচনা
    • প্রবন্ধ
    • রম্য রচনা
    • সামাজিক
  • পরিবেশ
    • উদ্ভিদ জগত
    • প্রাণী জগত
    • ভেষজ হার্বাল
    • জলবায়ু
  • শিক্ষা
    • প্রাতিষ্ঠানিক
    • মৌলিক
    • ইতিহাস
    • বিজ্ঞান
    • ভ্রমণ
    • শিশু-কিশোর
  • বিবিধ
    • ঘরে-বাইরে
    • জীবন বৈচিত্র্য
    • প্রতিবেদন
    • রাজনীতি
    • তথ্যকণিকা
  • লেখক পরিচিতি
No Result
View All Result
নজরুল ইসলাম টিপু
No Result
View All Result

নববর্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রার মতলব ও সাতকাহন

এপ্রিল ১৫, ২০১৭
in সামাজিক
1 min read
0

বাংলা নববর্ষে রমনার অশ্বত্থ গাছকে বট গাছ বানিয়ে, সেটার মূলে ছায়ানট যে অনুষ্ঠান করে আসছে, পাকিস্তান আমলে সেটাকে ইসলাম বহির্ভূত কাজ বলে বন্ধ রাখা হয়েছিল। (এটার যে বাস্তব ভিত্তি আছে আজ তা প্রমাণিত) এসব অনুষ্ঠানের মূল কারিগর ছিল বামপন্থি ও রাম-পন্থিরা। ঘট পূজা ও গণেশ পূজার আদলে, বটের মূলে পূজার আসন বসিয়ে (যদিও সেটা অশ্বত্থের মূল, পূজার জন্য বটের মূল বাঞ্ছনীয়) হিন্দুদের চালু করা নতুন বাদ্য পূজা, ছায়ানটের নামে ১৯৬৭ সাল থেকে চালু হয়ে এখন, সেটা ইসলাম ও মুসলমানদের কষে গালি দেবার অনুষ্ঠানে পরিণত হয়েছে!

বর্তমানে ছায়ানট সরাসরি ইসলামের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। বৈশাখের অনুষ্ঠান কিংবা ছায়ানটের অনুষ্ঠান নিয়ে মুসলমানদের তেমন আক্রমণাত্মক আচরণ না থাকলেও, এখানে যারা বক্তব্য রাখেন তারা সাম্প্রদায়িক শক্তির বিপক্ষে কথা সুকৌশলে গালি দেবার ছুতো দিয়ে ইসলাম ও ইসলামী সংস্কৃতিকেই আক্রমণ করে। বিগত কয়েকবছর তো, কাউকে সাম্প্রদায়িকতা দমনের কথা বলে, নিজেরাই চরম সাম্প্রদায়িক আচরণ করছেন!

১৯৮৮ সালের বাংলা নববর্ষে কিছু যুবক রমনা পার্কে এক ব্যতিক্রম ধর্মী নববর্ষ পালনের চিন্তা করে। তারা বাংলাদেশের লোকজ সংস্কৃতি, ললিত কলা, কৃষ্টি তুলে ধরার জন্য; কবিতা, পুঁথি, জারি-সারি, ভাওয়াইয়া ও পল্লী গীতির এক বিরাট অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। ছায়ানটের নাচ-গানের চেয়ে কৌতূহলী মানুষের আকর্ষণ ছিল এই নতুন অনুষ্ঠানটির প্রতি। চিত্তাকর্ষক ও দর্শক নন্দিত এই অনুষ্ঠানটি কারা আয়োজন করেছে, মুহূর্তেই ভিতরে ভিতরে সন্ধান শুরু হয়ে যায়।

এরশাদের গোয়েন্দা সংস্থা সহসাই তাদের পরিচিতি উদ্ধার করে ফেলে এবং হঠাৎ সিদ্ধান্তে পুলিশের বেধড়ক লাটি পিটুনিতে রমনার অনুষ্ঠান পণ্ড হয়। ছাত্রশিবির তাদের পরিচয় লুকিয়ে, এভাবে রমনার আড্ডা দখলে নিয়েছিল। এরশাদের বিরুদ্ধে যুগপৎ আন্দোলন রত ২২ দলীয় মোর্চা (আওয়ামী মোর্চার ১৫ দল ও বিএনপির ৭ দল) ছাত্র সংগঠন গুলো দিক পরিবর্তন করে শিবিরের বিরুদ্ধে জোট হয়ে যায়। সংগ্রাম পরিষদ ঘোষণা করে, তারা প্রয়োজনে শিবিরকে সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে সহ্য করবে কিন্তু সংস্কৃতির এই পরি-মণ্ডলে তাদের বরদাশত করবে না।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইউনিট বাঁশ-বেতের তৈরি উপাদান দিয়ে দেশীয় কৃষ্টি তুলে ধরছিল। লক্ষ্য ছিল বাংলার জীবন এবং আবহমান বাংলাকে ফুটিয়ে তোলা। রমনা থেকে শিবির খেদানোর পরের বছর, ১৯৮৯ সাল থেকে এই ইউনিটি দেশীয় তৈজস পত্র দিয়ে, পেঁচা, মানুষের বীভৎস চেহারার (লক্ষ্য কিন্তু ইসলাম) মুখোশ দিয়ে মঙ্গল শোভাযাত্রার অনুষ্ঠান চালু করে। মঙ্গল শোভাযাত্রা হিন্দুদেরই অনুষ্ঠান, যেটা ১৯৮৯ সাল থেকে ধীরে ধীরে শুরু করে। বর্তমানে সাম্প্রদায়িকতা উচ্ছেদ ও রাজাকারের চৌদ্দ গোষ্ঠী উদ্ধারের কথার আড়ালে ইসলাম ও ইসলামী মূল্যবোধ কে হেয়, তামাসা, ঠাট্টা মশকরার জাতিয় অনুষ্ঠানে পরিণত করেছে।

আমাদের সরকার সাম্প্রদায়িকতা বন্ধের কথা বলে, জঙ্গি দমনের কথা বলে। এসব মূলত ইসলাম ধর্মের দিকেই অঙ্গুলি তুলে বলা হয়। কিন্তু এসব অনুষ্ঠানে জাতীয় নেতারা এমন কথা বলে বসেন যেগুলোর সাথে বাংলাদেশ, কৃষ্টি, সংস্কৃতির কোন সম্পর্কই থাকেনা। এসব কথার দ্বারা মুসলমানদের মূল্যবোধ আক্রান্ত হয়, তাতে কেউ কেউ ক্ষিপ্ত হতেই পার, মানুষ ধরে নেই এই সরকারটিই ধর্ম বিদ্বেষী। মূলত সাম্প্রদায়িকতার উপাদান এসব নেতাদের মাধ্যমেই সমাজে বাড়ছে। তাই এখনও সময় আছে, এসবের রসি টেনে ধরবার।

আমাদের প্রেসিডেন্ট শাহাবুদ্দীন আহমেদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি বক্তৃতায় বলেছিলেন, ‘বেশী বেশী লেখা পড়া করা দরকার রাজনীতিবিদ দের। কিন্তু আমাদের রাজনীতিবিদেরা লেখা পড়ার বদলে পলিটিক্সকেই বেশী প্রাধান্য দেয়। যার ফলে রাজনীতিবিদদের চিন্তা ও বুদ্ধিবৃত্তিক মান দিন দিন নিম্নমুখী হচ্ছে তাদের মুখ ও চিন্তা থেকে জাতি গড়ার বাস্তব কোন উপাদান রাষ্ট্র পাচ্ছে না’।

তাই আসুন, ইতিহাসের বিচার করি বিশ্লেষণ করি, জাতিকে স্বীয় হাঁড়ের উপর দাঁড় করাতে নিরেট নিজেদের জাতিয় বিষয়গুলোকে সযন্তে বাছাই করি। নতুবা ধান্ধা-বাজ সুশীল, মতলবি ব্যবসায়ী থেকে আমাদেরকে ইতিহাস শিখতে হবে এবং কারো কু-সংস্কারকে নিজেদের সংস্কৃতি বলে দাবী করে, মহামান্য প্রেসিডেন্ট সাহাবুদ্দীন আহমদের কথাকেই বাস্তব করে ছাড়ব।

Previous Post

বাংলা নববর্ষে মুসলমানদের অবদান

Next Post

ইসলামে মতবাদ ও ফেরকা

Discussion about this post

নতুন লেখা

  • জ্বালানী তেল যেভাবে তৈরি হয়
  • শাহ পদবীটা বিরাট অদ্ভুত
  • তীর তথা ক্ষেপণাস্ত্র শক্তিতে বলিয়ান হতে স্বয়ং রাসুল (সাঃ) নির্দেশ দিয়েছেন।
  • তসবিহ দানা বৃত্তান্ত!
  • হাজী ইমদাদুল্লাহ মুহাজিরে মক্কী দেওবন্দি ও বেরেলভী আকিদার সূত্রপাত

এই সপ্তাহের জনপ্রিয় লেখা

No Content Available

নজরুল ইসলাম টিপু

লেখক পরিচিতি । গাছের ছায়া । DraftingCare

Facebook Twitter Linkedin
© 2020 Nazrul Islam Tipu. Developed by Al-Mamun.
No Result
View All Result
  • মুলপাতা
  • ধর্ম
    • ইসলাম
    • কোরআন
    • হাদিস
    • ডায়েরি
    • জীবনী
  • সাহিত্য
    • গল্প
    • রচনা
    • প্রবন্ধ
    • রম্য রচনা
    • সামাজিক
  • পরিবেশ
    • উদ্ভিদ জগত
    • প্রাণী জগত
    • ভেষজ হার্বাল
    • জলবায়ু
  • শিক্ষা
    • প্রাতিষ্ঠানিক
    • মৌলিক
    • ইতিহাস
    • বিজ্ঞান
    • ভ্রমণ
    • শিশু-কিশোর
  • বিবিধ
    • ঘরে-বাইরে
    • জীবন বৈচিত্র্য
    • প্রতিবেদন
    • রাজনীতি
    • তথ্যকণিকা
  • লেখক পরিচিতি

© 2020 Nazrul Islam Tipu. Developed by Al-Mamun.