Tipu vai
  • মুলপাতা
  • ধর্ম
    • ইসলাম
    • কোরআন
    • হাদিস
    • ডায়েরি
    • জীবনী
  • সাহিত্য
    • গল্প
    • রচনা
    • প্রবন্ধ
    • রম্য রচনা
    • সামাজিক
  • পরিবেশ
    • উদ্ভিদ জগত
    • প্রাণী জগত
    • ভেষজ হার্বাল
    • জলবায়ু
  • শিক্ষা
    • প্রাতিষ্ঠানিক
    • মৌলিক
    • ইতিহাস
    • বিজ্ঞান
    • ভ্রমণ
    • শিশু-কিশোর
  • বিবিধ
    • ঘরে-বাইরে
    • জীবন বৈচিত্র্য
    • প্রতিবেদন
    • রাজনীতি
    • তথ্যকণিকা
  • লেখক পরিচিতি
No Result
View All Result
নজরুল ইসলাম টিপু
  • মুলপাতা
  • ধর্ম
    • ইসলাম
    • কোরআন
    • হাদিস
    • ডায়েরি
    • জীবনী
  • সাহিত্য
    • গল্প
    • রচনা
    • প্রবন্ধ
    • রম্য রচনা
    • সামাজিক
  • পরিবেশ
    • উদ্ভিদ জগত
    • প্রাণী জগত
    • ভেষজ হার্বাল
    • জলবায়ু
  • শিক্ষা
    • প্রাতিষ্ঠানিক
    • মৌলিক
    • ইতিহাস
    • বিজ্ঞান
    • ভ্রমণ
    • শিশু-কিশোর
  • বিবিধ
    • ঘরে-বাইরে
    • জীবন বৈচিত্র্য
    • প্রতিবেদন
    • রাজনীতি
    • তথ্যকণিকা
  • লেখক পরিচিতি
No Result
View All Result
নজরুল ইসলাম টিপু
No Result
View All Result

সালাতের কাতারে পা লাগানোয় সমস্যা

সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯
in ইসলাম
1 min read
0
শেয়ার করুন
        
সালাতের-কাতারসালাত শুরু হতে যাচ্ছে! মুয়াজ্জিন ইকামত দিচ্ছেন কিন্তু বুকে লটকানো মাইকে আওয়াজ আসছে না। জলদি মাইকটি খুলে ঠিক করার চেষ্টা করছিলেন। ইত্যবসরে ঘটে গেল ঘটনাটি। এক প্রবীণ মুসল্লি হেঁড়ে গলায় চিল্লায়ে বলে উঠল, ‘প্রথম বার সড়ে গেলাম, দ্বিতীয় বারও কিছু বললাম না, তৃতীয় বারও একই কাজ করলি? কারো গায়ের সাথে পা লাগা বেয়াদবি এটা তোরে কেউ শেখায় নাই?’ শিক্ষিত তরুণ খুব বিনয়ের সহিত বলল, চাচা রাসুল (সা) পায়ের সাথে পা মিলিয়ে কাতারে দাঁড়াতে বলেছেন, তাই একটু লেগে গেছে। প্রবীণ মুসল্লি প্রশ্ন করে, তাহলে এটা ইচ্ছা করে করছস? তরুণ মুসল্লি মৌনভাবে দাঁড়িয়ে থাকে। ঈমাম সাহেব কারো গায়ের সাথে পা লাগিয়ে বেয়াদবি না করার জন্য উপদেশ দিয়ে নামাজ শুরু করে দিলেন। ব্যাপারটি সেখানেই থেমে যায়। আমাদের দেশে এই বিষয়টি নিয়ে মতের কিছু ভিন্নতা আছে, যদিও ঐক্য দরকার।

হাত-পা দুটোই মানুষের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। একটি চোখ কিংবা একটি কিডনি না থাকলে মানুষের চলতে কষ্ট হয় কিন্তু একটি হাত কিংবা একটি পা না থাকলে বুঝতে পারে মানব জীবন কত অসহায়। প্রয়োজনের দিক দিয়ে হাত-পা দুটোর কাজ ভিন্ন কিন্তু কোন একটিকে অন্যটির উপরে স্থান দেবার নয়। পৃথিবীতে জনপ্রিয় খেলার মধ্যে পরিমাণের দিক দিয়ে, হাতের খেলাই বেশী কিন্তু সম্মিলিত ভাবে সকল হাতের খেলার চেয়ে, পায়ের ফুটবল খেলার জনপ্রিয়তা আরো বেশি। এখানেও হাত-পায়ের সামঞ্জস্যতা বিচার করা মুল লক্ষ্য নয়, মানুষের চিত্ত কোন জায়গায় কিভাবে বিনোদন পায় সেটা তুলে ধরাই লক্ষ্য।


ভারতীয় উপমহাদেশে পায়ের ব্যবহারকে অপমান জনক হিসেবে বিবেচিত করা হয়। লাথি মারা, উষ্ঠা দেওয়ার মত কাজকে শাস্তির বিপরীতে ব্যবহার হয়। অথবা আপনার পায়ে পড়ি, পায়ে ধরি কাজটাকে সম্মানের বিপরীতে ব্যবহার হয়। অর্থাৎ আমাদের সমাজে পায়ের সাথে কারো সম্মান আর কারো অপমানের সম্পর্ক আছে। তার কারণ ও আছে। ভারতীয় উপমহাদেশ; ভিন্ন জাতি, গোষ্ঠীর দ্বারা হাজার হাজার বছর ধরে শাসিত হয়েছে। আক্রমণকারী শক্তি স্বীয় দেহ, বুক, মাথা, হাত ও হাতে রাখা অস্ত্র নিরাপদ রেখে পায়ের মাধ্যমেই পতিত শক্তির উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। কমান্ডো বাহিনীর কোন অভিযানের দৃশ্য দেখলে ব্যাপারটি পরিষ্কার হবে। মুখের ঘোষণায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত চৌকিদার, পাহারাদারের পায়ের আচরণও, দুর্বলের প্রতি অনুরূপ হয়! কালক্রমে পদযুগল দুটি শাসনের প্রতীক হিসেবে চিত্রিত হয়েছে। বড় কিংবা শক্তিশালীরা এটি ব্যবহার করবে আর ছোট ও দুর্বলেরা একে সম্মান করবে। তাই বড় কিংবা সম্মানী কারো গায়ে নিজের পা লাগলে, মাফ চেয়ে নেওয়া হয়। এক কথায় এটা কোন পায়ের দোষ নয় বরং পা ব্যবহারকারী মানুষের মনের দোষ। একটি শিশুর তুলতুলে নরম পা পিতা-মাতা আদর করে চোখে-মুখে লাগিয়ে আনন্দ পায়। আবার পরিণত বয়সে সেই একই পা কারো গায়ে লাগলে চরম অপমানিত হয়। এ দ্বারা বুঝা যায়, এটা কোন পায়ের দোষ নয় বরং ব্যবহার কারীর চিন্তার দোষ।


আমরা ঘুমানোর সময় পশ্চিম দিকে মাথা দিয়ে শুয়ে থাকি। কখনও পা পশ্চিম মুখী করিনা। কেননা পশ্চিম দিক কেবলার স্থান। সেদিকে কাবা আছে বলে দিকটি সম্মানিত। কখনও মসজিদে কেউ শু’লে কিংবা হেলান দিলেও পশ্চিম দিকে পা মেলে না। প্রকাশ্যে কেউ মেলে ধরলে তার খবর আছে। কিন্তু মিশর সহ পশ্চিমের বেশ কিছু দেশ আছে, যাদের চিন্তাধারাটা একটু ভিন্ন। তাদের ভাষায়; পা, হাতের মতই একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। কারো শরীরে হাত লাগলে যেমন কিছু মনে করা হয়না, তাই পা লাগলেও মনে করার কিছু নেই।
এরা মুসলমান কিন্তু পশ্চিম দিকে পা দিয়েই মসজিদে শুয়ে থাকে! মসজিদে বসেই পা গুলো পশ্চিম মুখো করে রাখবে। প্রশ্ন করলে, তাদের সাবলীল উত্তর পাওয়া যাবে এভাবে, তিনি শোয়ার বেলায় পায়ের ব্যাপার খানা মাথায় আনেন নি। এটা নিয়ে ভাবারও কিছু নেই। বরং তিনি কাবা পানে মুখমণ্ডল রেখে শুয়েছেন। সোজা কথায় তিনি পশ্চিম দিকে পা দেন নাই বরং তিনি পশ্চিম পানে মুখ রেখে শুয়েছেন যাতে করে সার্বক্ষণিক কেবলার প্রতি নজর থাকে। এখানে এদের ভিন্নতা এসেছে চিন্তা ধারার কারণে। পা জিনিষটা তো সম্মান-অসম্মানের কোন মাধ্যম নয়! আরব পল্লীর গৃহবধূ, শ্বশুর-শাশুড়ির সামনেই পা দিয়ে খুঁচিয়ে স্বামীকে ঘুম থেকে তুলে।

আমাদের দেশে কারো গায়ে পা লাগলে, সে ব্যক্তি যদি দুঃখিত না বলে কিংবা সেই পা ধরে সালাম না করে, তাহলে সেটাকে অপমানের বিষয় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। যেমনটি মসজিদে হয়েছে। তাছাড়া আমাদের দেশে পা ধরে সালাম করার সংস্কৃতি ভারতীয় কৃষ্টি থেকেই ঢুকে পড়েছে। এটার সাথে প্রকৃতই ইসলামের সাথে কোন সম্পর্ক নেই। অবশ্য কারো পা দ্বারা কেউ ব্যথা পেলে তাকে দুঃখিত বলা আবশ্যক। একই ভাবে এটা হাত কিংবা মুখের কথার দ্বারা কষ্ট পেলেও বলাটা আবশ্যক।


আরব দেশগুলোতে দুনিয়ার বহু দেশের মুসলমানদের আনাগোনা আছে। তাদের কেউ কেউ জামায়াতে নামাজের কাতার সোজা করতে গিয়ে পায়ের সাথে পা লাগানোকে অপরিহার্য মনে করে। তাই তারা, তাদের পা জোড়াকে দুটিকে প্রশস্ত করতে থাকে। এতে তিনি স্বস্তি পান। তার পাশে যদি ভারতীয় উপমহাদেশের কোন মুসল্লি দাঁড়ায়, অন্যের পা নিজের গায়ে লাগার কারণে তিনি অস্বস্তিতে পড়ে যান। ফলে তিনি তার পা দুটো সংকুচিত করতে থাকেন! উভয় দিকে সংকুচিত হলে থাকলে মাঝখানের মুসল্লির জন্য কষ্ট হয়। অবস্থাদৃষ্টে মাঝের মানুষটিকে দাঁড়াতে হয় প্রায় ইংরেজি Y ওয়াই অক্ষরের ন্যায়। তাদের অন্তরেও রয়েছে একটি ভাল ধারনা, যার কারণে তারা এটা করে থাকে। এ সম্পর্কিত একটি হাদিস উল্লেখ করা গেল।


আবুল ক্বাসিম আল-জাদালী সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নু’মান ইবনে বশীর (রা) বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (সা) সমবেত লোকদেরকে দিকে ঘুরে দাড়িয়ে তিনবার বলিলেন, “তোমরা তোমাদের কাতারসমূহ সোজা কর। আল্লাহর শপথ!  অবশ্যই তোমরা তোমাদের কাতারসমূহকে সোজা করে দাড়াও। অন্যথায় আল্লাহ তোমাদের অন্তরে মতানৈক্য সৃষ্টি করে দিবেন। বর্ণনাকারী নুমান (রা) বলেন, অতঃপর আমি এক লোককে দেখলাম, সে তার সঙ্গীর কাঁধের সাথে নিজের কাঁধ, তার হাঁটুর সাতে নিজের হাঁটু এবং তার গোড়ালির সাথে নিজের গোড়ালি মিলিয়ে দাঁড়াচ্ছে। [আবু দাউদ-৬৬২]


নামাজের কাতারকে সোজা রাখতে এবং একে অন্যের সাথে মিলে থাকতে গিয়েই পা দুটো প্রসস্থ করে থাকে। পাশের মুসল্লি যদি একটু সহযোগিতা করে তাহলে সুন্দরভাবে নামাজের পরিবেশ সৃষ্ট হয়। মূলত এখানেও রয়েছে মানসিকতা ও একে অন্যকে বুঝার ব্যাপার। তাই আসুন আমরা নামাজে একে অন্যের সাথে শরীর মিলিয়ে দাড়াই। দেওয়ালের মত সোজা ভাবে কাতার বন্ধী থাকি। নিজেদের মধ্যে যেন ফাঁক না রাখি, তেমনি আগে পিছেন সারির দূরত্ব যথাযথ রাখি। সকল মুসল্লি একে অপরের ভাইয়ের মত। তাই পায়ের সাথে পা লেগে গেলেও সেটাকে আন্তরিকতার সাথে গ্রহণ করি। কেননা এই পা লাগানো টা হিংসা বিদ্বেষ কিংবা অপমান করার জন্য লাগানো হয়নি। তাহলে আল্লাহ আমাদের মধ্যে সৌহাদ্য, ভালবাসা, আন্তরিকতাকে বাড়িয়ে দিবেন।
Previous Post

সালাতে কাতার ফাঁক ও মুসলমানদের মনের দূরত্ব বৃদ্ধি

Next Post

উপকারী সন্তানের বাবা-মা হতে চাইলে, তাকে প্রতিদান শিক্ষা দিন

Discussion about this post

নতুন লেখা

  • জ্বালানী তেল যেভাবে তৈরি হয়
  • শাহ পদবীটা বিরাট অদ্ভুত
  • তীর তথা ক্ষেপণাস্ত্র শক্তিতে বলিয়ান হতে স্বয়ং রাসুল (সাঃ) নির্দেশ দিয়েছেন।
  • তসবিহ দানা বৃত্তান্ত!
  • হাজী ইমদাদুল্লাহ মুহাজিরে মক্কী দেওবন্দি ও বেরেলভী আকিদার সূত্রপাত

এই সপ্তাহের জনপ্রিয় লেখা

No Content Available

নজরুল ইসলাম টিপু

লেখক পরিচিতি । গাছের ছায়া । DraftingCare

Facebook Twitter Linkedin
© 2020 Nazrul Islam Tipu. Developed by Al-Mamun.
No Result
View All Result
  • মুলপাতা
  • ধর্ম
    • ইসলাম
    • কোরআন
    • হাদিস
    • ডায়েরি
    • জীবনী
  • সাহিত্য
    • গল্প
    • রচনা
    • প্রবন্ধ
    • রম্য রচনা
    • সামাজিক
  • পরিবেশ
    • উদ্ভিদ জগত
    • প্রাণী জগত
    • ভেষজ হার্বাল
    • জলবায়ু
  • শিক্ষা
    • প্রাতিষ্ঠানিক
    • মৌলিক
    • ইতিহাস
    • বিজ্ঞান
    • ভ্রমণ
    • শিশু-কিশোর
  • বিবিধ
    • ঘরে-বাইরে
    • জীবন বৈচিত্র্য
    • প্রতিবেদন
    • রাজনীতি
    • তথ্যকণিকা
  • লেখক পরিচিতি

© 2020 Nazrul Islam Tipu. Developed by Al-Mamun.