মৌলিক

একচোখা

একচোখা নিতীর খারাপ প্রভাব

একচোখা নিতীর খারাপ প্রভাব বলতে গেলে আগে আমাদের একচোখা জিনিষটি কি সেটাই পরিষ্কার হতে হবে। আমরা প্রায় সময়ই কাউকে একচোখা বলে নিন্দাবাদ করে থাকি। এটি মানুষের অন্যতম বদগুণ। কাউকে একচোখা বলে গোস্বা পানি করলেও, অনেকই জানেনা একচোখা মানুষের প্রকৃত স্বভাব-চরিত্র

শিশুর-স্বভাব-প্রকৃতি

সকল শিশুই তার স্বভাব-প্রকৃতি নিয়ে জন্মে কিন্তু পিতা-মাতাই তাকে পথভ্রষ্ট করে

শিশুরা জন্মগত পাপী ও প্রকৃতিগত বদমায়েশ হিসেবে দুনিয়াতে আসেনা। বরং তারা মাসুম তথা নিষ্পাপ জীবনের নিশ্চয়তা পায় সাত বছর বয়স পর্যন্ত। নিষ্কুলষতা দিয়েই তার পথচলা শুরু হয়। পরবর্তীতে তারা পরিবেশ, সমাজ এবং পিতা-মাতার জোগাড় করে দেওয়া উপাদান ব্যবহার করেই কেউ

দোষারোপ কারী আজীবন অসুখী

দোষারোপ কারী মানুষ অন্যের দোষ তালাশ কিংবা দোষ প্রকাশ কিংবা দোষ দেখিয়ে দিতে আনন্দ পায়। এই খাসিয়ত দায় এড়ানোর প্রবণতা থেকেই সৃষ্টি হয়। নিজের সময় ব্যয় করে, নিজের মোবাইলের টাকা খরচ করে কাউকে ফোন দিলেন, অন্য প্রান্ত থেকে আচমকা আক্রমণাত্মক

মানুষের সঙ্গ ও রুচি বাছাইয়ের পদ্ধতি

মানবজীবনে কোন মানুষকে মূল্যায়ন করার ক্ষেত্রে বলা হয়, অমুক ব্যক্তি নিজে খুব ভালো কিন্তু তার সহযোগী ও বন্ধু-বান্ধব জুটেছে খারাপ! অর্থাৎ এই ইনি ভাল মানুষ থাকতেন যদি না ওনি তার সাথে মেলা-মেশার সুযোগ না হত। ব্যাপার খানা মোটেও তাই নয়।

মাটিতে কান পেতে শোন! কেউ ঘুমিয়ে, কেউ তামাসায়, কেউ ব্যস্ত কৃতজ্ঞতায়!

‘তিনিই তো সৃষ্টি করেছেন, যিনি তোমাদের জন্য পৃথিবীকে বানিয়েছেন দোলনা স্বরূপ এবং তৈরি করে দিয়েছেন রাস্তা। যাতে তোমাদের গন্তব্য-স্থলের পথ খুঁজে পাও’। সূরা আয-যুখরফ-১০   একটি শিশু দোলনায় খুবই আরামের সাথে ঘুমায়। আমরা যারা বড় হয়েছি তার দোলনার আরামের কথা

all post

দৈনন্দিন জীবনে শিষ্টাচার

দৈনন্দিন ব্যবহারিক জীবন বলতে আমরা বুঝি সকালে ঘুম থেকে উঠে রাত্রে বিছানায় যাওয়া পর্যন্ত, সজ্ঞানে-সচেতন মনে সকল প্রকার কাজকর্ম, কথাবার্তা, চাল-চলন, আচার-আচরণের পুরো সমষ্টিই ব্যবহারিক জীবন। কোন জাতির ব্যবহারিক জীবন কেমন হবে সেটা তাদের ধর্ম, শিক্ষা-সংস্কৃতি, কৃষ্টি-ললিত কলা ও সমাজের

একচোখা

একচোখা নিতীর খারাপ প্রভাব

একচোখা নিতীর খারাপ প্রভাব বলতে গেলে আগে আমাদের একচোখা জিনিষটি কি সেটাই পরিষ্কার হতে হবে। আমরা প্রায় সময়ই কাউকে একচোখা বলে নিন্দাবাদ করে থাকি। এটি

Read More »
শিশুর-স্বভাব-প্রকৃতি

সকল শিশুই তার স্বভাব-প্রকৃতি নিয়ে জন্মে কিন্তু পিতা-মাতাই তাকে পথভ্রষ্ট করে

শিশুরা জন্মগত পাপী ও প্রকৃতিগত বদমায়েশ হিসেবে দুনিয়াতে আসেনা। বরং তারা মাসুম তথা নিষ্পাপ জীবনের নিশ্চয়তা পায় সাত বছর বয়স পর্যন্ত। নিষ্কুলষতা দিয়েই তার পথচলা

Read More »

দোষারোপ কারী আজীবন অসুখী

দোষারোপ কারী মানুষ অন্যের দোষ তালাশ কিংবা দোষ প্রকাশ কিংবা দোষ দেখিয়ে দিতে আনন্দ পায়। এই খাসিয়ত দায় এড়ানোর প্রবণতা থেকেই সৃষ্টি হয়। নিজের সময়

Read More »

মানুষের সঙ্গ ও রুচি বাছাইয়ের পদ্ধতি

মানবজীবনে কোন মানুষকে মূল্যায়ন করার ক্ষেত্রে বলা হয়, অমুক ব্যক্তি নিজে খুব ভালো কিন্তু তার সহযোগী ও বন্ধু-বান্ধব জুটেছে খারাপ! অর্থাৎ এই ইনি ভাল মানুষ

Read More »

মাটিতে কান পেতে শোন! কেউ ঘুমিয়ে, কেউ তামাসায়, কেউ ব্যস্ত কৃতজ্ঞতায়!

‘তিনিই তো সৃষ্টি করেছেন, যিনি তোমাদের জন্য পৃথিবীকে বানিয়েছেন দোলনা স্বরূপ এবং তৈরি করে দিয়েছেন রাস্তা। যাতে তোমাদের গন্তব্য-স্থলের পথ খুঁজে পাও’। সূরা আয-যুখরফ-১০  

Read More »
all post

দৈনন্দিন জীবনে শিষ্টাচার

দৈনন্দিন ব্যবহারিক জীবন বলতে আমরা বুঝি সকালে ঘুম থেকে উঠে রাত্রে বিছানায় যাওয়া পর্যন্ত, সজ্ঞানে-সচেতন মনে সকল প্রকার কাজকর্ম, কথাবার্তা, চাল-চলন, আচার-আচরণের পুরো সমষ্টিই ব্যবহারিক

Read More »