বিভিন্ন ধর্মে নারী জাতীর অবস্থা : প্রাচীন আরবে নারী

টিপুভাই ডট কম ব্লগের ছবি, নজরুল ইসলা টিপু - tipuvai.com

প্রাচীন আরবে না নারীর কোন অধিকার স্বীকৃত ছিলনা। বাজারে গরু-ছাগলের মত তাদের বিক্রি, বদলা, হস্তান্তর, অস্থায়ী ভোগের জন্য হাত বদল করা হত! পিতা মারা গেলে, পিতার সম্পত্তির মত মাকেও ভাগ করে নেওয়া হত। সৎ মা, সৎ বোনদের মত কাছের ব্যক্তিদের পর্যন্ত বাজারে বিক্রি করে দিত নয়ত পতিতালয়ে ভাড়ায় খাটাত।

নারী আসবাব পত্রের মত সর্বদা স্বামীর অধিকারে থাকত। নিজের স্ত্রী কে বেশী টাকার জন্য ভাড়ায় পাঠানো হত। জায়গা, সম্পত্তি, উট, ঘোড়াকে লাভজনক সম্পদ মনে করে এসবের সাথে যে ধরনের ব্যবহার করা হত,  নারীদেরকেও সেভাবে ব্যবসায়িক পণ্যের মত চিন্তা করে, তাদের সাথেও অনুরূপ ব্যবহার করা হত।

 

অন্যদিকে, স্বামীর ঘরে গেলে নিজ কন্যাদের প্রতি এধরনের অভদ্র আচরণ, স্বামী দ্বারা কন্যার কষ্টের কথা চিন্তা করে, কন্যাকে শিশুকালেই হত্যা করা হত। কন্যা বেঁচে থাকলে, তার কারণে পিতারা কলঙ্কিত ও অপমানিত হবার ভয়ে, নিজ কন্যাকে জীবন্ত কবর দিত! কাউকে গর্তে শুইয়ে কিংবা বেঁধে বিরাট আকৃতির পাথর নিয়ে কন্যার মাথা বরাবর মেরে দিত। তদানীন্তন সমাজে প্রতিটি কন্যার পিতাই ছিল এক একজন সাক্ষাৎ যমদূত ও জল্লাদ তুল্য। কন্যা মানেই ছিল কলঙ্ক আর অপমান; কন্যা মানেই দুঃখ-বেদনা হাজারো গ্লানির বোঝা নেওয়া। তখনকার সমাজে একটি দুব্বার যে বাজার দর ছিল একজন বালিকার সে মূল্য ছিলনা!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *