Tipu vai
  • মুলপাতা
  • ধর্ম
    • ইসলাম
    • কোরআন
    • হাদিস
    • ডায়েরি
    • জীবনী
  • সাহিত্য
    • গল্প
    • রচনা
    • প্রবন্ধ
    • রম্য রচনা
    • সামাজিক
  • পরিবেশ
    • উদ্ভিদ জগত
    • প্রাণী জগত
    • ভেষজ হার্বাল
    • জলবায়ু
  • শিক্ষা
    • প্রাতিষ্ঠানিক
    • মৌলিক
    • ইতিহাস
    • বিজ্ঞান
    • ভ্রমণ
    • শিশু-কিশোর
  • বিবিধ
    • ঘরে-বাইরে
    • জীবন বৈচিত্র্য
    • প্রতিবেদন
    • রাজনীতি
    • তথ্যকণিকা
  • লেখক পরিচিতি
No Result
View All Result
নজরুল ইসলাম টিপু
  • মুলপাতা
  • ধর্ম
    • ইসলাম
    • কোরআন
    • হাদিস
    • ডায়েরি
    • জীবনী
  • সাহিত্য
    • গল্প
    • রচনা
    • প্রবন্ধ
    • রম্য রচনা
    • সামাজিক
  • পরিবেশ
    • উদ্ভিদ জগত
    • প্রাণী জগত
    • ভেষজ হার্বাল
    • জলবায়ু
  • শিক্ষা
    • প্রাতিষ্ঠানিক
    • মৌলিক
    • ইতিহাস
    • বিজ্ঞান
    • ভ্রমণ
    • শিশু-কিশোর
  • বিবিধ
    • ঘরে-বাইরে
    • জীবন বৈচিত্র্য
    • প্রতিবেদন
    • রাজনীতি
    • তথ্যকণিকা
  • লেখক পরিচিতি
No Result
View All Result
নজরুল ইসলাম টিপু
No Result
View All Result

হাওয়া ভবন! ধ্বংস করা হয়েছে কিন্তু রহস্য অনুদঘাটিতই রয়ে গল

নভেম্বর ২০, ২০২৫
in বিবিধ
1 min read
0
শেয়ার করুন
        

হাওয়া ভবন যত নষ্টের মূল। বাংলাদেশের ইতিহাসে ২০০১ সালের বিএনপি কর্তৃক চারদলীয় জোট সরকারটি ছিল সবচেয়ে শক্তিশালী নির্বাচিত সরকার। সেই সরকারে সর্বমোট ৬০ জন মন্ত্রী নিয়োগ পেয়েছিল। জামায়াতে ইসলামী থেকে ২ জন বাকি ৫৮ জন সবাই ছিল বিএনপির সদস্য। বিশাল মন্ত্রীসভা ও শক্তিশালী সরকার থাকার পরও, সেই সরকারের আমল অনেকটা ভাল কাজ করলেও, দেশী-বিদেশী গোষ্টীর সম্মীলিত চক্রান্তের কারনে একেবারে সুখকর থাকেনি।

 

এই জোট টিকে থাকলে, পরবর্তী ৩ টার্ম পর্যন্ত তাদেরকে ক্ষমতা থেকে বিচ্যুত করা সম্ভব হবে না। এই পরিসংখ্যান ভারতীয় লবি বুঝে গিয়েছিল। ফলে তারা নানা ফন্দি-ফিকিরে একাট্টা হয়ে মাঠে নামে। তাদের দরকার ইস্যু। জামায়াত যুদ্ধাপরাধী-রাজাকার তারা কেন মন্ত্রী হবে? এটা নিয়ে আগা-গোড়াই চিল্লানো ছিল কিন্তু দুই জন মন্ত্রী সফল হবার কারণে, বিষয়টি তেমন ধোপে টেকেনি।

 

কিন্তু তখনকার সময়ে একটি সামান্য বিষয়, এই শক্তিশালী সরকারকে দিনে দিনে ঘুন ধরাতে বাধ্য হয়। সেটি হল ‘হাওয়া ভবন ইস্যু’। শুরুতে এটি সামান্য বিষয় হিসেবে থাকলেও, সংবাদ পত্র ও টিভি মিডিয়ার কল্যাণে বড় আকার ধারণ করে। সে সময়ের বিএনপির নেতৃপর্যায়ের নেতারা অধিকমাত্রায় চুপ থাকার কারণে হাওয়া ভবন ইস্যু সুই হয়ে ঢুকেছে এবং কুড়াল হয়ে বেড়িয়েছে এবং জিয়া পরিবারকে সর্বশ্রান্ত ও জোট সরকারকে বেকায়দায় ফেলার কারন হয়েছে। বিষয়টি বুঝার জন্যে তখনকার জিয়া পরিবারের সদস্যদের কর্মকাণ্ড সর্ম্পকে জানা দরকার।

 

১. তারেক জিয়া – তিনি বগুড়া জেলা বিএনপির সদস্য হিসেবে বিএনপিতে যোদ দেন। ২০০১ সালে নির্বাচনে প্রার্থী হন নাই কিন্তু দলের হয়ে, মায়ের সাথে রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। দেশ ব্যাপী দলীয় প্রচারণায় অংশ নেন। আগে থেকেই তিনি একজন বস্ত্রশিল্প ও নৌ-যোগাযোগ খাতের ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় এলে তিনি হাওয়া ভবনের মূল নিয়ন্ত্রক ও চেয়ার পারসনের (খালেদা জিয়ার) রাজনৈতিক সচিব হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।

 

২. আরাফাত রহমান কোকো – তিনি একজন শিল্পোদ্যোক্তা ও ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। চারদলীয় জোট সরকারের আমলে তিনি বিসিবি’র উপদেষ্টা ছিলেন। ক্রিকেট উন্নয়নে কাজ করতেন কিন্তু তিনি রাজনীতি কিংবা রাজনৈতিক কর্মকান্ডে অত জড়িত থাকতেন না।

 

তাহলে সেই ঐতিহাসিক হাওয়া ভবন কি?

বনানী ১৩ নম্বর রোডের ‘ডি’ ব্লকের ৫৩ নম্বর ভবনটির নাম ছিল ‘হাওয়া ভবন’। সেখানে তারেক রহমান, আরাফাত রহমান ও তাদের খুবই কাছের, বিশ্বস্থ ব্যক্তিদের যাতায়াত ছিল। দলীয় নেতা কিংবা মন্ত্রীরা সেখানে অবাধে যাতায়াত করতে পারতেন না। যদিও

  • প্রচারণা ছিল ওটা ছিল তারেক রহমানের বিকল্প রাজনৈতিক কার্যালয় এবং
  • বদনাম ছিল হাওয়া ভবন ছিল ক্ষমতার একটা সমান্তরাল কেন্দ্র

 

হাওয়া ভবন নিয়ে যেসব অভিযোগ তদানীন্তন গনমাধ্যমের চাউর হয়েছিল

১. সমান্তরাল প্রশাসন – অভিযোগ, সরকারের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং মন্ত্রীসভা থেকে নয়, বরং হাওয়া ভবন থেকে সরকারের সিদ্ধান্তসমূহ নিয়ন্ত্রিত হতো।

২. নিয়োগ পদন্নতি – অভিযোগ, উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের পদায়ন, বদলি এবং প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত এখান থেকেই আসত।

৩. আর্থিক দুনীতি ও ঘুষ – অভিযোগ, দেশের বড় বড় সরকারি টেন্ডার, কাজ, ও কেনাকাটার ক্ষেত্রে হাওয়া ভবন থেকে কমিশন (ঘুষ) দাবি করা হতো।

৪. ব্যাংক ঋণ নিয়ন্ত্রণ – অভিযোগ, বড় ব্যবসায়ী, শিল্পপতিদের ব্যাংক ঋণ পেতে, বা ঋণ মওকুফ করতে হাওয়া ভবনের অনুমোদন লাগত। বিনিময়ে বিপুল অঙ্কের অর্থ লেনদেন হতো।

৫. রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ – অভিযোগ, দলের ভেতরের পদোন্নতি কে পাবে, কে নির্বাচনে মনোনয়ন পাবে — এমন গুরুত্বপূর্ণ দলীয় সিদ্ধান্ত এখান থেকেই আসত।

অনলাইনের রিসোর্স ঘেঁটে এসব তথ্য উপাত্তের মাধ্যমে অভিযোগ গুলো সংগ্রহ করা হয়েছে বিষয়টি সহজে অনুধাবনের জন্যে।

তাহলে অভিযোগ গুলোর বিপরীতে কি উত্তর দেওয়া হত?

 ১. বিএনপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয় যে হাওয়া ভবন মূলত দলীয় নেতা-কর্মীদের মাধ্যমে পরিচালিত একটি ‘গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র’ (Research and Training Center)।

২. দলীয় নেতারা বলেছিলেন যে, হাওয়া ভবনে কৃষি গবেষণা, বিশেষ করে উন্নত মানের খেজুরের জাত নিয়ে গবেষণা করা হয়।

কিন্তু এই গবেষণা’র কোনো সুনির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক আউটপুট বা আনুষ্ঠানিক প্রমাণ কখনই জনসম্মুখে আসেনি। যদিও দিনমজুর আবদুল মোত্তালিবের খেজুর এখনও দেশের সেরা খেজুর হিসেবে আলোচিত।

৩. তারেক রহমান অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, ওসব বিএনপির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত বক্তব্য ও মিথ্যা প্রচারণা মাত্র।

৪. আরাফাত রহমান কোকো তার জীবদ্দশায় তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর বিষয়ে আত্মপক্ষ সমর্থন করে কোন প্রকাশ্য বক্তব্য দেননি।

৫. বেগম খালেদা জিয়াও সরাসরি হাওয়া ভবনের দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেননি। বরং তিনি বলতেন, হাওয়া ভবন হাওয়া ভবন চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়। যেখানে দলীয় কর্মকাণ্ড এবং মাঝে মাঝে দলীয় গবেষণা ও প্রশিক্ষণ হয়।

৬. ব্যরিষ্টার মওদুদ আহমদ তাঁর বইয়ে উল্লেখ করেছেন যে, ১/১১-এর সময়ে খালেদা জিয়া তাঁর দুই ছেলে -এর মুক্তির বিষয়েই বেশি উদ্বিগ্ন ছিলেন। তাঁর এই আচরণ পরোক্ষভাবে নির্দেশ করে যে, তিনি হাওয়া ভবনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত তাঁর সন্তানদের পরিণাম নিয়ে চিন্তিত ছিলেন, যদিও তিনি প্রকাশ্যে কখনো দুর্নীতি স্বীকার করেননি।

হাওয়া ভবন কেন্দ্রিক এই ঘটনা একটি শক্তিশালী সরকারকে বারে বারে প্রশ্নের সম্মুখিন করেছিল। কারো কাছে এর সদুত্তর ছিল না আবার অস্বীকার করারও কোন যুতসই দলীল ছিল না। তবে হাওয়া ভবনের একটি ক্যারিশমা ধরা পড়েছিল তদানীন্তন সময়ের সেনাপতি নির্ধারণের বেলায়। উপরের কয়েকজন অফিসারকে টপকে মইনউদ্দীন আহমদকে সেনাপতি বানিয়েছিল। আর সেই ব্যক্তিই পরবর্তীতে দেশের জনগনের জনের সাথে মীরজাফরী করে, কয়েকটি ঘোড়ার বিনিময়ে, বাংলাদেশকে ভারতের করদরাজ্যে পরিণত করে।

পরবর্তীতে হাওয়া ভবন সংক্রান্ত কি হল?

১/১১ সময় মইন-ফখরউদ্দীনের সরকার আসলে, তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কে গ্রেফতার করা হয়। তাদেরকে দীর্ঘদিন রিমান্ডে রাখা হয়। রিমান্ডে তাদের উপর চরম নির্যাতন হয়েছে, আদালতে আনা-নেবার সময় তাদের অসহায়-কাতর চেহারা দেখে জনগন বুঝতে পারত। এ ঘটনা সরকারের জন্যে হিতে বিপরীত হয়। জনগন তাদের উপর দরদী হয়ে উঠে এবং দাবী উঠে তাদের ছেড়ে দেওয়া হউক। ফাইনালী হাওয়া ভবনের রহস্য উদ্ঘাটনের চেয়ে তাদের মুক্তি দিয়ে বিদেশে পাঠিয়ে দেবার জোড় দাবী উঠতে থাকে।

তবে হাওয়া ভবনের প্রকৃত রহস্য কি ছিল সেটা নিশ্চয়ই রিমান্ডে তারা জানিয়েছিল। কিন্তু জনগন সেটা কখনও জানতে পারে নাই। জনগন এটাও জানতে পারে নাই তারা কি মুছলেখা দিয়ে সেদিনের নির্যাতন ও কারাভোগ মাফ পেয়েছিল! সেখানে কি কি ওয়াদা নিয়েছিল এটা জনগনের জানা আবশ্যক হলেও, এখনও জনগন সেটা জানতে পারেনি। কেননা সু সময় আসার পরও জনাব তারেক রহমানের দেশে আসার বিষয়টি ধোঁয়াশা হয়ে থাকছে। এই না আসার দোলাচলের ভিতরে কি এমন কোন ওয়াদার বিষয় জড়িত আছে কিনা যা তিনি তখন করেছিলেন। এটা একটা বড় প্রশ্ন হলেও জানবে শুধু তারাই, যারা এই দেশের ভাগ্য পরিবর্তনের কেউ নয়।

এখন হাওয়া ভবনের খবর কি?

২০১১ সালে আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে নানা কান্ডর্কীতিতে আলোচিত হতে থাকা ভবনটির প্রকৃত মালিক আমেরিকা প্রবাসী মিসেস হুয়ারুন আহমেদ ও আশেক আহমেদ সেটি ভেঙ্গে নতুন ভবন গড়ে তুলেন। বর্তমানে “অ্যাজোরা” (Azora) নামে একটি ৯ তলা আবাসিক ভবন নির্মাণ করা হয়েছে।

Previous Post

জুলাই সনদ! এত আপত্তির হেতু কি

Next Post

শিক্ষাদান পদ্ধতি যেভাবে এলো : কওমি শিক্ষা বনাম সিলেবাস ভিত্তিক পদ্ধতি

Discussion about this post

নতুন লেখা

  • জ্বালানী তেল যেভাবে তৈরি হয়
  • শাহ পদবীটা বিরাট অদ্ভুত
  • তীর তথা ক্ষেপণাস্ত্র শক্তিতে বলিয়ান হতে স্বয়ং রাসুল (সাঃ) নির্দেশ দিয়েছেন।
  • তসবিহ দানা বৃত্তান্ত!
  • হাজী ইমদাদুল্লাহ মুহাজিরে মক্কী দেওবন্দি ও বেরেলভী আকিদার সূত্রপাত

এই সপ্তাহের জনপ্রিয় লেখা

No Content Available

নজরুল ইসলাম টিপু

লেখক পরিচিতি । গাছের ছায়া । DraftingCare

Facebook Twitter Linkedin
© 2020 Nazrul Islam Tipu. Developed by Al-Mamun.
No Result
View All Result
  • মুলপাতা
  • ধর্ম
    • ইসলাম
    • কোরআন
    • হাদিস
    • ডায়েরি
    • জীবনী
  • সাহিত্য
    • গল্প
    • রচনা
    • প্রবন্ধ
    • রম্য রচনা
    • সামাজিক
  • পরিবেশ
    • উদ্ভিদ জগত
    • প্রাণী জগত
    • ভেষজ হার্বাল
    • জলবায়ু
  • শিক্ষা
    • প্রাতিষ্ঠানিক
    • মৌলিক
    • ইতিহাস
    • বিজ্ঞান
    • ভ্রমণ
    • শিশু-কিশোর
  • বিবিধ
    • ঘরে-বাইরে
    • জীবন বৈচিত্র্য
    • প্রতিবেদন
    • রাজনীতি
    • তথ্যকণিকা
  • লেখক পরিচিতি

© 2020 Nazrul Islam Tipu. Developed by Al-Mamun.