শিশু-কিশোর

স্বপ্ন দেখার পরিবেশ দিন, জ্ঞানবান সৃষ্টিশীল শিশু গড়ে নিন

আমরা কমবেশি সবাই সেলাই মেশিনের সাথে পরিচিত।তার মধ্যে অনেকের কম-বেশী সুই-সূতা দিয়ে সেলাই করার অভিজ্ঞতা আছে। আচ্ছা, আমরা কি কখনও ভেবেছি আগে-পিছে আবদ্ধ, দুইটি সুতা কিভাবে মেশিনের ভিতরে প্যাঁচ খায়! কেউ বা বলবেন, এখানে ভাবা-ভাবির কি আছে? কেউ বলবেন ভেবে

শিশুকে বিচক্ষণ ও দূরদর্শী বানাতে কল্পনা শক্তিতে প্রবল করুন

কিছু শিশু খায় বেশি, কাউকে জোড় করে খাওয়াতে হয়; কেউ খাওয়ার বেলায় থাকে বেজায় উদাসীন! বেশীর ভাগ অভিভাবক মোটা, নাদুস-নুদুস বাচ্চাকে স্বাস্থ্যবান ভেবে ভুল করেন। যাদের সন্তান পাতলা চিমচিমে, তারা ভাবেন আহারে! ছেলেটি না খাইয়ে শুটকির মত হয়ে গেছে। জগত

বিদ্যা-বুদ্ধিতে ওর মত হও! এ প্রেরণা সন্তানকে প্রতিবাদী ও গোঁয়ার বানায়

অন্যমনস্ক সন্তানের মনে তেজ, কাজে জেদ আনতে বাব-মায়েরা বলে থাকেন দেখ তোমরা বন্ধু ওসমান কত মেধাবী, সে ক্লাসের সকল কাজে অগ্রসর, সবাই তাকে আদর ও সম্মান করে! তুমি ওর মত হতে পার না? এই উপদেশ পরামর্শ সন্তানদের ভুলেও দিতে নাই।

সন্তানকে ইতিবাচক বানানোর যতসব কৌশল ও পদ্ধতি

  শিশু-কিশোর জীবনে ইতিবাচক ধারণা প্রয়োগের অনেক পদ্ধতি আছে। এসব পরিবেশ পরিস্থিতি ও শিশুর বৈশিষ্ট্যের উপর নির্ভর করে। তারপরও কিছু দিক তুলে আনা যায়, শিশুর হাত দিয়ে, কাউকে কিছু দেবার অভ্যাস করানো। নিজে গ্রহণ করার সময় শোকরান, ধন্যবাদ, থ্যাংকস বলা।

ইতিবাচক প্রেরণায় সকল শিশুই জগত বিখ্যাত হতে পারে!

  ইতিবাচক প্রেরণায় উজ্জীবিত হয়ে অখ্যাত ব্যক্তি জগত আলোড়ন করেছে, এমন অগণিত উদাহরণে বিশ্ব ইতিহাস ঠাসা। হয়ত ভাবছেন, নিজের সন্তান অবহেলিত, কালো, বোকা কিংবা চঞ্চল! শ্রেণী কক্ষের সিরিয়ালে পিছনের দিক থেকে প্রথম! এই অকর্মা দিয়ে কি হবে? না ব্যাপারটা মোটেও

শিশুদের জীবনে উত্তম পরিবেশের প্রভাব আজীবন বিরাজ করে

প্রথমত আমার সেই সব শিশুবন্ধুদের কথা বলি, যারা মসজিদে গিয়ে দুষ্টামী করত। নামাজের কাতারে দাঁড়িয়ে একে অপরের সাথে ঠেলাঠেলি করত। ভদ্র দুষ্টুমির কোনটাই বাকি থাকত না যারা এসব না করে থেকেছে। কখনও শিশুতোষ হাসি ছড়িয়ে পড়ার পর নিজেরা হঠাৎ স্তিমিত

মানব শিশুর জন্মগত বৈশিষ্ট্য তার চলার পথ রচনা করে।

  কৈশোরে মায়ের হাতে যত মার খেয়েছি সবই ছিল গান গাওয়ার অপরাধে! দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রাবস্থায় হাফ প্যান্ট পড়ে ঘরের পাশের পেয়ারা গাছে হেলান দিয়ে, গলা হাঁকিয়ে গেয়ে উঠেছিলাম, ‘যৌবন জোয়ার একবার আসেরে…., ফিরে গেলে আর আসেনা’। কঠিন সুরের এই গানের

আমরা কেমন সন্তান চাই?

  হঠাৎ এই ধরনের প্রশ্নে অনেকে থতমত খেয়ে যাবে। একটু ধাতস্থ হয়ে বলবে, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার অথবা সেই রকম! অনেক শিক্ষিত পিতা-মাতাও হঠাৎ এই প্রশ্নে কি উত্তর দেওয়া উত্তম হতে পারে চিন্তা করার সুযোগ নিবে। আবার অশিক্ষিত গ্রাম্য পিতা-মাতা হলে অকপটে

সেরা সন্তানের জন্য উত্তম শিষ্টাচার ও পরিবেশের অপরিহার্যতা – নজরুল ইসলাম টিপু

  বন্ধুর বাবা প্রশ্ন করেছিলেন ছেলের নাম কি রেখেছি, বললাম ‘আবদুল্লাহ’। চেহারায় আভিজাত্যের ভাব এনে বললেন এটা তো বহু পুরানা নাম। বললাম, জ্বি এটা পুরানো নাম এবং বর্তমানে গরীব মানুষেরাই এই নাম বেশী রাখে। তবে নামটি জগতের বিখ্যাত কয়েকটি নামের

শিক্ষিত পরিবারের অতি উচ্চশিক্ষিত সন্তান – নজরুল ইসলাম টিপু

  তিনি যেভাবে খ্যাতিমান, সেভাবে সম্পদশালী। দাপুটে সরকারী উচ্চ কর্মকর্তা। স্ত্রীও কম নন, তিনিও সরকারী কর্মকর্তা, সম্মানিত পেশা। সন্তানেরা সবাই ব্রিলিয়ান্ট, যে সন্তান যে প্রতিষ্ঠানে আছে, সে ঐ প্রতিষ্ঠানের সব চেয়ে সেরা ছাত্র। ইহজন্মেও কোনদিন সন্তানদের স্কুল খরচ বহন করতে