বিগত আট-দশ বছর ধরে, দেশে-বিদেশে চেয়ারে বসে নামাজ পড়ার রোগীর সংখ্যা বেড়ে গেছে! এটা দিন দিন বাড়ছে এবং মসজিদে চেয়ার রাখার জন্য আলাদা ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। চেয়ারে বসে নামাজ হবে কি হবেনা সেটা মুফতি-মুহাদ্দিস গন দেখবেন। আমার লিখার উদ্দেশ্য সেটা নয়। একটু ভিন্ন কিছু।
বাংলাদেশের দু’জন নামকরা ওয়ায়েজিন কে দর্শক-স্রোতাদের পক্ষ হতে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে, চেয়ারে বসে নামাজ পড়া জায়েজ হবে কি না? ঘটনাক্রমে তাঁরা দু’জনই এই প্রশ্নে অনেকটা উত্তেজিত হয়ে উত্তর দিয়ে বলছেন যে, “যারা বাগানে গিয়ে হর হর করে হাঁটতে পারে, তাদের মসজিদে এসে বসতে দোষ কোথায়?” মসজিদে চেয়ারে বসে এবাদত করাটা তাঁদের দৃষ্টিতে অনেকটা দৃষ্টিকটু এবং এতে অহঙ্কৃতের প্রকাশ ঘটে। আশ্চর্য ঘটনা হল, তারা দু’জনেই আবার শারীরিক সমস্যার কারণে ‘ওজর’ কে গুরুত্ব দিয়েছে। অর্থাৎ ‘ওজর’ তথা বাস্তবিকই সমস্যা থাকলে ইসলামে ছাড় আছে। কিন্তু ওজর থাকার কারণে চেয়ারে বসে নামাজ পড়া যাবে কিনা সে ব্যাপারটি পরিষ্কার করেন নি। জানিনা দেশে এ ধরনের আরো ওয়ায়েজীন আছে কিনা? মূলত এই প্রশ্নের উত্তর দেবার আগে যদি, তাঁরা ডাক্তারের পরামর্শ নিতেন তাহলে ফতওয়া দেওয়াটা অনেকটা সহজ হত। অবশ্যই এসব ওয়ায়েজিনদের অনেক ডাক্তার শুভাকাঙ্ক্ষী থেকে থাকবে।
এ নিয়ে যথেষ্ট লেখাপড়া করেছি এবং নিজেও কিছু তিক্ত অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। তারই আলোকে দেখা যায়, এই সমস্যাটি রোগীর কয়েকটি কারণে হয়ে থাকে। যথাক্রমে,
১. হাড় ক্ষয় হলে
২. রক্তে ইউরিক এসিড বেড়ে গেলে, কিংবা
৩. রক্তে আমিষের পরিমাণে আধিক্য হলে
৪. হাঁটুর মাংসপেশি শক্ত হয়ে গেলে
আরো কিছু কারণ আছে, লিখলাম না। কেননা এটা ডাক্তারি পোষ্ট নয়। এই রোগের ব্যথায় হাটুকে মুচড়িয়ে বসা যায়না যেভাবে নামাজে তাশাহুদ পড়ার সময় বসতে হয়। তবে এই সমস্যায় অনেক সময় হাঁটা যায়, ড্রাইভিং করা যায়, সাঁতরানো যায় এমনকি কিছুপথ দৌঁড়ানো যায়। রোগের ধরনটাই এমন! এখন কোন ব্যক্তি যদি ড্রাইভিং করে কিংবা দীর্ঘপথ হেটে মসজিদে ঢুকে চেয়ারে নামাজ পড়তে বসে যায়, তাহলে তার প্রতি ক্ষোভ দেখানো কতটা সু-বিজ্ঞের কাজ হতে পারে? প্রশ্ন হল,
– বসার সমস্যাটি ওজর কিংবা ডাক্তারী হিসেবে যুক্তিযুক্ত হলে চেয়ারে বসে নামাজ পড়া যাবে কিনা?
– যদি চেয়ারে বসে নামাজ পড়াটা সঠিক না হয়, তাহলে এক্ষেত্রে কি করা উচিত?
একদা নামাজে দাঁড়ানো থেকে সেজদা দিতে যাবার সময় দাঁড়ানো অবস্থা থেকে সোজা নিচের দিকে আছড়ে পড়ি। আমি নিজেকে চিনতে পারছিলাম না কেন আমার আপন দুটো হাঁটু আমার সাথে এমন বেইমানী করল! সামনে স্টিলের জিনিসপত্র ছিল ভাগ্যিস বেঁচে গেছি। সে থেকে দীর্ঘদিন আর হাঁটু বাঁকা করতে পারতাম না। ডাক্তারের নিষেধ ছিল, যতক্ষণ ব্যথা না কমে, বসা যাবেনা এমনকি সে ধরনে বসার চেষ্টাও করা যাবেনা। ব্যথা কমলে যাতে হাঁটুর ব্যায়াম করা হয়, তাহলে ভাল হয়ে উঠা যাবে। দীর্ঘ ত্রিশ বছর চেয়ারে বসে চাকুরী করার কারণে মাংসপেশি শক্ত হয়ে যাবার ফলে এই সমস্যাটি হয়।
যাক, আমিও চেয়ারে বসে দিন কয়েক নামাজ পড়লাম। এই নামাজে মোটেও মজা পাইনি। প্রায় নব্বই বছর বয়স্ক এক আরবি বৃদ্ধকে মসজিদে নামাজ পড়তে দেখলাম। তিনি বসলে উঠতে পারেন না এবং উঠলে বসতে পারতেন না। তারপরও এক অদ্ভুত উপায়ে, মসজিদের দেয়াল আঁকড়ে ধরে, বহু কষ্টে নামাজে দাঁড়ান। প্রতিবার দাঁড়াতে পারলে তিনি বলেন ‘আলহামদুলিল্লাহ’। এ দৃশ্য আমাকে খুব অনুপ্রাণিত করে, আমিও আল্লাহর কাছে সাহায্য চাই। আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ আমার প্রতি অনেক করুণা করেছেন, সাঁতার কাটা, উঠবস করার মাধ্যমে সেটি ভাল হয়ে যায়।
ঘটনাক্রমে আমার এক সহপাঠীর একই সমস্যা দেখা দেয়। তিনি ব্যায়াম করেও ভাল হতে পারেন নি। কেননা তার হাড় ক্ষয় হয়ে হাড়ে হাড়ে ঘষা লাগত, প্রচণ্ড ব্যথা পায়। তিনি নিয়মিত নামাজি ফলে চেয়ারে নামাজ পড়তে থাকলেন। কিন্তু তিনি আর বাঁকাই হতে পারেন না। তারও চেষ্টার ত্রুটি ছিলনা। তের বছর এভাবে যাবার পর বলল, ঈশ হাঁটু বাঁকা করে যদি একবার নামাজে বসতে পারতাম, আর দাঁড়াতাম না, শুধুই মোনাজাত করে আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি করতাম! একই রোগে আক্রান্ত, আমার পরিচিত এক নামাজি মহিলার সম্পর্কে জানি, তার স্বামী অগাধ অর্থ খরচ করে অপারেশনের মাধ্যমে স্ত্রীর দুটো হাঁটুই বদলিয়ে ফেলেছে। তাতেও সুফল হয়নি!
কথা বাড়ালে বহু কথা বলা যায়। যুগের পরিবর্তনের সাথে নতুন নতুন রোগের জন্ম হচ্ছে। এটিও সে ধরনের একটি রোগ। সাঁতার কাটার মাধ্যমে আমার সমস্যাটি দূর হয়েছে। এই প্রবাসে একমাত্র ধনীরাই সুইমিং পুলে সাতার কাটতে পারে। সাগরে পারে সবাই, যদি সাগর কাছে থাকে, আমি সে সুযোগ পেয়েছিলাম। কিন্তু বাংলার গ্রামীণ জীবনে দেখেছি এখন গরীব মানুষেরাই পুকুরে সাতার কাটে। ধনীরা ঘরের ভিতরেই গোসল করে! মানুষ এখন আগের মত কায়িক পরিশ্রম করেনা, দীর্ঘপথ হাটে না, ভারী জিনিষ বহন করেনা, মাটিতে বসে না, খালি পায়ে দৌড়ায় না। ফলে এই রোগগুলো বাড়ছেই। আবার চিনি-চর্বি যুক্ত খাবার খাচ্ছে বেহিসাবে। ‘ফাস্ট ফুডে’ এই রোগ দ্রুত বাড়ে, মানুষের পকেটে টাকা আছে প্রতি ওয়াক্তে মাছ-গোশত খাচ্ছে, এটাও একটা কারণ। এ কারণে এসব রোগ বাড়ছে। হাড় ক্ষয় না হবার জন্য ভিটামিন খাচ্ছে কিন্তু দুধ খাচ্ছে না। অথচ হাড়ের ক্ষয় রোধ করার জন্য, দুধ হল দুনিয়ার শ্রেষ্ঠতম উপাদানের অন্যতম।
যাই হোক জীবন যাত্রা, মানুষের অভ্যাসের কারণে নিত্য-নতুন রোগের বিস্তার ঘটছে। যার দৃষ্টিতে যিনি চেয়ারে বসে বেয়াদবি করছে বলে মনে হচ্ছে, তাকেই তো ডেকে প্রশ্ন করা যায় যে, তার বসতে সমস্যা কোথায়? তার মুখ থেকে সমস্যার আশু বিবরণ শুনলে হয়ত আমাদের উত্তেজিত না হয়ে আরো সুন্দর পরামর্শ দেওয়া যেত। আজকে আমরা যারা হাঁটতে পারছি আসুন আল্লাহর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, কাল আমারও তা হতে পারে। আর যারা সমস্যায় আছে তাদের প্রশ্ন করি তারা কেমন আছে? তার থেকে যে উত্তর পাওয়া যাবে, সেটাতেই অন্তর্দৃষ্টি মেলে যাবে। অনর্থক মনে গোস্বা আসবে না।
বাংলাদেশের দু’জন নামকরা ওয়ায়েজিন কে দর্শক-স্রোতাদের পক্ষ হতে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে, চেয়ারে বসে নামাজ পড়া জায়েজ হবে কি না? ঘটনাক্রমে তাঁরা দু’জনই এই প্রশ্নে অনেকটা উত্তেজিত হয়ে উত্তর দিয়ে বলছেন যে, “যারা বাগানে গিয়ে হর হর করে হাঁটতে পারে, তাদের মসজিদে এসে বসতে দোষ কোথায়?” মসজিদে চেয়ারে বসে এবাদত করাটা তাঁদের দৃষ্টিতে অনেকটা দৃষ্টিকটু এবং এতে অহঙ্কৃতের প্রকাশ ঘটে। আশ্চর্য ঘটনা হল, তারা দু’জনেই আবার শারীরিক সমস্যার কারণে ‘ওজর’ কে গুরুত্ব দিয়েছে। অর্থাৎ ‘ওজর’ তথা বাস্তবিকই সমস্যা থাকলে ইসলামে ছাড় আছে। কিন্তু ওজর থাকার কারণে চেয়ারে বসে নামাজ পড়া যাবে কিনা সে ব্যাপারটি পরিষ্কার করেন নি। জানিনা দেশে এ ধরনের আরো ওয়ায়েজীন আছে কিনা? মূলত এই প্রশ্নের উত্তর দেবার আগে যদি, তাঁরা ডাক্তারের পরামর্শ নিতেন তাহলে ফতওয়া দেওয়াটা অনেকটা সহজ হত। অবশ্যই এসব ওয়ায়েজিনদের অনেক ডাক্তার শুভাকাঙ্ক্ষী থেকে থাকবে।
এ নিয়ে যথেষ্ট লেখাপড়া করেছি এবং নিজেও কিছু তিক্ত অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। তারই আলোকে দেখা যায়, এই সমস্যাটি রোগীর কয়েকটি কারণে হয়ে থাকে। যথাক্রমে,
১. হাড় ক্ষয় হলে
২. রক্তে ইউরিক এসিড বেড়ে গেলে, কিংবা
৩. রক্তে আমিষের পরিমাণে আধিক্য হলে
৪. হাঁটুর মাংসপেশি শক্ত হয়ে গেলে
আরো কিছু কারণ আছে, লিখলাম না। কেননা এটা ডাক্তারি পোষ্ট নয়। এই রোগের ব্যথায় হাটুকে মুচড়িয়ে বসা যায়না যেভাবে নামাজে তাশাহুদ পড়ার সময় বসতে হয়। তবে এই সমস্যায় অনেক সময় হাঁটা যায়, ড্রাইভিং করা যায়, সাঁতরানো যায় এমনকি কিছুপথ দৌঁড়ানো যায়। রোগের ধরনটাই এমন! এখন কোন ব্যক্তি যদি ড্রাইভিং করে কিংবা দীর্ঘপথ হেটে মসজিদে ঢুকে চেয়ারে নামাজ পড়তে বসে যায়, তাহলে তার প্রতি ক্ষোভ দেখানো কতটা সু-বিজ্ঞের কাজ হতে পারে? প্রশ্ন হল,
– বসার সমস্যাটি ওজর কিংবা ডাক্তারী হিসেবে যুক্তিযুক্ত হলে চেয়ারে বসে নামাজ পড়া যাবে কিনা?
– যদি চেয়ারে বসে নামাজ পড়াটা সঠিক না হয়, তাহলে এক্ষেত্রে কি করা উচিত?
একদা নামাজে দাঁড়ানো থেকে সেজদা দিতে যাবার সময় দাঁড়ানো অবস্থা থেকে সোজা নিচের দিকে আছড়ে পড়ি। আমি নিজেকে চিনতে পারছিলাম না কেন আমার আপন দুটো হাঁটু আমার সাথে এমন বেইমানী করল! সামনে স্টিলের জিনিসপত্র ছিল ভাগ্যিস বেঁচে গেছি। সে থেকে দীর্ঘদিন আর হাঁটু বাঁকা করতে পারতাম না। ডাক্তারের নিষেধ ছিল, যতক্ষণ ব্যথা না কমে, বসা যাবেনা এমনকি সে ধরনে বসার চেষ্টাও করা যাবেনা। ব্যথা কমলে যাতে হাঁটুর ব্যায়াম করা হয়, তাহলে ভাল হয়ে উঠা যাবে। দীর্ঘ ত্রিশ বছর চেয়ারে বসে চাকুরী করার কারণে মাংসপেশি শক্ত হয়ে যাবার ফলে এই সমস্যাটি হয়।
যাক, আমিও চেয়ারে বসে দিন কয়েক নামাজ পড়লাম। এই নামাজে মোটেও মজা পাইনি। প্রায় নব্বই বছর বয়স্ক এক আরবি বৃদ্ধকে মসজিদে নামাজ পড়তে দেখলাম। তিনি বসলে উঠতে পারেন না এবং উঠলে বসতে পারতেন না। তারপরও এক অদ্ভুত উপায়ে, মসজিদের দেয়াল আঁকড়ে ধরে, বহু কষ্টে নামাজে দাঁড়ান। প্রতিবার দাঁড়াতে পারলে তিনি বলেন ‘আলহামদুলিল্লাহ’। এ দৃশ্য আমাকে খুব অনুপ্রাণিত করে, আমিও আল্লাহর কাছে সাহায্য চাই। আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ আমার প্রতি অনেক করুণা করেছেন, সাঁতার কাটা, উঠবস করার মাধ্যমে সেটি ভাল হয়ে যায়।
ঘটনাক্রমে আমার এক সহপাঠীর একই সমস্যা দেখা দেয়। তিনি ব্যায়াম করেও ভাল হতে পারেন নি। কেননা তার হাড় ক্ষয় হয়ে হাড়ে হাড়ে ঘষা লাগত, প্রচণ্ড ব্যথা পায়। তিনি নিয়মিত নামাজি ফলে চেয়ারে নামাজ পড়তে থাকলেন। কিন্তু তিনি আর বাঁকাই হতে পারেন না। তারও চেষ্টার ত্রুটি ছিলনা। তের বছর এভাবে যাবার পর বলল, ঈশ হাঁটু বাঁকা করে যদি একবার নামাজে বসতে পারতাম, আর দাঁড়াতাম না, শুধুই মোনাজাত করে আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি করতাম! একই রোগে আক্রান্ত, আমার পরিচিত এক নামাজি মহিলার সম্পর্কে জানি, তার স্বামী অগাধ অর্থ খরচ করে অপারেশনের মাধ্যমে স্ত্রীর দুটো হাঁটুই বদলিয়ে ফেলেছে। তাতেও সুফল হয়নি!
কথা বাড়ালে বহু কথা বলা যায়। যুগের পরিবর্তনের সাথে নতুন নতুন রোগের জন্ম হচ্ছে। এটিও সে ধরনের একটি রোগ। সাঁতার কাটার মাধ্যমে আমার সমস্যাটি দূর হয়েছে। এই প্রবাসে একমাত্র ধনীরাই সুইমিং পুলে সাতার কাটতে পারে। সাগরে পারে সবাই, যদি সাগর কাছে থাকে, আমি সে সুযোগ পেয়েছিলাম। কিন্তু বাংলার গ্রামীণ জীবনে দেখেছি এখন গরীব মানুষেরাই পুকুরে সাতার কাটে। ধনীরা ঘরের ভিতরেই গোসল করে! মানুষ এখন আগের মত কায়িক পরিশ্রম করেনা, দীর্ঘপথ হাটে না, ভারী জিনিষ বহন করেনা, মাটিতে বসে না, খালি পায়ে দৌড়ায় না। ফলে এই রোগগুলো বাড়ছেই। আবার চিনি-চর্বি যুক্ত খাবার খাচ্ছে বেহিসাবে। ‘ফাস্ট ফুডে’ এই রোগ দ্রুত বাড়ে, মানুষের পকেটে টাকা আছে প্রতি ওয়াক্তে মাছ-গোশত খাচ্ছে, এটাও একটা কারণ। এ কারণে এসব রোগ বাড়ছে। হাড় ক্ষয় না হবার জন্য ভিটামিন খাচ্ছে কিন্তু দুধ খাচ্ছে না। অথচ হাড়ের ক্ষয় রোধ করার জন্য, দুধ হল দুনিয়ার শ্রেষ্ঠতম উপাদানের অন্যতম।
যাই হোক জীবন যাত্রা, মানুষের অভ্যাসের কারণে নিত্য-নতুন রোগের বিস্তার ঘটছে। যার দৃষ্টিতে যিনি চেয়ারে বসে বেয়াদবি করছে বলে মনে হচ্ছে, তাকেই তো ডেকে প্রশ্ন করা যায় যে, তার বসতে সমস্যা কোথায়? তার মুখ থেকে সমস্যার আশু বিবরণ শুনলে হয়ত আমাদের উত্তেজিত না হয়ে আরো সুন্দর পরামর্শ দেওয়া যেত। আজকে আমরা যারা হাঁটতে পারছি আসুন আল্লাহর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, কাল আমারও তা হতে পারে। আর যারা সমস্যায় আছে তাদের প্রশ্ন করি তারা কেমন আছে? তার থেকে যে উত্তর পাওয়া যাবে, সেটাতেই অন্তর্দৃষ্টি মেলে যাবে। অনর্থক মনে গোস্বা আসবে না।

Discussion about this post