মান্যকারী আর উপেক্ষাকারী কখনও সমান নয়। পরিবারের মধ্যে যে মানুষটি মান্যকারী তথা মন দিয়ে কথা শুনে ও মানার অভ্যাস আছে, দেখা যাবে তাকে সবাই কথা শুনাচ্ছে! সকল উপদেশ, নসিহত তাকে কেন্দ্র করেই চলতে থাকে! এমনকি ভবিষ্যতেও পরিবারের জন্য তার কি কি করা উচিত, সেই দিক নির্দেশনাও দিতে থাকে। যে শোনে তার উপর আবদার ও চাহিদার মাত্রা বেশী। সে পরিবারের জন্য বেশী ভূমিকা রাখা স্বত্ত্বেও, তাকে সর্বদা জবাবদিহিতার মধ্যে থাকতে হয়।মান্যকারী আর উপেক্ষাকারী দু’জন কখনও সমান হ্নাআ
আবার যে কথা শুনতে চায় না, সে মূলত অমান্য করার চরিত্র নিয়েই বেড়ে উঠে। তাই পরিবারে যে সদস্য কথা শুনতে কিংবা মানতে চায়না, তাকে কেউ বলতেও যায়না। এমনকি তার উপেক্ষা, বিরোধিতাকে নীরবে হজম করে। একদিন এই সদস্য তাদের অপমানের কারণ হবে, এটা জানা স্বত্বেও অনেক পিতা-মাতা তার অন্যায়কে না দেখার ভান করে। ছোটকাল থেকেই কোন সন্তান উপদেশ না শোনা, কথা না মানার চরিত্র নিয়ে বেড়ে উঠলে, তাদের হাতে পিতা-মাতার পরিণতি খুবই করুন হয়। তাই যিনি কথা মানেন তাকে যেভাবে গুরুত্ব ও মর্যাদা দেওয়া দরকার বিপরীতে যে কথা শুনে না তার সম্পর্কে শুরুতেই হুশিয়ার থাকা উত্তম। মান্যকারী আর উপেক্ষাকারী কখনও সমান নয়

Discussion about this post