Tipu vai
  • মুলপাতা
  • ধর্ম
    • ইসলাম
    • কোরআন
    • হাদিস
    • ডায়েরি
    • জীবনী
  • সাহিত্য
    • গল্প
    • রচনা
    • প্রবন্ধ
    • রম্য রচনা
    • সামাজিক
  • পরিবেশ
    • উদ্ভিদ জগত
    • প্রাণী জগত
    • ভেষজ হার্বাল
    • জলবায়ু
  • শিক্ষা
    • প্রাতিষ্ঠানিক
    • মৌলিক
    • ইতিহাস
    • বিজ্ঞান
    • ভ্রমণ
    • শিশু-কিশোর
  • বিবিধ
    • ঘরে-বাইরে
    • জীবন বৈচিত্র্য
    • প্রতিবেদন
    • রাজনীতি
    • তথ্যকণিকা
  • লেখক পরিচিতি
No Result
View All Result
নজরুল ইসলাম টিপু
  • মুলপাতা
  • ধর্ম
    • ইসলাম
    • কোরআন
    • হাদিস
    • ডায়েরি
    • জীবনী
  • সাহিত্য
    • গল্প
    • রচনা
    • প্রবন্ধ
    • রম্য রচনা
    • সামাজিক
  • পরিবেশ
    • উদ্ভিদ জগত
    • প্রাণী জগত
    • ভেষজ হার্বাল
    • জলবায়ু
  • শিক্ষা
    • প্রাতিষ্ঠানিক
    • মৌলিক
    • ইতিহাস
    • বিজ্ঞান
    • ভ্রমণ
    • শিশু-কিশোর
  • বিবিধ
    • ঘরে-বাইরে
    • জীবন বৈচিত্র্য
    • প্রতিবেদন
    • রাজনীতি
    • তথ্যকণিকা
  • লেখক পরিচিতি
No Result
View All Result
নজরুল ইসলাম টিপু
No Result
View All Result

রিফিউজি লতা গুনের আধার

Refugee শব্দটি ইংরেজি যার সহজ বাংলা প্রত্যাখ্যাত, এই লতাটি প্রত্যাখ্যাত হয়ে বাংলায় এসেছে বলেই এমন নাম

জানুয়ারি ২৩, ২০২২
in উদ্ভিদ জগত
1 min read
0
রিফিউজি লতা

রিফিউজি লতা গুনের আধার

শেয়ার করুন
        

অতি পরিচিত এই লতার বহু নাম। যেমন, জার্মানি লতা, জাপানী লতা, ফিরিঙ্গী লতা, আসামী লতা, বিকাশ লতা, পান লতা ইত্যাদি। রিফিউজি লতা গুনের আধার

কৌতূহলের বিষয় হল ইংরেজিতেও এই লতার অনেক নাম যেমন, American Rope, Bitter Vine, Chinese Creeper, Climbing Hemp Vine, Vlimbing Hempvine, Climbing Hempweed, Mikania, Mikania Vine, Mile a Minute, Mile a Minute Weed ইত্যাদি। যদিও এই লতার বৈজ্ঞানিক নাম Mikania micrantha.

১৯৬০ সালের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ের পরেই এই লতাটি বাংলাদেশের প্রায় সর্বত্র নজরে আসে। বাংলাদেশ পেরিয়ে ভারতের আসামেও এটি দেখা যায়। তবে চট্টগ্রামেই এর সর্বাধিক মাত্রায় বিস্তার ঘটে।

Refugee শব্দটি ইংরেজি যার সহজ বাংলা প্রত্যাখ্যাত। এই লতাটি প্রত্যাখ্যাত হয়ে বাংলার আবহাওয়ার কাঁধে চড়ে, অন্য গাছের অন্যতম শত্রু হিসেবে ভূমিকা রাখে। এ কারণেই তাকে ‘রিফিউজি লতা’ বলা হয়।

চট্টগ্রামে বাহিরের আগন্তুককে জাপানী বলা হয়, সে কারণে এই লতাটির নাম ‘জাপানী লতা’। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরেই যেহেতু লতাটি নজরে আসতে থাকে, এর সাথে জার্মানির কোন সম্পর্ক থাকতে পারে এমন ধারনায়, তাকে জার্মানি লতা বলে। পানের মত বলে ‘পান লতা’, আসামেও লতাটি আছে বলেই এটার ‘আসামী লতা’।

প্রকৃত অর্থে এটার বাংলা নাম ‘ফিরিঙ্গী’ লতা। এর পক্ষে সবল যুক্তি আছে। কেননা এই লতাটির আদি বাসস্থান হচ্ছে, মেক্সিকো, এল সালভেদর, গুয়েতেমালা, নিকারাগুয়া, ইকুয়েডর, পানামা, কিউবা, পেরু, কলাম্বিয়া মত দেশ গুলোতে।

এসব দেশের উপর একসময় আধিপত্য ছিল পর্তুগীজদের; যাদের অন্য নাম ফিরিঙ্গি। তাদের একটি ব্যতিক্রমী চরিত্র যে, তারা যে দেশেই আধিপত্য বিস্তার করত, সেখানকার জলবায়ু নিয়ে কাজ করত এবং ভিন দেশীয় ফল-মূলের চাষ করত। তাই ধারনা করা হয় এটি তাদের মাধ্যমেই হয়ত চট্টগ্রামে এসে থাকবে।

এটার পিছনেও যুক্তি আছে। এই লতাটির অনেক গুনের মধ্যে অন্যতম হল এর Antibacterial and Antimicrobial উপাদান খুবই শক্তিশালী। উপস্থিত ক্ষেত্রে রক্ত বন্ধ করা, পচন রোধ করার ক্ষেত্রে খুবই সহায়ক।

ফলে এর তিতা রস, মানুষ গ্যাস্ট্রিক আলসারের জন্য নিজ উদ্যোগে খেয়ে থাকে। ফিরিঙ্গীরা ছিল যুদ্ধবাজ জাতি, সর্বত্র রক্তপাত করে বেড়াত। তাদের দখলে ছিল দক্ষিণ আমেরিকা।

তারা এই লতার গুনাগুণ জানত বলেই, জাহাজে কিংবা ভূমিতে সীমিত পরিসরে লতাটি জিইয়ে রাখত। চট্টগ্রাম বন্দর ছিল তাদের অন্যতম প্রধান ঘাটি।

১৯৬০ সালে ঘূর্ণিঝড় হয়েছিল ডিসেম্বর মাসে। এ মাসে এই লতার ফল পাঁকে ও বাতাসে ভর করে সর্বত্র ছড়ায়। সুতরাং লতার নাম ফিরিঙ্গি লতা ও তার গুনাগুণের পিছনে এটিই হয়ত প্রকৃত কারণ হবে।

গুনাগুণ:
লতাটি বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে, ফলে দেশ ভেদে তার ব্যবহারও ভিন্ন। বাংলাদেশ ও পাপুয়া নিউগিনিতে কাটা ছেড়ার জন্য ব্যবহৃত হয়। মালয়েশিয়াতে চুলকানি বন্ধের কাজে লাগে।

এলার্জির জন্যেও স্থানীয় পথ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশে গ্যাস্ট্রিক আলসারের জন্য সেবন করা হয়। পেটের সমস্যা দূর করতে গাছটির পুরো দেহ দিয়ে চা বানিয়ে পান করা হয়।

ম্যালেরিয়া জ্বরের প্রকোপ কমাতে এর পাতা সিদ্ধ করে পান করা হয়। এটি চামড়াকে ফাঙ্গাস মুক্ত রাখে। জন্ডিসের জন্য এটা সেবন করা হয়ে থাকে। এছাড়াও আরো অগণিত কাজে মানুষ ব্যবহার করে থাকে।

সতর্কতা:
গাছের পরিচিত লিখতে গিয়ে গুনাগুণ সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়েছে। কেউ যেন নিজ দায়িত্বে এটা খেয়ে রোগ থেকে নিশ্চিত বেঁচে গেছে এমন ধারণা না করেন। রোগ নির্ণয় করবে ডাক্তার এবং তিনিই যথাযথ ঔষধ দিবেন।

Tags: উদ্ভিদ
Previous Post

বাংলা মুল্লুকের উর্দু কাওয়াল

Next Post

দণ্ডকলস অতি উপকারী উদ্ভিদ

Discussion about this post

নতুন লেখা

  • জ্বালানী তেল যেভাবে তৈরি হয়
  • শাহ পদবীটা বিরাট অদ্ভুত
  • তীর তথা ক্ষেপণাস্ত্র শক্তিতে বলিয়ান হতে স্বয়ং রাসুল (সাঃ) নির্দেশ দিয়েছেন।
  • তসবিহ দানা বৃত্তান্ত!
  • হাজী ইমদাদুল্লাহ মুহাজিরে মক্কী দেওবন্দি ও বেরেলভী আকিদার সূত্রপাত

এই সপ্তাহের জনপ্রিয় লেখা

No Content Available

নজরুল ইসলাম টিপু

লেখক পরিচিতি । গাছের ছায়া । DraftingCare

Facebook Twitter Linkedin
© 2020 Nazrul Islam Tipu. Developed by Al-Mamun.
No Result
View All Result
  • মুলপাতা
  • ধর্ম
    • ইসলাম
    • কোরআন
    • হাদিস
    • ডায়েরি
    • জীবনী
  • সাহিত্য
    • গল্প
    • রচনা
    • প্রবন্ধ
    • রম্য রচনা
    • সামাজিক
  • পরিবেশ
    • উদ্ভিদ জগত
    • প্রাণী জগত
    • ভেষজ হার্বাল
    • জলবায়ু
  • শিক্ষা
    • প্রাতিষ্ঠানিক
    • মৌলিক
    • ইতিহাস
    • বিজ্ঞান
    • ভ্রমণ
    • শিশু-কিশোর
  • বিবিধ
    • ঘরে-বাইরে
    • জীবন বৈচিত্র্য
    • প্রতিবেদন
    • রাজনীতি
    • তথ্যকণিকা
  • লেখক পরিচিতি

© 2020 Nazrul Islam Tipu. Developed by Al-Mamun.