বিয়ের নানা প্রস্তাব:
– ফাতিমার (রা) জন্য প্রথম বিয়ের পয়গাম পাঠান, সাইয়্যেদানা আবু বকর (রা)।
– তিনি তাঁর কন্যা রাসুল (সা) স্ত্রী আয়েশা (রা) কে মধ্যস্থতা কারি বানিয়েছিলেন।
– আয়েশা (রা) অনিচ্ছা স্বত্বেও, বিয়ের কথা রাসুল (সা) বলেন, তিনি কোন উত্তর দেন নি।
– ফাতিমার (রা) জন্য দ্বিতীয় বিয়ের পয়গাম পাঠান, সাইয়্যেদানা ওমর (রাঃ।
– তিনি তাঁর কন্যা রাসুল (সা) স্ত্রী হাফসা (রা) কে উকিল হিসেবে পাঠিয়েছিলেন।
– রাসুল (সা) হাফসা (রা) এর ওকালতিতেও কোন উত্তর দেন নি।
– এই ব্যাপারে রাসুল (সা) ওহী তথা আল্লাহর অভিপ্রায় জানতে অপেক্ষায় ছিলেন।
আলীর প্রস্তাব:
– অতঃপর আবুবকর ও ওমর (রা) মিলে আলী (রা) কে পরামর্শ দেন, তিনি যেন নিজের জন্য প্রস্তাব পাঠান।
– আলী (রা) বলেন, আমার জন্য তো রাসুলের (সা) ঘরে কোন মধ্যস্থতাকারী নেই।
– সাদ ইবনে জাবাল (রা) আলী (রা) কে বলেন, বরং আপনি নিজে গিয়ে সরাসরি প্রস্তাব দেন।
– পরামর্শ মত আলী (রা) সরাসরি রাসুল (সা) কাছে, ফাতিমার বিয়ের প্রস্তাব দেন।
– রাসুল (সা) আলীর মুখে কন্যার বিয়ের প্রস্তাব শুনে মারহাবা বলেন।
– এটি দ্বিতীয় হিজরির রমজান মাসের কথা, মতান্তরে শাওয়াল মাস।
– আল্লাহ ওহী নাজিল করে বলেন যে, ফাতিমাকে আলীর সাথেই বিয়ে দাও।
বিয়ে:
– জিলহজ্ব মাসে সাদ (রা) আলী (রা) প্রশ্ন করলেন, বিয়ের খবর কি? উত্তরে বললেন জানিনা!
– সাদ (রা) বললেন, আপনি আগামীকাল রাসুল (সা) প্রশ্ন করবেন,
– কখন আমার স্ত্রীকে আমার হাতে সোপর্দ করবেন?
– তিনি বললেন, এ জাতীয় কথা বলা আমার পক্ষে সম্ভব হবেনা।
– সাদ (রা) বললেন, আপনাকে নিজের কথা এভাবেই বলতে হবে, অতঃপর
– আলী (রা) রাসুল (সা) কাছে গিয়ে বললেন, স্ত্রীকে কখন তুলে দেওয়া হবে?
– রাসুল (সা) বললেন, ইনশায়াল্লাহ আজ রাতে।
বিয়ের আয়োজন:
– রাসুল (সা) আলী (রাঃ) কে জিজ্ঞাসা করলেন,
– মোহরানা হিসেবে দেওয়ার মত তোমার কাছে কি কিছু আছে?
– আলী (রা) উত্তরে জানালেন, আমার নিকট একটি ঘোড়া ও বদর যুদ্ধে গনিমত হিসেবে পাওয়া একটি বর্ম আছে।
– তাহলে ঘোড়াটি নিজের জন্য রেখে, বর্মটি বিয়ের মোহরানা হিসেবে ব্যবহার করো।
– ফাতিমার (রা) বড় বোনের স্বামী ছিলেন ওসমান (রা)।
– তিনি ৪৮০ দেরহামের বিনিময়ে প্রকৃত মূল্যের চেয়েও অনেক বেশী দামে বর্মটি কিনে নিলেন।
– ওসমান (রা) চাচ্ছিলেন আলী ও ফাতিমা (রা) বিয়েটা সুন্দরভাবে সমাধা হউক।
– তিনি ভিন্ন পদ্ধতিতে ভূমিকা রাখলেন। ফাতিমাতুয যাহরা (রা) চমকপ্রদ ডাইরী
বিয়ের আয়োজন:
– ৪৮০ দেরহামে বর্মটি বিক্রি করে, আলী (রা) মুদ্রাগুলো রাসূল (সা) কোলে দিলেন।
– নবীজি এক মুষ্টি দেরহাম বেলাল (রা) দিয়ে বললেন, এগুলো দিয়ে সুগন্ধি কিনে আন।
– তিন মুষ্টি দেরহাম উম্মে আইমনকে দিয়ে বললেন, এক মুষ্টি দিয়ে সুগন্ধি, বাকি গুলো দিয়ে প্রসাধনী কিনে আনাও।
ওলীমা:
– রাসুল (সা) আলীকে বললেন, বরকে তো ওলীমা করতে হয়। ফাতিমাতুয য– – আলী (রা) তিনি উত্তর দেবার আগেই; সাদ (রা) বললেন,
– আমার একটি ভেড়া আছে, আনসারদের নিকট থেকে ভুট্টা জমা করে ওলীমা আয়োজন করা হবে।
– অন্যত্র বলা আছে, রাসুল (সা) বেলাল (রা) দিয়ে একটি বকরী ও যব দিয়ে সারীদ বানিয়েছিলেন।
– এই সারীদ দিয়ে পরিবার, আনসার ও মুহাজিরদের সবাইকে আপ্যায়ন করা হয়েছিল।
– উপস্থিত সাহাবীরা একমত, তাদের দৃষ্টিতে এমন বরকত ময় বিয়ে তারা অতীতে দেখে নাই।
– সে বিয়েতে যেন আসমান থেকে অনবরত রহমত বর্ষণ হতে থাকে।
নববধূকে পিতা স্বামীর হাতে তুলে দিলেন:
– আলী (রা) হাতে মেয়েকে তুলে দিয়ে বলেছিলেন, তোমরা ঘরে যাও, আমি না আসা পর্যন্ত স্বামী-স্ত্রী সুলভ কোন কাজ করবে না।
– রাত্রে রাসূল (সা) এসে পানিতে ফু দিয়ে তাদের দু’জনের গায়ে ছিটে দিয়েছিলেন।
– মেয়েকে কিছু ব্যক্তিগত উপদেশ দিলেন, সংসারে করণীয় সম্পর্কে জানালেন; এবং
– তাদের সবার ও অনাগত বংশধরদের জন্য বরকত, রহমতের জন্য দোয়া করেন।
– রাসুল (সা) এর প্রতি নব দম্পতির একটি প্রশ্ন ছিল, তাঁর কাছে দু’জনের কে বেশী প্রিয়?
– উত্তরে নবী (সা) বলেন, আমার কাছে আলীর চেয়ে ফাতিমা বেশী প্রিয় আর ফাতিমার চেয়ে আলী বেশী সম্মানিত।
বিয়ের উপহার:
– বিয়েতে রাসূল (সা) জামাতা আলী (রা) কিছু উপহার দিয়েছিলেন, সে গুলো ছিল;
– একটি লেপ, গাছের আঁশ ভর্তি একটি বালিশ, দুটি চাক্কি (গম পিষার যাঁতা)
– একটি মশক, দুটি মাটির কলস, একটি পেয়ালা।
– অন্য উদ্ধৃতি আছে, একটি খাটও বিয়ের উপহারের মধ্যে ছিল।
– বিয়ের পরে তাদের ঘরে কিছুই ছিলনা এমন কি মেহমান আপ্যায়নের ব্যবস্থাও নয়।
– রাসুল (সা) কন্যার কাছে কিছু খেজুর পাঠিয়ে বললেন, এগুলো দিয়ে মেহমানদারি করো।
কন্যার প্রতি পিতার ভালবাসা:
– ফাতিমাকে (রা) রাসুল (সাঃ) হৃদয় উজাড় করে ভালবাসতেন।
– তিনি বলেছেন, যে ফাতিমাকে কষ্ট দেয়, সে যেন আমাকে কষ্ট দেয়।
– তিনি আরো বলেছেন, ফাতিমার কষ্টে আল্লাহও কষ্ট পান।
– রাসুল (সাঃ) সফরে গেলে, সবশেষে কন্যার সাথে দেখা করে বের হতেন।
– সফর থেকে ফিরে এলে মসজিদে দু’রাকাত নামাজ পড়ে প্রথমে কন্যার সাথে দেখা করতেন।
ফাতিমা (রা) জীবনাচরণ:
– ফাতিমার (রা) কাজ-কর্ম, কথা বলার ঢঙ, চলার ভঙ্গি সবই পিতার সাদৃশ্য ছিল।
– ফাতিমা (রা) মা খাদিজা (রা) আরবের শ্রেষ্ঠতম ধনীদের অন্যতম।
– তাঁর পিতা মুহাম্মদ (সাঃ) তদানীন্তন আরবে ইসলামকে প্রসিদ্ধ করেছিলেন।
– রাসুল (সাঃ) বলেন, আমাকে পৃথিবীর যাবতীয় ধন-সম্পদের চাবি দেওয়া হয়েছে।
– এই পরিবেশে বড় হয়েও, ফাতিমা (রাঃ) সংসার ও জীবন ছিল অভাব দিয়ে ঘেরা।
আলী (রা) সাহচর্য:
– আলী (রা) যথাসম্ভব চেষ্টা করতেন, ফাতিমাকে (রা) সাহায্য-সহযোগিতা করতে।
– ঘরে খাদ্য না থাকায় একদা আলী (রা) বনের কাঠ কেটে বাজারে বিক্রি করে, খাদ্য ক্রয় করেন।
– দুর্ভিক্ষের বছরে খাদ্যাভাবের কারণে, একদিন আলী (রা) তার দুই সন্তানকে কাঁধে নিয়ে পাশের একটি পরিত্যক্ত খেজুর বাগানের মাটিতে লেপটে থাকা খেজুর সংগ্রহ করে শিশুদের খাইয়েছেন।
– তার পরও ফাতিমা (রা) একটি মুহূর্তের জন্য আলী (রা) খোঁটা, কষ্ট কিংবা তাচ্ছিল্য করেনি।
সংসার জীবন:
– তাদের বড় সন্তান হাসান (রা) জন্মের পরে মহিলা সাহাবী উম্মে সুলাইম (রা) একদিন তাদের অবস্থা দেখতে গিয়েছিলেন
– তিনি দেখেন ফাতিমা (রা) একহাতে কোরআনের আয়াত মুখস্থ করছিলেন, অন্য হাতের আঙ্গুলে কাইয়ের দলা, এবং
– পায়ের আঙ্গুলের সাথে সুতলি বেঁধে দোলনায় ঘুমন্ত শিশুকে দোল দিচ্ছেন।
– তিনি ছিলেন অসম্ভব ধৈর্যশীল ও কষ্ট সহিঞ্চু; নিজের দুঃখের কথা কাউকে বলতেন না।
– আলী-ফাতিমা (রাঃ) একটি মখমলের মধ্যে ঢুকে রাত কাটাতেন, যেটা মাথায় টানলে পা বের হয়ে যেত, আর পা ঢাকলে মাথা খুলে যেত।
সংসারের চিত্র:
– তাঁদের ঘরের পাটাতন মসৃণ ছিলনা, বালির উপরেই বানানো একটি ঘর।
– সে ঘরে ভেড়ার একটি চামড়া ছিল, সেটার একপাশে শু’তেন অন্যপাশে আটার খামি মিশ্রণ করতেন। কখনও সেখানে বকরীকে খানা দিতেন।
– একদা দুর্ভিক্ষে অভাব নেমে আসে, কয়েকদিনের পেটের খিদেয় তাঁর চেহারায় পিত্ত ছড়িয়ে পড়েছিল। (বর্তমানে জণ্ডিস)
– রাসুল মেয়ের মাথা বুকে টেনে আল্লাহর কাছে দোয়া করেছিলেন, আল্লাহ আমার ফাতিমা যেন আর কোনদিন খিদের কষ্ট অনুভব না করে। মৃত্যু অবধি তিনি আর খিদের কষ্ট পান নাই।
– যাতায় গম ভাঙ্গা, দু’টি শিশু পুত্র পালন, কুয়া থেকে পানি উত্তোলন, পানি বহন সহ যাবতীয় কাজ নিজে হাতে করতেন।
সংসারে টানাপড়েন:
– একদা মদিনায় অনেক গুলো গোলাম আসে, খেদমতের মানুষের আশায় (কাজের বুয়া) বাবার কাছে গিয়েছিলেন একজন সাহায্যকারী মানুষ চাইতে।
– বাবা (সাঃ) অপারগতা দেখিয়ে মেয়েকে হাসি মুখে বিদায় দিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন,
– রাতে ৩৩ বার সোবহানাল্লাহ, ৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ, ৩৪ বার আল্লাহু আকবর পড়তে।
– তাহলে সকল কাজের সময় ফেরেশতা এসে সাহায্য করবে এতে করে কাজ হালকা মনে হবে অধিকন্তু সকল কাজও সমাধা হয়ে যাবে।
– বিনা বাক্য ব্যয়ে, কন্যা পিতার এই ধরনের উপদেশ বাণী মৃত্যু অবধি পালন করেছিলেন।
মর্যাদা:
– রাসুল (সাঃ) বলেছেন, ফাতিমা হবে জান্নাতের নারীদের ‘নেত্রী’।
– রাসুল (সা) অন্তিম সময়ে ফাতিমা (রা) কান্না করছিলেন।
– মৃত্যুশয্যাতেও রাসুল (সা) এর কাছে কন্যার কান্না সহ্য হচ্ছিল না
– তিনি তাকে কাছে ডেকে কানে কানে কি যেন বললেন,
– এতে করে হঠাতই তার কান্না বন্ধ হয়ে যায়।
– আয়েশা (রা) কৌতূহলী হয়ে প্রশ্ন করে জানতে পারলেন
– রাসুল (সা) সুসংবাদ দিয়েছেন যে, পিতার মৃত্যুর পরে কন্যার সাথে প্রথম দেখা হবে।
– রাসুল (সাঃ) ইন্তেকালের ঠিক ছয়মাস পরে ফাতিমা (রাঃ) ইন্তেকাল করেন।
স্বপ্নের ঘটনা:
– স্বপ্নের মাধ্যমে জানতে পেরেছিলেন হাতে গোনা কয়েক দিনের মধ্যেই তিনি দুনিয়া ত্যাগ করবেন।
– এই স্বপ্নের পরে স্বামী-স্ত্রী ও দুই সন্তান পুরো দিন কান্না করেছিলেন।
– ফাতিমা (রাঃ) স্বামীকে দিয়ে অমসৃণ মোটা কাপড় কাফনের জন্য আনিয়ে রেখেছিলেন।
– স্বামীকে ওয়াসিয়াত করেছিলেন, তার মৃত্যুর পরে কেউ যেন তাঁকে গোসল না করায়।
– কেননা এতে তাঁর শরীরের আকৃতি অনেকের কাছে দৃষ্টিগোচর হয়ে পড়বে।
– যে কাপড়ে মারা যাবেন সে কাপড়েই যেন তাঁকে লোকচক্ষুর অন্তরালে কবরস্থ করা হয়।
– এক রাত্রে তিনি স্বপ্নে দেখেন, রাসুল (সাঃ) ফাতিমার (রা) ঘরে ঢুকে কিছু তালাশ করে ফিরে যাচ্ছেন। সেটা ছিল রমজান মাস।
– তিনি বাবাকে বললেন, আপনি কি খোঁজ করছিলেন, বাবা?
– বাবা উত্তর দিলেন, মা, আমি তোমাকেই খুঁজে ফিরছি।
– আজকে তুমি আমার সাথে ইফতার করবে আর হাসান-হুসাইন ইফতার করবে আলীর সাথে।
শেষ দিনলিপি:
– ফাতিমা (রা) অসুস্থতা বোধ করতে লাগলেন
– তিনি ভাল করে গোসল সেরে নিয়ে নতুন কাপড় পড়ে নিলেন।
– আলী (রাঃ) কোন এক কাজে বাহিরে ছিলেন।
– তাঁকে দেখতে আসা মহিলা সাহাবীকে বললেন,
– উম্মাহ! খাটিয়াটিকে উঠানের মাঝখানে এনে রাখ এবং বললেন,
– কিছুক্ষণ পরেই আমি মারা যাব, আলী ঘরে আসলে আমার মৃত্যুর কথা জানাবে।
– অতঃপর ডান হাত গালের নিচে রেখে, ডান কাতে কেবলা মুখী হয়ে শুয়ে পড়লেন।
– মাগরিবের একটু আগে একাকী, নীরবে, নিভৃতে একক প্রস্তুতিতে তিনি মহান আল্লাহর সান্নিধ্যে চলে গেলেন।
দাফনের ঘটনা:
– তিন মিনিটের দূরত্বের জান্নাতুল বাকি কবরস্থানে তাঁকে রাতের অন্ধকারে সমাহিত করা হয়।
– হাতে গোনা কয়েকজন মানুষের উপস্থিতিতে তাঁর নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
– তার মৃত্যুর খবর প্রচার করা হয়নি এবং আলী, হাসান, হোছাইন ও আবু জর গিফারী (রা) তার লাশের খাটিয়া বহন করেন।
আল্লাহর প্রতি ভালবাসা:
– তিনি সারা জীবনভর মহান আল্লাহকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন মৃত্যু শয্যাতেও আল্লাহর সান্নিধ্যে চেয়েছেন।
– এবং লোকচক্ষুর অন্তরালে থেকে এমন কি স্বামী-সন্তানদের পর্যন্ত বিরক্ত না করে দুনিয়াদারীকে পিছনে ফেলে মহান প্রভুর সান্নিধ্যকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন।
পরিশেষ সুপ্রিয় পাঠক, এটি একটি ডাইরি, অগণিত হাদিসের সার সংক্ষেপ মাত্র। বুঝতেই পারছেন হাদিস উল্লেখ করতে গেলে কত লম্বা হত। ফলে অনেক হাদিস থেকে মাত্র মূল কথাগুলো নিয়ে ডাইরিটি সাজানো হয়েছে। কিছু ঘটনার আবার ভিন্নমতও আছে। ভিন্নমত যোগ করতে গেলে পাঠকের ডাইরি পড়ায় বিভ্রান্তি আসতে পারে; অর্থাৎ ছন্দ হারিয়ে ফেলবে। সংক্ষিপ্ত করার জন্যই এই নিয়ম অনুসরণ করলাম। আমার দুর্বলতাকে আল্লাহর নিকট সোপর্দ করছি। আমীন।


Discussion about this post