লেখাপড়া করা নাস্তিকেরা নিজেদের চালাক হিসেবে ভাবতে শিখে। তবে হিন্দু যদি নাস্তিক হয় সে কিন্তু চিন্তায় হিন্দু থেকে যায়। খৃষ্টান ইহুদী নাস্তিকও একই। ওরা মুখে নাস্তিকতার বললেও তারা কিন্তু যে ধর্মে জন্ম নিয়েছিল সে ধর্মেরই প্রতিনিধিত্ব করে। আবার সে ধর্মের মানুষও সেই নাস্তিকের সৃষ্টি নিয়ে গৌরব বোধ করে।
যেমন কার্ল মাক্স নাস্তিক হলেও ইহুদীরা তাকে নিয়ে গৌরব করে, কেননা সে ইহুদী ধর্মে জন্মেছিল! মুসলমানের ক্ষেত্রে তার ভিন্নতা দেখা যায়। মুসলমানের ঘরে জন্ম গ্রহণ করে, নাস্তিকতায় বিশ্বাস করলে, সে দুনিয়ায় যত বড় খ্যাতিমান মানুষ হোক, চিরজীবন মুসলমানেরা তাকে ঘৃণা করে। পরিসর লম্বা হবে বলে উদাহরণ টানলাম না।
অর্থনৈতিক সুযোগ সুবিধা লাভ, ভাল চাকুরী, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ, নষ্টামীতে সুযোগ সুবিধা দান, নিজের অনৈতিক কাজ লুকানোর আশ্রয় হিসেবেই নতুন ব্যক্তিরা, নাস্তিকদের আশ্রয় গ্রহন করে! এসব অন্য ধর্মের মানুষও করে থাকে, তবে তাদের ধর্ম নাস্তিকতার বিরুদ্ধে তেমন কঠোর হয়না, যেমন হয় ইসলাম ধর্ম।
ফলে মুসলমানের ঘরে জন্ম নেওয়া নাস্তিকেরা বেশী প্রতিকুলতাম মুখে পড়ে তাই এসব নাস্তিক ইসলামের বিরুদ্ধে আগ্রাসী হয়ে উঠে। উপায় না থাকলে দাত দিয়ে ঠোঁট চেপে চুপ করে থাকে, সুযোগের অপেক্ষায় থাকে। সুযোগ আসলেই লুকায়িত আক্রোশ নিয়ে ইসলামী আকিদা বিশ্বাসে আঘাত হানে!
সে জন্য অন্য ধর্ম থেকে আগত নাস্তিকের চেয়ে মুসলমান থেকে সৃষ্ট নাস্তিক বেশী আগ্রাসী ও হঠকারী। বৈশয়িক স্বার্থ যোগ হলে তারা শয়তানের চেয়েও মারাত্মক হয়ে উঠে। গুপ্ত হত্যায় লিপ্ত হয় এবং শত্রুকে নির্মম কায়দায় দমন করতে উৎসাহ বোধ করে।
নাস্তিক শিক্ষিত হলে সে অনৈতিক কাজের বড় প্রতিভূ হয়ে যায়। পর্ণ ছবি তৈরী, মাদক সেবন সহ যত নোংরা নজির আছে, নাস্তিকেরা এসব কাজের উৎসাহ দাতা থাকে ক্ষেত্র বিশেষে তারা এগুলোর প্রতিষ্ঠাতা হয়। যে কোন ধর্ম জ্ঞান করা মানুষ এগুলো অপছন্দ করে। কিন্তু শিক্ষিত নাস্তিকের কারণে এসব সমাজের উপরের মহলে ছড়িয়ে পড়ে।
ফ্যাশন শো, সুন্দরী প্রতিযোগীতা এরাই করে থাকে। আবার সুন্দরীদের মেধাকে আরো তীক্ষ্ম করতে বান্দর বনের পাহাড়ে, জাফলংয়ের বনে, সেন্ট মার্টিনের বিশেষ বাংলোয়, হবু সুন্দরীদের আধুনিক হবার মন্ত্র পড়িয়ে উৎসাহ উদ্দীপনায় জোস তুলে রঙ্গীন তরল পানীয় খাইয়ে, মাতাল করে কতকিছু হয়ে যাবার ঘটনা আবার ক্যামরায় বন্দী করে, সময় সুযোগ মত সেই সব সুন্দরীদের ব্লাক মেইলিং করে নির্দেশ পালন করানো, নিজেদের গোপন ব্যবসার স্বার্থ-সিদ্ধি সব এই সব নাস্তিকদের অন্যতম দক্ষতা।
পৃথিবীর ইতিহাসে, নাস্তিকের হাতে অন্য ধর্মের মানুষ যতটা না ক্ষতিগ্রস্ত তার চেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে, মুসলমানেরা। সুতরাং নাস্তিক্য বাদ কে সাধারণ জ্ঞান করা মোটেও উচিত নয়।


Discussion about this post