Tipu vai
  • মুলপাতা
  • ধর্ম
    • ইসলাম
    • কোরআন
    • হাদিস
    • ডায়েরি
    • জীবনী
  • সাহিত্য
    • গল্প
    • রচনা
    • প্রবন্ধ
    • রম্য রচনা
    • সামাজিক
  • পরিবেশ
    • উদ্ভিদ জগত
    • প্রাণী জগত
    • ভেষজ হার্বাল
    • জলবায়ু
  • শিক্ষা
    • প্রাতিষ্ঠানিক
    • মৌলিক
    • ইতিহাস
    • বিজ্ঞান
    • ভ্রমণ
    • শিশু-কিশোর
  • বিবিধ
    • ঘরে-বাইরে
    • জীবন বৈচিত্র্য
    • প্রতিবেদন
    • রাজনীতি
    • তথ্যকণিকা
  • লেখক পরিচিতি
No Result
View All Result
নজরুল ইসলাম টিপু
  • মুলপাতা
  • ধর্ম
    • ইসলাম
    • কোরআন
    • হাদিস
    • ডায়েরি
    • জীবনী
  • সাহিত্য
    • গল্প
    • রচনা
    • প্রবন্ধ
    • রম্য রচনা
    • সামাজিক
  • পরিবেশ
    • উদ্ভিদ জগত
    • প্রাণী জগত
    • ভেষজ হার্বাল
    • জলবায়ু
  • শিক্ষা
    • প্রাতিষ্ঠানিক
    • মৌলিক
    • ইতিহাস
    • বিজ্ঞান
    • ভ্রমণ
    • শিশু-কিশোর
  • বিবিধ
    • ঘরে-বাইরে
    • জীবন বৈচিত্র্য
    • প্রতিবেদন
    • রাজনীতি
    • তথ্যকণিকা
  • লেখক পরিচিতি
No Result
View All Result
নজরুল ইসলাম টিপু
No Result
View All Result

রাসুল (সা) মাটির তৈরি মানুষ, অপবাদ, অপমান না সম্মান?

জুন ১১, ২০২০
in ইসলাম
2 min read
0
শেয়ার করুন
        

কেউ যদি প্রশ্ন করে মানুষের সৌন্দর্য-গুরুত্ব বেশী না ময়ূরের সৌন্দর্য-গুরুত্ব বেশী? অবশ্যই এ জাতীয় প্রশ্নকে উদ্ভট ও অপ্রকৃতস্থ বুদ্ধি-বিবেচনার ফল বলা হবে। রাসুল (সা) মাটির তৈরি মানুষ

কেননা মানুষের সৌন্দর্য বিবেচনা করতে হবে, সবচেয়ে সুন্দর মানুষটির সাথে এবং ময়ূরের বিবেচনা তার স্বজাতি দিয়ে। মানুষের জন্ম মাটি থেকে। তাই মানুষের সাথে কাউকে বিবেচনা করতে হলে মাটির তৈরি আরেকটি উত্তম মানুষের সাথে তুলনা করতে হবে।

রাসুলুল্লাহ (সা) বলেছেন, “জীনকে সৃষ্টি করা হয়েছে অগ্নিশিখা থেকে আর ফেরেশতাদের সৃষ্টি করা হয়েছে নূর থেকে।” (মুসলিম-৭৩৮৫)।

তাই মানুষকে মূল্যায়ন করার জন্য জীন কিংবা ফেরেশতাদের দিয়ে সম্ভব নয়। বেশীর বেশী তফাৎ বলা যাবে।

পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, “আমি মানুষ সৃষ্টি করেছি শুকনো ঠনঠনে পচা মাটি থেকে” (আল হিজর-২৬) অন্যত্র বলা হয়েছে,  “কাদা-মাটি থেকে মানব সৃষ্টির সূচনা করেছেন” (আস সাজদা-৭) অন্যত্র বলা হয়েছে, “আমিই তাদেরকে সৃষ্টি করেছি এঁটেল মাটি থেকে” (সুরা সাফফাত-১১)। মূল কথা মানুষ তৈরির মূল উপাদান মাটি। রাসুল (সা) মানুষ সম্পর্কে কৌতূহল উদ্দীপক একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন,
“নিশ্চয়ই আল্লাহ্‌ আদম (আঃ) কে একমুঠো মাটি দিয়ে সৃষ্টি করেছেন, যা তিনি সমগ্র পৃথিবী থেকে নিয়েছিলেন। তাই আদম সন্তান মাটির বিভিন্ন বর্ণ ও প্রকৃতি অনুসারে হয়েছে। এদের মধ্যে কেউ লোহিত, কেউবা সাদা, কেউ কালো এবং কেউবা এসবের মধ্যবর্তী বর্ণের হয়েছে। এরূপে কেউ কোমল, কেউ কঠোর এবং কেউ অসৎ এবং কেউ সৎ হয়েছে।” (সুনানে আবু দাউদ – ৪৬৯৩)
এভাবে মানুষে পরিচয় আরো বহুভাবে দেওয়া হয়েছে। লিখার কলেরব বৃদ্ধির আশঙ্ক্ষায় আর এগুলাম না। (তবে এই বিষয়টা নিয়ে বিস্তারিত আমার প্রকাশিতব্য গার্ডিয়ান বইতে আরো আলোচনা এসেছে)
মানুষের মধ্যে কোন সন্দেহ নেই যে, তারা মাটি থেকে সৃষ্টি হয়েছে। কেননা তারা হাজার বছর ধরেই দেখে যাচ্ছে, তাদের নাদুস-নুদুস শরীরকে পরিত্যক্ত মাটিতেই ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। মহান আল্লাহ পচা মাটি, কাদা মাটি, ঠনঠনে মাটি, ঝুরঝুরে মাটির কথাগুলো মানুষকে তুচ্ছ করার নিমিত্তে বলেননি। মানুষ এমন অবহেলিত মাটি থেকে সৃষ্টি হয়ে, এই দুনিয়ার প্রতিনিধিত্ব পাবার পরে চরম দাম্ভিক হয়ে উঠে। সে কথাটি মনে করিয়ে দেওয়ার জন্যই এসব উদ্ধৃতি হাজির করা যে, মানুষের এত বেশী দাম্ভিকতা করার কি আছে। সে কি তার পিছনের ঘটনা জানে না? আমরা দেখব, আল্লাহ নিজেই আবার মানুষকে সৃষ্টির সেরা বলে বিবেচিত করেছেন। এ ধরনের কথায় কিছু মানুষ উপদেশ গ্রহণ করে, বাকিরা আল্লাহর কথায় বিরোধিতা করে, লোক সমাজকে তটস্থ করে তুলে।
মানুষকে কি কারণে সৃষ্টি করা হল? একবাক্যে বলতে গেলে বলত হবে, মানুষকে দুটো কারণে সৃষ্টি করা হয়েছে। এক. আল্লাহ আমাদের সৃষ্টি করেছেন, তিনি এক এবং তার কোন সাহায্যকারী নেই। 
দুই. মানুষ হয়ে সৃষ্টির সেবায় আত্মনিয়োগ করতে হবে।
মানুষ! আশরাফুল মাখলুকাত তথা সৃষ্টির সেরা জীব। না না, ভুল বুঝবেন না দুনিয়ার ইতর প্রাণী কুল তথা, গরু-মহিষ, সাপ-গিরগিটি, কেন্নোর-বিছা এসব প্রাণীর তুলনায় মানুষকে সেরা বানানো হয়নি। এগুলো ইতর, কোন বিবেকবোধ নেই কিন্তু মানুষ এমন নয়, তার বিবেকবোধ আছে। তাই এসব প্রাণীর সাথে মানুষের তুলনা হয়না। মানুষের সৃষ্টি আর এসব ইতর প্রাণীর সৃষ্টির উপাদান এক হলেও উভয়ের চরিত্রে আছে পাহাড় সম ভিন্নতা। এসব প্রাণীকে বানানো হয়েছে আল্লাহর নির্দেশ ‘কুন’ তথা হয়ে যাও বলার মাধ্যমে। মানুষকে কুন বলে বানানো হয়নি! মানুষকে বানানো হয়েছে আল্লাহর কুদরতি হাতে, জান্নাতের সামনে, যত্নের সাথে এবং ধীরে ধীরে। দুনিয়ার সমুদয় প্রাণী বানানো হয়েছে মানুষের খেদমতের জন্য। বর যখন কনের বাড়ীতে যায়, তখন তার জন্য আগে থেকেই সুসজ্জিত মঞ্চ প্রস্তুত থাকে। ঠিক তেমনি দুনিয়াতে আদম সন্তান আসার আগেই, মানুষের সুবিধার্থে দুনিয়াকে ঠিক বরের স্টেজের মত প্রস্তুত করে রাখা হয়েছিল। গরু-ছাগল, মহিষ-ঘোড়ার চরিত্র থেকে তাদের পূর্ব পুরুষের হিংস্র মনোভাব বদলিয়ে মানুষকে মেনে চলার মত নরম করিয়ে রাখা হয়। হাঁস-মুরগী-কবুতরের খাসিয়ত পরিবর্তন করে মানুষের কাছাকাছি হয়ে থাকার অভ্যাস বানিয়ে দেওয়া হয়। লাখো বছরের পরিক্রমায় এ সকল আঞ্জাম স্বয়ং আল্লাহ রাব্বুল আলামীন করিয়ে রেখেছিলেন এবং এসব কাজের অনেকগুলোতে ফেরেশতাদের দিয়ে ব্যস্ত রেখেছিলেন। যাতে করে যখনই মানুষ এই পৃথিবীর মাটিতে পা রাখে তখনই যেন বিশ্ব-গোলক তার অধীনে হয়ে যায়। এমন চরিত্রের মানুষের সাথে দুনিয়ার অন্য কোন প্রাণীর তুলনা চলেনা। বরং মানুষ তাদের তত্ত্বাবধায়ক।
অন্যদিকে সৃষ্টি জগতে বিবেক ও বোধশক্তি সম্পন্ন অন্যতম সেরা জীব তিনটি। যথাক্রমে ফেরেশতা, জীন ও মানুষ। আমরা ইতিপূর্বে দলিল থেকে বুঝেছি। ফেরেশতারা নূরের তৈরি। নূরের প্রভাবের কারণে, তারা শুধু কল্যাণ কাজই বুঝে, তাদের সাথে অকল্যাণের কোন সম্পর্ক নেই। ফেরেশতারা পাপ করতে জানেনা, করার সুযোগও নেই। তাদের মধ্যে নারী-পুরুষ নেই, তাই বিয়ে -শাদী নেই। তারা বুঝতে পারেনা মানুষ কেন বিয়ে করে? প্রেম করেই বা কি মজা পায়! চিত্তের টানে মানুষ কেন খুনোখুনি করে, আল্লাহর বিরুদ্ধ চারণে তাদের ভয় না হবার কারণ কি? তারা এসব বুঝে না, বুঝার ধারও ধারে না। একটি মাত্র ব্যাপারই তারা খুব ভাল বুঝে, সেটা হল আল্লাহকে খুশী করতে তাঁর নির্দেশ পালন। ইলেকট্রনিক্স রোবট যেভাবে প্রোগ্রাম পরিচালকের কমান্ডের উপর দায়বদ্ধ। সেভাবে ফেরেশতারাও সর্বদা আল্লাহর নির্দেশ পালনের জন্য সদা উৎকণ্ঠিত। তারা আল্লাহর নির্দেশ পালনে সোচ্চার। ভাল কাজে আল্লাহ খুশী হয়, তাই ফেরেশতারাও ভাল কাজের মানুষের জন্য দোয়া করে। খারাপ কাজে আল্লাহ বেজার হন, তাই ফেরেশতারাও খারাপ কাজ চলাকালে সে মানুষের জন্য বদদোয়া করতে থাকে। এটা নূরের তৈরি ফেরেশতাদের অন্যতম গুণাবলী। 
নূরের ফেরেশতারা কোন গুনাহ করেনা কিন্তু মানুষের কাছে এমন যোগ্যতা ও গুণাবলী নেই, তাদের পক্ষে এসব অর্জন করাও সম্ভব নয়। কেননা তাদের দেহ বৈশিষ্ট্য ভিন্ন, তাদের রুচি ভিন্ন, তাদের সৃষ্টি ভিন্ন সর্বোপরি তারা মাটির তৈরি। মাটির জগতের সাথে তাদের লেনা-দেনা। ফলে মানুষ পাপ-পুণ্য দুটোই করে থাকে। আল্লাহ মানুষ বানিয়েছেন,  তিনি মানুষের চরিত্র বুঝার ক্ষেত্রে অগ্রগণ্য, তাই আল্লাহ রাব্বুল আলামীন মানুষের কাছে ফেরেশতাদের মত পুত পবিত্র চরিত্র আশা করেনা। তারপরও এই দুনিয়ার লোভ-লালসা, প্রেম-হিংসা, বিত্ত-চিত্তের প্রণোদনার চাহিদাকে উৎরে গিয়ে, কিছু মহান মানুষ সর্বদা আল্লাহর সন্তুষ্টি ও নৈকট্য লাভের চেষ্টা করে এবং সফলও হয়। তাই এসব মানুষের মর্যাদা ফেরেশতাদের চেয়েও বেশী হয়ে যায়। কেননা ফেরেশতাদেরকে চিত্তের অত্যাচার তথা লোভ-লালসায় পরীক্ষা দিতে হয়না। দিতে হলে কেমন করত তা আমরা না জানলেও আল্লাহ তো জানেন। কিন্তু মানুষ প্রমাণ করেই সামনে এগিয়ে যায়, তাই আল্লাহ মানুষের মর্যাদাকে উপরোক্ত তিন সৃষ্টির উপরে স্থান দিয়েছে। এখানে জীনের কথা বলা হলো না, কেননা মানুষের সৃষ্টি যে জীনের মত আগুন থেকে নয়, তারা সেটা ধরেই নেয়। মানুষের মধ্য কিছু সংখ্যকের ভাবনা আমাদের রাসুল (সা) মাটির তৈরি নয়! এমনটি বলা তো বটরই এমনকি ধারণা করাও তার প্রতি চরম অপবাদ ও নিরন্তর অপমান স্বরূপ! তিনি খাঁটি নূরের তৈরি, যেমন ভাবে ফেরেশতারা সৃষ্টি হয়েছেন। (এ সম্পর্কিত একটি তথ্যভিত্তিক আর্টিক্যাল আমার টাইমলাইনে গতকাল প্রকাশ করা হয়েছে, আগ্রহীরা দেখে নিতে পারেন।)  
মানুষকে পরিচালনা করতে হলে মানুষের মধ্য থেকেই কাউকে নেতৃত্ব দিতে হয়। জীন থেকে যদি মানুষের পরিচালনার ভার দেওয়া হত তাহলে ভব-জগত অতিষ্ঠ হয়ে উঠত। জীনের খাদ্য, অভিরুচি, দেমাগ, চিন্তা, গোস্বা, প্রেম প্রীতি কোনটার সাথেই মানুষের মিলত না। জীন শুকনো গোবর ও পরিত্যক্ত পুরানো হাড্ডি খায়, তাই তারা এসব খাওয়াতে মানুষকে বাধ্য করত। মানুষ তা খেতে চাইবে না। তাই জীনদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের অভিযোগ তুলে পুরো মানব জাতিকেই তারা শেষ করে দিত! ঠিক এই ব্যাপারটি ফেরেশতাদের ক্ষেত্রেও অবিকল খাটে। তাইতো আল্লাহ রাব্বুল আলামীন পবিত্র কোরআনে বলেছেন,
“…ইমানদারদের মধ্যে তাদেরই মধ্য থেকে একজন নবী পাঠিয়ে আল্লাহ মুমিনদের প্রতি অনুগ্রহ করেছেন…।” (আল-ইমরান-১৬৪)
পরিষ্কার বক্তব্য, মানুষকে পথ দেখাবার জন্য মানুষের মধ্য থেকেই একজনকে নবী বানিয়েছেন। তিনি আলাদা কোন আজীব সৃষ্টি নন। কেননা মানুষকে পথ চিনা বার জন্য মানুষের মধ্য থেকেই একই অভিরুচির আরেক জন মানুষের দরকার। যিনি তাদের চিন্তা, চেতনা, ভাবনা, অভ্যাস সব কিছুর মূল্যায়ন করতে পারবেন। আর মানুষের এসব সমস্যা অনুধাবন করার জন্য তাঁকেও একজন মাটির মানুষ হতে হবে। আর তিনি যদি নূরের তৈরি মানুষই হবেন! তাহলে তিনি মানুষের সমস্যা বুঝার চেয়ে ফেরেশতাদের সমস্যাগুলো আগে বুঝতে থাকবেন। তাতে মানুষের কি কল্যাণ হত?
তাই যারা রাসুল (সা) কে নূরের তৈরি এবং মাটি হতে সৃষ্টি নয় বলে বাড়াবাড়ি করে থাকেন। এটার মাধ্যমে রাসুল (সা) বেশী ইজ্জত দেবার স্থানে তার ক্ষমতাকে খর্ব করার নামান্তর। আগুনের তৈরি জীন ও নূরের তৈরি ফেরেশতাদের আল্লাহর আদেশে মাটির আদম (আ) কে সেজদা করতে নির্দেশ দিয়ে মানুষের গ্রহণযোগ্যতাকে সকল মাখলুকের উপর শ্রেষ্ঠতম আসনে প্রতিষ্ঠিত করালেন! এখন নিজেরা মাটির মানুষ হয়ে, শুধুমাত্র জ্ঞানের অভাবেই, রাসুল (সা) কে নূর তথা অন্য সৃষ্টির সাথে মিলিয়ে কথা বলে, উল্টো তাঁর পদমর্যাদা ঘটিয়ে দিলেন। এটা কি তাদের বাড়াবাড়ি ও জুলুম নয়?  
স্বয়ং রাসুল (সা) নিজের সম্পর্কে দাবী করে বলেছেন,
“আমিই আদম সন্তানের নেতা এবং আমাকেই সর্বপ্রথম কবর হতে উঠানো হবে এবং আমিই সর্বপ্রথম সুপারিশ-কারী হবো এবং সর্বপ্রথম আমার সুপারিশ গ্রহণ করা হবে” (সুনানে আবু দাউদ-৪৬৭০)
কত বড় দাবী এবং এর কত মজবুত দৃঢ়তা! তাহলে আমরা কেন নিজেকে মাটির মানুষ পরিচয় দিতে হীনতা বোধ করব? কেনই বা মোহাম্মদ (সা) অতি সম্মান দিতে গিয়ে, তাঁকে অন্য সৃষ্টির সাথে অন্তর্ভুক্ত করিয়ে আশরাফুল মাখলুকাতের শ্রেষ্ঠতম ব্যক্তির সম্মান দেব না?
সুতরাং শ্রেষ্ঠতম মাখলুকাত হিসেবে পৃথিবীকে নেতৃত্ব দিতে হলে, প্রথম শর্ত হলো তাকে অবশ্যই আদম সন্তান হতে হবে। দ্বিতীয় শর্ত হলো তাকে মাটির মানুষ হিসেবে, দুনিয়ার মাটিতে জন্ম নেওয়া, মাটির মানুষকে এক আল্লাহর তাওহীদের দাওয়াত দিতে হবে এবং কল্যাণকর কাজের নিজেকে ব্যস্ত রাখতে হবে। মোহাম্মাদ (সা) এই কাজ যথাযথ আঞ্জাম দিতে পেরেছিলেন। ফলে তিনি শ্রেষ্ঠতম মহামানব হিসেবে চিত্রিত হয়েছেন এবং সমস্ত নবীদের মধ্যেও শ্রেষ্ঠ হয়েছেন। একজন মানুষ হিসেবে, নবী হিসেবে এটাই তার শ্রেষ্ঠতম চরিত্র।
“হে মোহাম্মাদ! বলো, আমি তো একজন মানুষ তোমাদেরই মতো, আমার প্রতি অহি করা হয় এ মর্মে যে, এক আল্লাহ তোমাদের ইলাহ” (সুরা কাহাফ-১১০)
অর্থাৎ তিনিও আমাদের মত রক্তে মাংসে গড়া একজন মানুষ। প্রিয়জন হারালে তাঁরও কান্না আসে, খিদে লাগলে তাঁর পেটেও ব্যথা অনুভব হয়। গরমে তাপ, শীতে ঠাণ্ডার প্রকোপ যেভাবে আমাদের লাগে, তার শরীরেও লাগত। এ দৃষ্টিতে তিনি আমাদের মত কিন্তু তাঁর চরিত্রের প্রভাব বিশ্বময়, সম্মান মহাকাশ ব্যাপিয়া। এই চরিত্রের সাথে কাউকে তুলনা করা যায় না। তাইতো আল্লাহ তাকে মনোনীত করছেন নবী হিসেবে, যার কাছে আল্লাহর পক্ষ হতে দূত আসে, সিদ্ধান্ত আসে, তিনি তা হুবহু বাস্তবায়ন করেন। এটা মানব জাতির জন্য গর্বের ও সন্তোষের বিষয়। 
Tags: ধর্মীয়
Previous Post

রাসুল (সা) নূরের সৃষ্টি! একটি অন্তর্নিহিত পর্যালোচনা

Next Post

আজানের আগে দরুদ-সালাম : বেদায়াত নাকি নবীর সুন্নাত

Discussion about this post

নতুন লেখা

  • জ্বালানী তেল যেভাবে তৈরি হয়
  • শাহ পদবীটা বিরাট অদ্ভুত
  • তীর তথা ক্ষেপণাস্ত্র শক্তিতে বলিয়ান হতে স্বয়ং রাসুল (সাঃ) নির্দেশ দিয়েছেন।
  • তসবিহ দানা বৃত্তান্ত!
  • হাজী ইমদাদুল্লাহ মুহাজিরে মক্কী দেওবন্দি ও বেরেলভী আকিদার সূত্রপাত

এই সপ্তাহের জনপ্রিয় লেখা

No Content Available

নজরুল ইসলাম টিপু

লেখক পরিচিতি । গাছের ছায়া । DraftingCare

Facebook Twitter Linkedin
© 2020 Nazrul Islam Tipu. Developed by Al-Mamun.
No Result
View All Result
  • মুলপাতা
  • ধর্ম
    • ইসলাম
    • কোরআন
    • হাদিস
    • ডায়েরি
    • জীবনী
  • সাহিত্য
    • গল্প
    • রচনা
    • প্রবন্ধ
    • রম্য রচনা
    • সামাজিক
  • পরিবেশ
    • উদ্ভিদ জগত
    • প্রাণী জগত
    • ভেষজ হার্বাল
    • জলবায়ু
  • শিক্ষা
    • প্রাতিষ্ঠানিক
    • মৌলিক
    • ইতিহাস
    • বিজ্ঞান
    • ভ্রমণ
    • শিশু-কিশোর
  • বিবিধ
    • ঘরে-বাইরে
    • জীবন বৈচিত্র্য
    • প্রতিবেদন
    • রাজনীতি
    • তথ্যকণিকা
  • লেখক পরিচিতি

© 2020 Nazrul Islam Tipu. Developed by Al-Mamun.