Tipu vai
  • মুলপাতা
  • ধর্ম
    • ইসলাম
    • কোরআন
    • হাদিস
    • ডায়েরি
    • জীবনী
  • সাহিত্য
    • গল্প
    • রচনা
    • প্রবন্ধ
    • রম্য রচনা
    • সামাজিক
  • পরিবেশ
    • উদ্ভিদ জগত
    • প্রাণী জগত
    • ভেষজ হার্বাল
    • জলবায়ু
  • শিক্ষা
    • প্রাতিষ্ঠানিক
    • মৌলিক
    • ইতিহাস
    • বিজ্ঞান
    • ভ্রমণ
    • শিশু-কিশোর
  • বিবিধ
    • ঘরে-বাইরে
    • জীবন বৈচিত্র্য
    • প্রতিবেদন
    • রাজনীতি
    • তথ্যকণিকা
  • লেখক পরিচিতি
No Result
View All Result
নজরুল ইসলাম টিপু
  • মুলপাতা
  • ধর্ম
    • ইসলাম
    • কোরআন
    • হাদিস
    • ডায়েরি
    • জীবনী
  • সাহিত্য
    • গল্প
    • রচনা
    • প্রবন্ধ
    • রম্য রচনা
    • সামাজিক
  • পরিবেশ
    • উদ্ভিদ জগত
    • প্রাণী জগত
    • ভেষজ হার্বাল
    • জলবায়ু
  • শিক্ষা
    • প্রাতিষ্ঠানিক
    • মৌলিক
    • ইতিহাস
    • বিজ্ঞান
    • ভ্রমণ
    • শিশু-কিশোর
  • বিবিধ
    • ঘরে-বাইরে
    • জীবন বৈচিত্র্য
    • প্রতিবেদন
    • রাজনীতি
    • তথ্যকণিকা
  • লেখক পরিচিতি
No Result
View All Result
নজরুল ইসলাম টিপু
No Result
View All Result

ছাগলে সর্বস্বান্ত মরুর পাগল

আগস্ট ২৫, ২০২০
in জীবন বৈচিত্র্য
1 min read
0
বেদুইন
শেয়ার করুন
        

দূরে তাকিয়ে দেখি, একটা ছাগল আমার স্পঞ্জের স্যান্ডেলের কিছুটা অংশ সজোরে চিবোচ্ছে! অন্যরা পলিথিন নিয়ে ব্যস্ত! তখনই মাথায় যেন বজ্রপাত হল। আমি ভাবছিলাম বিস্কুট-মুড়িই হয়ত খেয়ে নিবে। তাই খাদ্যের আশা আমি ছেড়ে দিয়েছিলাম। বাংলা প্রবাদে আছে “পাগলে কিনা বলে, ছাগলে কিনা খায়”। এটাকে আমি কথা কথা মনে করতাম। কেননা দেশে কোনদিন এর পক্ষে প্রমাণ পাইনি। তাই ছাগলের মত শান্ত প্রাণীর চরিত্রে কোন হুমকি দেখিনি। কিন্তু এই ছাগলের পাল আমার সর্বস্ব খুইয়েছে, চরম সর্বনাশ ঘটিয়েছে। ছাগলে সর্বস্বান্ত মরুর পাগল

রাতের ভয়ানক ঠাণ্ডায় বাড়তি স্যান্ডেল জোড়া অনেক কাজ দিবে। তাই স্যান্ডেল উদ্ধার করার জন্য দিলাম দৌড়। মাথার টুপিটা নিচে পড়ে গেল। পাশেই দাড়িয়ে ছিল আরেক ছাগল, ফিরে আসার আগেই সেটা সে ছো মেরে মুখে তুলে নিল। ছাগলের সাথে লড়াই করতে গিয়ে আমি রীতিমত পাগল হয়ে উঠলাম। এই এলাকায় আমার আগমন একজন ইমাম হিসেবে, পরবর্তী পরিচয় আমি একজন মেহমান। কারো সাথে এখনও পরিচয় হয়ে উঠেনি। সেই ব্যক্তিকে যদি সম্পদ বাঁচাতে ছাগলের সাথে কাড়াকাড়িতে লিপ্ত হতে হয়! এই বিষয়টি ভাবতে সহজ লাগলেও কাজটি কিন্তু শুরুতে আমার কাছে খুবই বেমানান ঠেকছিল। তাই শুরুতে কাড়াকাড়িতে হাত লাগাই নি। যখন বুঝলাম ছাগল সবই খেয়ে নিবে, ঠাণ্ডায় কষ্ট পেতে হবে, উলঙ্গ হয়ে চলতে হবে, তখনই হুশ ফিরে আসে কিন্তু যথেষ্ট দেরী করে। যদি একেবারে শুরুতেই আমিও কাড়াকাড়িতে লিপ্ত হতাম তাহলে হয়ত কিছু জিনিষ হয়ত উদ্ধার করতে পারতাম।

আরো পড়ুন….

  • সেই দুর্ভাগা মরুচারী
  • বিবর্ণ ভাগ্য ও মরুচারী জায়েদ
  • অলস মানুষ লজ্জাহীন ও সমাজের বোঝা

হয়ত ভাবছেন বেদুইন দম্পতির কি ভূমিকা ছিল? আমার এই অসহায় দশায় তাদের কোন ভাবান্তর হয়নি! বেদুইন হাসিতেছিল আর বুড়ি আমার বে-আকলির জন্য সজোরে তিরস্কার করে যাচ্ছিল। আমি কেমন মানুষ? কিভাবে ইমামতি করব? বেকুব, অকর্মা বলে খিস্তি খেউর চলছিল। জিনিষ হারানোর বেদনা, ছাগল চরানোর ভীতি ও চরম অপমানে জর্জরিত হলাম। বেদুইনের চরিত্র সম্পর্কে আমি পরিচিত ছিলাম বলে কিছুটা সহজে ব্যাপারটি সামলাতে পারলাম। কান্না আসার বাকি ছিল কিন্তু এসব মানুষের কাছে কান্না বড় পরিহাস তুল্য।

বেদুইন সদয় হয়ে এগিয়ে এসে বলল, দুশ্চিন্তা করোনা। তুমি তো আমাদের সাথেই থাকবে তাই তোমার খানাপিনার কোন চিন্তা করতে হবেনা। তাছাড়া তোমার খাদ্য সামগ্রীর বড় অংশ তো ভাগ্যগুণে বেঁচে গেছে। ছাগলে সর্বস্বান্ত মরুর পাগল

আমি চোখ ছানাবড়া করে বললাম কিভাবে বাঁচল। তুমি কি দেখনাই তোমার ছাগলের পাল আমার কিছুই অবশিষ্ট রাখে নাই! বেদুইন হেসেই গাড়ির কাছে গিয়ে কয়েকটি পলিথিন বের করল। সেগুলো আমার পলিথিনের মতই দেখতে। বেদুইন বলল এগুলো তোমারই। তুমি নিচে রেখেছিলে আমিই আবার গাড়িতে তুলে রেখেছিলাম। তবে তুমি ওখানে কিছু পলিথিন রেখেছিলে, সেটা আমি দেখিনি। নতুবা সেগুলো সরিয়ে রাখতাম। তাই আমি তোমার বিপদের মাত্রা বুঝি নি। বেদুইনের এই সংবাদ যেন আমার জন্য আসমান থেকে আসা খোদায়ী রহম বলে মনে হল। মনে হল আল্লাহ যেন আমাকে রক্ষা করতে অগ্রিম ফেরেশতা পাঠিয়েছিল। পরিশেষে হিসেব করে দেখলাম ছাগলের পাল আমার সাবান, টুথপেষ্ট, মুড়ি, চনাচুর ও কিছু রুটি সাবাড় করতে পেরেছে কিংবা নষ্ট করেছে। কিন্তু আল্লাহর রহমে অনেকগুলো খাদ্য তখনও অবশিষ্ট আছে।

মরুভূমির ছাগল প্লাস্টিক, পাতলা টিন, কার্টুন, গাছের ছাল, পচা কাপড় সবই খেতে চেষ্টা করে। ছাগলগুলোকে খেজুর গাছের খুঁটি দিয়ে ঘেরা একটি জায়গায় আবদ্ধ করা হলো। দু-একটি ছাগল থেকে বুড়ি দুধ সংগ্রহ করল, মাঝারী আকৃতির একটি ছাগল আমার সহযোগিতায় জবাই করা হলো। আমাকে বলা হলো পরিষ্কার করতে। ইতিমধ্যে বুড়ি চামড়ার মশক ভরে পানি আনলেন। বহু কষ্টে এক ঢোক পানি পান করলাম। বিস্বাদ, প্রায় লবণাক্ত, কষা আকৃতির স্বাদের এই পানি খাওয়ার উপযোগী তো নয়ই; একদিন মাথায় দিয়েছিলাম, ফলে চুলে এমন জট লাগে যা আজো খুলে নি, মনে হয় মাথায় সুইংগাম মাখিয়েছি!

ওদিকে বেদুইন পত্নী পানিতে না ধুয়েই ছাগলের গোশত আগুনে তুলে দিল। যাকে সোজা বাংলায় বলা যায় গোশত পোড়ানো। ভয়ঙ্কর খিদে থাকার পরও ভয়ে কাহিল হয়ে যাচ্ছি এই পোড়া গোশত কিভাবে খাওয়া হবে? আমাদের গ্রামের একপাশে নদী, তার ওপাশে শ্মশান। মাঝে মধ্যে মানুষ পোড়ার বিশ্রী দুর্গন্ধ লোকালয়ে পৌঁছে যেত। ওমানের আসার পরে শুনেছি এরা গোশত পুড়ে খায়। কিন্তু যতবারই কথাটি শুনেছি ততবারই সেই মানুষ পোড়ার তীব্র গন্ধের কথা মনে পড়ে যেত। আজ আমি তারই মোকাবেলা করতে বসেছি। তাদের জীবনের সাথে মিশে হয় একাকার হতে হবে নতুবা মরতে হবে তবুও বিরাট এই মরুভূমি থেকে পালাবার পথ পাওয়া যাবে না।

বুড়ির গায়ের চামড়া দেখতে কিসমিসের মত হয়ে পড়েছিল তারপরও মনে হল তিনি অসম্ভব শক্তিশালী। সব কাজ সে একাই করল। আমাকে রোগা-কঙ্কালসার বলে দুঃখ প্রকাশ করল। তাই বেশী করে গোশত খাওয়ার পরামর্শ দিল। ততক্ষণে পোড়া গোশত থেকে দারুণ সুঘ্রাণ বের হচ্ছিল। গোশতের ঘ্রাণে আমার দুশ্চিন্তার ভাবও আস্তে ধীরে প্রশমিত হতে থাকল। পাউরুটি দিয়ে তা পরিবেশিত হল। আবারো দুধ পান করা হল। মূলত এরা দুধ, রুটি, গোশত, গাজর, শসা এসবই খেয়ে থাকে। নির্ভেজাল এসব খাদ্যে তাদের গায়ে বল বেশী রোগ কম। কয়েকদিন পরে ওসব খানায় আমিও অভ্যস্ত হয়ে পড়লাম। ছাগলে সর্বস্বান্ত মরুর পাগল

এবার আসল প্রশ্নটাই তাকে করলাম, আমি কোথায় থাকব? বুড়ি ডান পাশের একটি জায়গা দেখিয়ে বলল ওই বৈঠক খানায়। চোখ বড় করে তাকালাম কোথায় সেই বৈঠক খানা! আবারো আঁতকে উঠলাম। তাদের ঝুপড়ি ঘরের ঠিক উল্টো দিকে, খেজুরের কিছু শুকনো ডাল-পালাকে ঝুপড়ির সাথে হেলান দিয়ে তিন কোণাকৃতির ছাউনির ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেটা আমি বিকালেই দেখেছি। প্রথমে মনে করেছিলাম ওটা ছাগলের জন্য বানানো। কেননা সেটায় ছাগলের আসা যাওয়া ও অবস্থানের নিদর্শন আছে। আবার ভেবেছিলাম তাদের কেউ ওখানে আড্ডা দেয়। আরো পরে ভাবলাম এরা সর্বসাকুল্যে দুজন মানুষ। তাহলে ওই খালি ছাউনি কিসের জন্য? এসব দুঃচিন্তায় আমার ষোলকলা পূর্ণ হবার বাকী ছিল কেননা এখন শুনলাম ওটা নাকি মেহমান খানা এবং সেখানেই আমাকে থাকতে হবে!

বুড়ি বললেন, দেখো মরুভূমিতে রাত জাগা কিংবা দিন কাটানোয় কিছু নিয়ম নীতি আছে। তোমাকে দেখে তো অলস মানুষ বলে মনে হয়! তার উপর বেকুব-অকর্মা! হুশিয়ার না হলে বিপদ আছে। চলাচলে হেরফের হলে কপালে খারাবি আছে। আমি এমনিতেই দুঃচিন্তায় কাহিল তার উপর বুড়ির এধরনের কথাবার্তায় মাথা ঘুরিয়ে উঠার জোগাড়। তারপরও তো শুনতে হবে, কেননা ছাগলের আক্রমণের সময় দেখেছি তারা তাকিয়ে তামাশা দেখছিল আর পরিশেষে মন্তব্য করল আমিই নাকি বেকুব!

বুড়ি বলতে রইল, হুশিয়ারির সাথে নিজ দায়িত্বে ঘুমাতে হবে। রাতে কনকনে ঠাণ্ডা হাওয়া বইবে। মুখ-হাত-শরীর যেন প্রবল ঠাণ্ডা বাতাস থেকে বাঁচিয়ে রাখি। যেদিক থেকে হাওয়া বইবে সেদিকে যেন মুখ-বুক না রাখা হয়। সর্দিতে নাক বন্ধ কিংবা বুক শক্ত হয়ে যেতে পারে। এই অবস্থায় নাকে সর্দি দেখা না দিলেও নিস্তার নেই। অনবরত কয়েকদিন নাক জ্বলতে থাকবে। নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হবে। তখন বেশী বেশী কাজ করতে হবে এবং শুধুমাত্র গরম দুধ বেশী পান করেই দিন কাটাতে হবে।

সাত সকালে ধূলি ঝড় শুরু হবে। বেলা বাড়ার সাথে সাথে তার গতিও বাড়তে থাকে। এই ঝড় দীর্ঘসময় ধরে চলে। যদি খাদ্য দ্রব্য, কাপড় চোপর সামলে রাখা না হয়। তাহলে বাতাসে উড়িয়ে নিয়ে যাবে। আর যদি বাতাস তা উড়াতে না পারে, তাহলে অবশ্যই সে সব জিনিষ বালির নিচে চাপা পড়বে। সবই বালির নীচে গায়েব হয়ে যাবে। বেলা বাড়লে লূ হাওয়া বইতে শুরু করে, তখন চোখ-মুখ সামলে রাখবে। গরম বালি চামড়ায় পড়লে তা পুড়ে যাবে এবং ফোস্কা পড়বে। একবার ফোস্কা পড়লে খবর আছে, মরুভূমির কাঁটা মাছি থেকে পরিত্রাণ পাবেনা…।

এধরনের লম্বা সাবধান বানী শুনতে গিয়ে আমি আর ধৈর্য রাখতে পারলাম না। নিজেই চিৎকার দিয়ে বুড়িকে বকবক করতে নিষেধ করলাম। কারণ তার হুশিয়ারি বানীর প্রথমটি থেকে দ্বিতীয়টি কঠিন, তৃতীয়টি আরো জটিল, চতুর্থটি তারচেয়েও ভয়াবহ হবে; হয়ত আরো শুনতে গেলে আমি নিজেই মারা পড়ব। তাকে প্রশ্ন করলাম তোমরা তো আমাকে নামাজ পড়ানোর জন্যই এনেছ, নামাজ কোথায় পড়া হবে? কাদের নামাজ পড়াব? এখানে তো তোমরা দুজন বুড়ো-বুড়ি ছাগল, গাধা ছাড়া আর কিছু্ই তো দেখছিনা!

আমার কথা শুনে বেদুইন পরিবার আমার মনের কথা বুঝে বলল। তখন বুড়ি বলল, তোমাকে প্রথম মনে করেছিলাম অলস এখন তো দেখি তুমি চরম ধৈর্যহীনও বটে। রমজানের নামাজ পড়ানোর জন্য আগে তো রমজানের চাঁদ দেখা যেতে হবে। তোমার মত নির্বোধ মানুষ তো আমরা আগে কখনও দেখিনি! আজ সন্ধ্যায় চাঁদ উঠলে রাতেই তারাবীহ হবে, কাল উঠলে কাল হবে। সেই সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা যায় নি। সারাদিনের ঝক্কি ঝামেলায় শরীর কাহিল হয়ে পড়েছিল। অতএব সেই কঠিন দিনের প্রথম রাত মোকাবেলা করা পালা।

বেদুইনের পূর্বের পরামর্শ মোতাবেক কম্বল, বালিশ সহ যথাসাধ্য গরম কাপড় ও দিনের জন্য আলাদা কাপড় এনেছিলাম। এত ঘন অন্ধকারে, কোন নিরাপত্তা বেষ্টনী ব্যতীত একাকী কখনও রাত কাটাই নি। কত বাজে কথা মনে পড়ে, সবচেয়ে যেটি বেশী মনে পড়ল সেটা হলো, রাত্রে কোন প্রাণী হামলে পড়বে নাতো। অন্ধকারেই চিল্লায়ে প্রশ্ন করলাম, রাতে যদি শৃগাল আসে! বুড়ি খেঁক করে বলে উঠল, তুমি তো দেখছি আস্ত একটি ভীতু লোক! এ ধরণের প্রশ্ন করতে তোমার শরম করেনা! হায়ওয়ান (জন্তু-জানোয়ার) তোমাকে ধরার আগে আমার ছাগলকে আগে ধরবে। বুড়ো যোগ করে বলল, আমাদের সারা জীবনে কোনদিন একটি প্রাণীও হারানো যায় নি। আসলে এসব মানুষ আজীবন লড়াকু, তাই আমার প্রতিটা কথায় দুর্বলতার আভাষ পায়। যেভাবেই বলিনা কেন, সেটাতেই আমার অযোগ্যতা দেখতে পায়! তারপরও তাদের কথায় কিছুটা সাহস ফিরে আসে এই চিন্তায় যে, হিংস্র প্রাণী যদি এসেই যায় তাহলে আগে ছাগলের পালেই ঢুকবে! কথাটি একেবারে উড়িয়ে দেবার মত নয়!

বুড়ির পরামর্শ মোতাবেক পতিত গাছের ফালির ন্যায় এক কাইতে রাত কাটাতে শুয়ে পড়লাম। সবগুলো কাপড় গায়ে চড়ানোর পরও ঠাণ্ডায় কাহিল হবার যোগাড়! বুড়ির কাছে কম্বল আছে, আমাকে নিতে বলেছিল কিন্তু সারা জীবনে এত ধূলিমলিন কাঁথা-কম্বল কোথাও দেখিনি। কখন ঘুমের ঘোরে হারিয়ে গিয়েছিলাম মনে নেই।

কারো লাঠির মৃদু ধাক্কায় ঘুমটা ভেঙ্গে গেল; কেউ যেন চিল্লাচ্ছে। মনে হল স্বপ্ন দেখছি। আরো জোড়ে চিল্লানী শুনে ধর-ফরিয়ে লাফিয়ে উঠলাম। ভয় পেয়ে তড়াৎ করে লাফিয়ে উঠায় বেঁচে গেছি! নতুবা অন্য ইতিহাস হত। ততক্ষণে সকালের হাওয়া শুরু হয়ে গিয়েছিল। একটু একটু করে বালি এসে আমার চোখের কুঠরি দুটো ভরিয়ে ফেলেছিল। নাক মুখ বাঁধা ছিল বলে নাকে ঢোকেনি। যদি সহসা চোখ মেলতাম সব বালিই চোখের ভিতর ঢুকে যেত! তাই বুড়ি আমাকে আতঙ্কিত করেই ঘুম ভাঙ্গাতে গিয়েছে। বুড়ি বলল, তুমি কেমন ঘুম কাতরে মানুষ! জন্তু-জানোয়ারের ঘুম ভেঙ্গে গেছে আর তুমি মানুষ হয়ে এখনও ঘুমিয়ে আছ! একেবারে নাক ডেকে ঘুমচ্ছ! এই সময়ে এভাবে দীর্ঘক্ষণ ঘুমানো বিপদজনক!

ঘুম হতে উঠেই প্রস্রাবের চাপ অনুভব করলাম। তাই বুড়িকে প্রশ্ন করলাম তোমাদের টয়লেট কোথায়? বুড়ি এ ধরণের প্রশ্ন শুনে তাজ্জব হয়ে গেল! তার চেহারার বলি রেখা কুঞ্চিত হতে দেখে বিলক্ষণ বুঝতে পারছি নতুন আরেক মন্তব্যের আঘাতে জর্জরিত হতে যাচ্ছি। কেননা গতকাল থেকে তার দৃষ্টিতে আমি অলস, বেকুব, অকর্মা, ঘুমকাতুরে আরো কত কি! না এবার আর তেমন মন্তব্য করেনি, তবে যে পরামর্শ দিল জীবনে তা শুনতে হবে ভাবিনি! আমি ছাড়া জগতের আর কোন মানুষও বোধহয় শুনেনি। বুড়ি জানালেন, “সারা দুনিয়াটাই একটা পায়খানা”! তারপরও কি তোমার বসার জায়গার অভাব হবে? কোথাও গিয়ে বসে পড়। তবে বাড়ীর আশে পাশে নয়। নতুবা দুর্গন্ধ আর কাঁটা মাছির উৎপাত দু’টোই বাড়বে।

জীবনে সজ্ঞানে কোনদিন খোলা জায়গায় পায়খানা করি নি। তাই এটার অভিজ্ঞতা কেমন তাও বুঝিনি কিন্তু বুড়ি সারা বিশ্বকেই যেভাবে পায়খানা বানিয়ে দিয়েছে, সেটা তো চরম আপত্তিকর কথা! মরুভূমির বিশাল প্রান্তরে জায়গা সম্পত্তির জন্য লড়াই নেই, সম্পত্তির জন্য হানাহানিও নেই, এসব না দেখার কারণে ভূমির গুরুত্ব এরা বুঝবেনা, তাইতো বুড়ি এমন মন্তব্য করতে পেরেছে! তাছাড়া বাহিরের দুনিয়ায় এক হাত জায়গার জন্য কত মানুষ খুন হচ্ছে, সে সবের লোমহর্ষক কাহিনী তো এরা জানেনা। তাই দুনিয়াটাকে পায়খানার সাথে তুলনা করছে।

যাই হোক পয়ঃকর্ম এভাবেই সাড়তে হবে, কনফার্ম! কিন্তু এটা ভাবতে গিয়ে বুড়ির চোখ বরাবর তাকাতেই লজ্জা লাগছিল। আড়চোখে ডানে বামে তাকিয়ে দেখলাম, কোথায় হতে পারে সেই জায়গা। বুড়ির দৃষ্টিসীমার বাইরে গিয়ে পয়ঃকর্ম করতে হলে, কমপক্ষে এক কিলোমিটার হাঁটতে হবে। মনে মনে ভাবছি কি বিব্রতকর ঘটনা হবে, যেখানেই বসি বুড়ি আমাকে দেখে ফেলবেই। বুড়ি কিন্তু আমার মনোভাব ঠিকই বুঝে ফেলেছে। তাই সে অদূরে একটি জায়গা দেখিয়ে বলল ঐ দেখ তোমার বাবা (বেদুইন) পায়খানা করতে বসেছে! তুমিও তার সাথে গিয়ে বস! আশ্চর্য হলাম বেদুইনের শরম কোথায়? উল্টো সে হাতের ইশারায় আমায় ডাকছে তার সাথে যোগ দিতে! বোনের বিয়ের জন্য টাকা কামাতে এসে অশিক্ষিত, মূর্খ বেদুইনের খপ্পরে পড়ে একদিনের জীবনকে মনে হল এক বছরের সমান। ছাগলে সর্বস্বান্ত মরুর পাগল

সেদিন বিকাল বেলায় আমাকে একটি গাধা দেওয়া হল। এটার পিঠে করেই মসজিদে যেতে হবে। তাই গাধায় চড়ার প্রাকটিস চালাতে হবে। গাধা-ঘোড়া বহু দেখেছি কিন্তু কখনও স্পর্শ করে দেখা হয়নি। তবুও গাধায় চড়ার সুযোগটি আমার কাছে উৎসাহ ব্যঞ্জক মনে হল!

গাধা দেখতে খুব সোজা প্রকৃতির প্রাণী বলে মনে হয় কিন্তু কোন কারণে তার পিঠে বসা মানুষটিকে তার অপছন্দ হলে, সে এমন বাজে আচরণ করে যা বেদম পিটালেও কাজ হয়না। তাছাড়া সে ঘোড়ার মত তেজী ও প্রতিবাদী হয়না কিন্তু অ-জায়গায় এমন কাজ করবে তাতে আরোহীকে অপদস্থ হতে হয়। যেমন আরোহীকে পিটে নিয়ে সে হেলে-দুলে চলছে, তরতরিয়ে হাঁটছে আর আড়চোখে তাকাতে থাকবে নিকটস্থ কোন জঙ্গল কিংবা কাটা গাছ চোখে পড়ে কিনা। মরুভূমিতে সর্বত্রই কাটা গাছ জন্মে। আরোহী নিয়ে চলার সময় হঠাৎ করেই গাধা দিক পাল্টায়ে কাটা গাছের দিকে ধাবিত হতে থাকে! এতে করে আরোহী হতভম্ব হয়ে যায়, সংক্ষিপ্ত সময়ে গাধা থামাতে না পারলে আরোহী নিজেই কাঁটার ঝোপে আটকা পড়বে। তাই হুড়মুড় করে আরোহীকে লাফ দিয়ে নেমে যেতে হয়! গাধা আরোহীর এই পতন দৃশ্য খুব উপভোগ করে।

আমাকে নতুন আগন্তুক দেখে, বেদুইনের গাধার চরিত্রও এমনই পেলাম। বেশ কিছুক্ষণ খানা খাইয়ে, ভাব সৃষ্টির চেষ্টা করেও গাধার মন আকৃষ্ট করতে পারলাম না! যথারীতি বুড়ি খেঁকিয়ে উঠে বলল, গায়ে গতরে তোমাকে দেখতে মানুষের মত লাগলেও, তুমি আসলেই একটি নিষ্কর্মা জানোয়ারের মতই! ঘোড়ার পিটে বসার জন্য যুতসই জিন থাকে। কিন্তু বেদুইনেরা গাধায় জিন ব্যবহার করেনা। তাই অভ্যস্ত না হলে গাধার পিঠে বসাও নিরাপদ নয়। তাই আমি আপাতত না করে দিলাম।

সন্ধ্যার পরিষ্কার আকাশে রমজানের নতুন চাঁদ দেখা গেল। জীবনের এটাই প্রথম রমজানের তিক্ত অভিজ্ঞতা অর্জন। অতীত দিনের ফেলে আসা স্মৃতিগুলোর কথা মনে পড়ল। দেশীয় জীবনে রমজানের চাঁদ দেখায় আলাদা একটা অনুভূতি আছে। সবার সাথে ভাব বিনিময়, একে অন্যের সাথে অনুভূতির আদান-প্রদান হতো। কিন্তু এই বিরান মরুভূমিতে রমজানের বিরূপ অনুভূতি নেবার সুযোগ, জীবনে এইবার প্রথম, যা কারো সাথে ভাগাভাগি করতে পারিনি।

সন্ধ্যার একটু পরেই বেদুইন বলল, তারাবীর নামাজের সময় হয়েছে। আমাদের হেঁটে যেতে হবে। কালকেও তুমি গাধার তালিম (প্রশিক্ষণ) নিবে। আবছা অন্ধকারে ঢালু রাস্তায় প্রায় এক কিলোমিটার পথ চলার পর একটু আলোর দেখা পেলাম। সেখানে তিনটি গাড়ী ও পাঁচটি গাধা দাঁড়ানো আছে। এই বেদুইনের কাছেও গাড়ী ছিল কিন্তু এই পথটা গাড়ীর চালানোর মত উপযোগী নয়। আগেই যারা এসেছে, তারা গাড়ীর ব্যাটারি থেকে ভাল্ব জ্বালিয়ে আলোর ব্যবস্থা করেছে। মনে হল জায়গাটিতে ঘাস জন্মায়। বেদুইন বলল এখানেই আমরা প্রতিদিন তারাবীর নামাজ পড়ব। ওখানে একটি কুপ আছে, সেখানে পানি আছে, ওজু করে আস। পানি মুখে দিয়ে বুঝলাম এই কুপের পানিই বুড়ি আমাকে পান করতে দিয়েছিল।

উপস্থিত সবাই আমাকে সালাম জানাল। ‘মতোয়া’ (হুজুর) বলে সম্মান দেখাল। রাত্রির গাঢ় আঁধার ভেদ করে, বিজন, বিরান মরুভূমি থেকে জনা বিশেক মুসল্লি হাজির হল! ওজু শেষে দেখলাম তারা কোন একটা বিষয় নিয়ে নিজেদের মধ্যে বলাবলি করছিল। পরে আমাকে শহর থেকে নিয়ে আসা বেদুইন পেরেশান মুখে বলল, একটি দুঃসংবাদ আছে। কলিজা কট করে ধরল। মূলত আমি আমার নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত ছিলাম তাই প্রশ্ন করলাম কিসের দুঃসংবাদ?

বেদুইন বলল, আরো একজন হুজুর পাওয়া গেছে। দুই জনের চাকুরী তো হবেনা, একজনকেই রাখব। তাই তোমাদের দুজনের মধ্যে ইন্টারভিয়্যূ হবে। তুমি অর্ধেক নামাজ পড়াবে, সে অর্ধেক পড়াবে। যার পড়া ভাল হবে তাকেই রাখা হবে। কথাটা শুনে মাথায় যেন পাথর পড়ল। হায় কপাল! মরুভূমির জন-মানবহীন এলাকাতেও ইমামতির জন্য প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হতে হবে? কাজের জন্য ইন্টাভিয়্যূ দিতে হবে? তাও আবার চোখের শত্রু ভারতীয় কেরালার লোকজনের সাথে? তাকে প্রথম অর্ধেক নামাজ পড়াতে পাঠানো হল, আমার ভাগে দ্বিতীয় অর্ধেক। ফাইনালি তাদের কাছে আমার কণ্ঠস্বরই ভাল লাগল। ফলে আমার চাকুরী ফাইনাল। এতে বেদুইন নিজেকে গর্বিত ভাবতে লাগলেন।

মাকে (বুড়ো-বুড়িকে মা-বাবা বলতে হয়) প্রশ্ন করলাম তোমার ছেলে-মেয়ে নাই? বলল সব আছে। মেয়েদের বিয়ে দিয়েছি, বড় ছেলে জামেয়াতে (বিশ্ববিদ্যালয়ে) পড়েছে, এখন চাকুরী করে, বিয়ে করেছে, নাতী-নাতনী আছে; বাকী দুটি ছেলেও স্কুলে পড়ে। ওমানের সুলতান ‘কাবুজ’ ছেলেমেয়েদের স্কুলে না পাঠালে শাস্তির আইন চালু করেছে। গাড়ীর তেল দেয়না, প্রাপ্ত সুবিধাদি দেয়না। মরুভূমিতে পুলিশ এসে তাড়া করে। তাছাড়া ছেলেদের স্কুলে পাঠালে সরকার নগদ টাকা দেয়; সবজি ও ফল-মূল সস্তায় পাওয়া যায়। মেয়েদের বিয়ে দিয়েছি।

বুড়ির ভাষায় বড় ছেলেকে আগেই হুকুমত (রাষ্ট্র) নিয়ে গেছে। ছোট গুলিকেও ধরে নিয়ে মাদ্রাসায় (স্কুলে) দিয়েছে। বড় ছেলেই এসব করেছে, হুকুমত টাকা দেয়। আমাদেরকেও শহরে চলে যেতে বলেছে, গেলে নাকি টাকা দেবে। বলেই বুড়ি সরকারের এ অন্যায় বাড়াবাড়ির জন্য কান্না করল। সুলতানের এ জাতীয় অর্থহীন কাজের সমালোচনা করল।

আমি বললাম সুলতান তো এটা ভাল কাজ করেছে? বুড়ি প্রতিবাদ করল, ছেলেরা লেখাপড়া করলে তাতে আমার কি? আমার উট-ছাগল-গাধা, কে দেখবে? তারা কাকে দিয়ে যাবে এই সম্পদ? ছেলেরা একবার শহরে গেলে এখানে থাকতে চায়না বলে বুড়ি কান্না জুড়ে দিল। ছেলেদের সাথে দেখা সাক্ষাতের সুবাদে বেদুইন শহর চিনেছে, গাড়ী কিনেছে। দুই-তিন সপ্তাহ পর পর গিয়ে ছেলেদের দেখে আসে। বেদুইন পত্নী নগর জীবনকে ঘৃণা করে বলে, কখনও শহর তো দূরের কথা, বাজারেও যায়নি; তাই নাতীদেরও দেখতে যায়নি। এখানেই তার ভাল লাগে, শিক্ষিত ছেলের চাইতে অশিক্ষিত ছাগল তার কাছে অনেক প্রিয় ও বিশ্বস্ত! আজ ১৯ শে রমজান, বেদুইন এখানে ছেলেদের দেখতে এসেছে, আমিও তার সাথে বাজার করতে এসেছি, কিছুক্ষণ পরেই সে রওয়ানা হবে, যার কারণে আমার কাছে সময় নাই। গত ২০ দিনের ঘাম পোশাকের মধ্যেই শুকিয়েছে, আবার ঘেমেছি, আবার শুকিয়েছে, তাই আজ আমার এই দশা।

জায়েদকে প্রশ্ন করলাম, আবারো সেখানে ফিরে যাবে? তাছাড়া তারা তোমার টাকা না দিলে কি করবে? জায়েদ বলল, এই মানুষগুলো মিথ্যা বলেনা, ধোঁকা দেয়না, আধুনিক জীবন থেকে দূরে থাকলেও প্রতারক-প্রবঞ্চক নয়। আমার সাথে যে ওয়াদা করেছে তাতো দেবেই তাছাড়া আরো ভাল বকশিশ দিবে বলেছে। আমিও তাদের সাথে মিশে গিয়ে তাদের পছন্দের মানুষ হয়ে গেছি। আর মাত্র তেরটা দিন। একত্রে টাকাগুলো পেলে ছোটবোনের বিয়েটা সুন্দরভাবে শেষ করতে পারব।

এসব মানুষের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের খবর নাই, অথচ তারাবীহ না পড়লে তাদের নাকি রোজাই হবেনা! এই ধারণা তাদের অন্তরে বদ্ধমূল হয়েছে। বেদুইনেরা আরব দেশের মানুষ হলেও, ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে এদের ন্যুনতম জ্ঞান নাই। তাই সরকার তাদের লোভ-লালসা দিয়ে হলেও শিক্ষিত করাতে চায়। তারপরও মরুচারীরা শিক্ষিত হতে চায় না। সরকারও নাছোড়বান্দা, তাই তাদের ছেলে-মেয়েদের শিক্ষিত করাতে পুলিশি অভিযান চলে। আগামী বছর সরকার মরুভূমিতেই স্কুল দেবে; ঘোষণার ফলে বেদুইনদের দুঃচিন্তার শেষ নেই।

আমিও এ কয়দিনে তাদের সাথে খাপ খাইয়েছি, এখন পোড়া গোশত খেতে পারি। এত কষ্টের মধ্যে থেকেও যদি বোনটিকে ভাল পাত্রে বিয়ে দিতে পারি; তাহলে বোনের সুখী পরিবার হবে; আমার কষ্টও সার্থক হবে। তাছাড়া আমার জন্যও বেশ কিছু নগদ অর্থ জোগাড় হবে, যা শহরে বসে কয়েক মাসেও আয় করতে পারতাম না। আমার জন্য খাস দিলে দোয়া করবেন স্যার। আমার বুদ্দু (বেদুইন) এসেই গেছে। আসসালামু আলাইকুম।

আমি তার গন্তব্যের দিকে তাকিয়ে রইলাম আর নিজে নিজে ভাবলাম; দেশের ভাই-বোন, পিতা-মাতা কোনদিন জানবে না অসহায় ভাইটি কত অসহ্য জ্বালাতন ভোগ করে, পরিবারের সুখের জন্য, একটু সচ্ছলতার জন্য, তিল তিল ধাপে; একটি একটি টাকা উপার্জন করেছে! বিদায় জায়েদ! ওয়ালাইকুম সালাম ওয়া রাহমতউল্লাহ ওয়া বারাকাহতুহু।

Tags: বিবিধ
Previous Post

সেই দুর্ভাগা মরুচারী

Next Post

ফেসবুকের বন্ধু সমাচার

Discussion about this post

নতুন লেখা

  • জ্বালানী তেল যেভাবে তৈরি হয়
  • শাহ পদবীটা বিরাট অদ্ভুত
  • তীর তথা ক্ষেপণাস্ত্র শক্তিতে বলিয়ান হতে স্বয়ং রাসুল (সাঃ) নির্দেশ দিয়েছেন।
  • তসবিহ দানা বৃত্তান্ত!
  • হাজী ইমদাদুল্লাহ মুহাজিরে মক্কী দেওবন্দি ও বেরেলভী আকিদার সূত্রপাত

এই সপ্তাহের জনপ্রিয় লেখা

No Content Available

নজরুল ইসলাম টিপু

লেখক পরিচিতি । গাছের ছায়া । DraftingCare

Facebook Twitter Linkedin
© 2020 Nazrul Islam Tipu. Developed by Al-Mamun.
No Result
View All Result
  • মুলপাতা
  • ধর্ম
    • ইসলাম
    • কোরআন
    • হাদিস
    • ডায়েরি
    • জীবনী
  • সাহিত্য
    • গল্প
    • রচনা
    • প্রবন্ধ
    • রম্য রচনা
    • সামাজিক
  • পরিবেশ
    • উদ্ভিদ জগত
    • প্রাণী জগত
    • ভেষজ হার্বাল
    • জলবায়ু
  • শিক্ষা
    • প্রাতিষ্ঠানিক
    • মৌলিক
    • ইতিহাস
    • বিজ্ঞান
    • ভ্রমণ
    • শিশু-কিশোর
  • বিবিধ
    • ঘরে-বাইরে
    • জীবন বৈচিত্র্য
    • প্রতিবেদন
    • রাজনীতি
    • তথ্যকণিকা
  • লেখক পরিচিতি

© 2020 Nazrul Islam Tipu. Developed by Al-Mamun.