মুসা (আঃ) মনে প্রশ্ন উদয় হল যে, দুনিয়ার শ্রেষ্ঠতম সম্পদ কোনটি? তার উত্তর কি তা আল্লাহর কাছে জানতে মনস্ত করলেন।
আল্লাহর সাথে কথা বলার ফাঁকে জানতে চান, ‘হে আল্লাহ আমার একটি কথা জানার আছে যদি অনুমতি মিলে প্রশ্ন করতে পারি! মুসা অনুমতির পাওয়ার পর জানতে চাইলেন, আল্লাহ আমার চিন্তাটি কোনদিন বাস্তবে সম্ভব নয়, তারপরও কোন কারণে কিছুক্ষণের জন্য যদি আপনি মুসা হয়ে যান আর আমি আল্লাহ হয়ে যাই! তখন আপনি আল্লাহর নিকট কি চাইবেন?
মহান আল্লাহ হেসে জানালেন। হে মুসা, ‘যদি এ ধরনের কোন ঘটনা ঘটে, তাহলে আমি আল্লাহর নিকট সু-স্বাস্থ্যই চাইব’।
এভাবে মুসা (আঃ) কৌশলে মানবজীবনের জন্য শ্রষ্টতম সম্পদ তথা চাওয়ার জিনিষ কোনটি তা জেনে নিলেন।
দুনিয়ার জীবনে স্বাস্থ্যহানি না হওয়া পর্যন্ত কেউ বুঝতে পারে না যে, ইতিপূর্বে পৃথিবীতে তিনি কত ভাল ছিলেন।
কেয়ামতের দিন আল্লাহ প্রত্যেকটি মানুষকে প্রশ্ন করবেন, বান্দা আমি তোমাকে সুন্দর সুস্বাস্থ্য দিয়েছিলাম তুমি এই স্বাস্থ্যকে কোন কাজে লাগিয়েছ? বিশ্বাস করুন, এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে পারবে মাত্র প্রতি হাজারে একজন মানুষ! বাকিরা সবাই জাহান্নামে যাবে।
তাই আসুন নিতান্ত কৌতূহলের বসে, যেন বাজে অভ্যাসে অভ্যস্ত না হই। মাদকাসক্ত তো দূরের কথা হুঁকো-সিগারেটের মত বাজে জিনিস গ্রহণ থেকেও নিজে বেঁচে থাকি অন্যকে বাচাই, সমাজকে রক্ষা করি। ফাস্ট ফুড, ড্রিংক্স এর মত স্বাস্থ্যহানিকর খাবার থেকে দূরে থাকি এবং হারাম খাবার থেকে চিরদিন আরো দূরে থাকি………


Discussion about this post