রাসুল (সাঃ) বলেছেন, ‘রোগমুক্তি আছে তিনটি জিনিসে। শিঙ্গা লাগানোতে, মধু পানে এবং আগুন দিয়ে দাগ দেয়াতে। আমার উম্মাতকে আগুন দিয়ে দাগ দিতে নিষেধ করছি’। বুখারী-৫৬৮১
উল্লেখ্য, রাসুল (সাঃ) অর্থের বিনিময়ে নিজের শরীরে শিঙ্গা লাগিয়েছেন। শিঙ্গাকে আরবি ভাষায় ‘হিজামা’ বলে। পরিণত বয়সে বাত-ব্যথা মানুষকে কাহিল করে ফেলে, প্রচুর এন্টিবায়োটিক ও ব্যথার ঔষধ খেয়েও সুফল আসেনা। আধুনিক গবেষণায় দেখা গেছে, এসব হয় মাংসপেশি সংকোচন ও রক্তচলাচল সঠিক ভাবে না হবার কারণেই। ফলে ফিজিও থেরাপির ডিম্যান্ড বাড়ছে।
শিঙ্গা বসানো হল এই রোগের অব্যর্থ চিকিৎসা। এতে বসে থাকা রক্ত সড়ে পড়ে এবং শিথিল মাংসপেশি সতেজ হয়। রোগী অল্প পরেই পার্থক্য বুঝতে পারে। মাথা ব্যথা, পিঠের ব্যথা, পায়ের ও কোমরের ব্যথা সহ বহু রোগের জন্য ইদানীং এই পদ্ধতি প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যে বিকাশ লাভ করেছে।
শিঙ্গা লাগানোকে রাসুল (সাঃ) অনেক গুরত্ব দিতেন, তিনি রোজার সময় শিঙ্গা লাগিয়েছেন এমনকি হজ্বের সময় ইহরাম বাঁধা অবস্থায়ও শিঙ্গা লাগিয়েছেন। ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, মাথা ব্যথা দূর করার নিমিত্তে রাসুল (সাঃ) মাথায় শিঙ্গা বসিয়েছেন। বুখারী-৫৬৯৫

Discussion about this post