সামাজিক

সেরা বালিকার সন্ধানে

হায়দর সাহেবের সুদর্শন, গুণধর প্রবাসী ছেলেটিকে বিয়ে দিতে মেয়ে পাচ্ছেন না। তিনি এ গ্রাম ও গ্রাম চষে বেড়িয়েছেন একটি মেয়ের আশায়। নিজের স্ট্যাটাস অনুযায়ী কারো মেয়ে পছন্দ হলেই, মিষ্টি নিয়ে হাজির হন। মেয়ের পিতা-মাতা পাকা কথাও দেন। কখনও অপরিচিত যুবকের

পানের পিক

পানের পিক ও মোরগের নোংরামি

এদেশে পান খাওয়া নিষিদ্ধ। এক সময় চালু ছিল। নোংরা চিন্তার মানুষ যেখানে সেখানে পানের পিক ফেলে পরিবেশকে নোংরা করে তুলে। তাই পান খাওয়া ও পানের পিক ফেলা দুটোই নিষিদ্ধ। এটি আবুধাবির একটি রাস্তা। একপাশে চলবে গাড়ি, অন্য পাশে সাইকেল। তার

সারা বাংলা খিল আর বন্ধুবর ভারতের নরম দিল

ভারত আমাদেরকে পিয়াজ দিচ্ছেনা! এটা নিয়ে সারা বাংলা খুব সরগরম কেননা ভারত তার চিরাচরিত নরম দিলের পরিচয় দিতে কার্পণ্য করেছে! বস্তুত আমাদের তো আলহামদুলিল্লাহ পড়া উচিত! কেননা, ভারত এখনও অনেক কিছুর সরবরাহ তো বন্ধ করেনি। আদা, রসুন, হলুদ, মরিচ, গরম

অকমর্ণ্যতা : উচ্চ শিক্ষিত হলেও অপমান পিছু ছাড়ে না

অকমর্ণ্য ব্যক্তি উচ্চ শিক্ষিত হলেও অপমান তার পিছু ছাড়ে না। একটি ঘটনা বলি। দেখতে স্মার্ট ও  উচ্চশিক্ষিত হলেও কাজে একেবারেই আনকোরা। ফলে পরজীবী উদ্ভিদের মত একই বাসার সহপাঠীদের কাঁধে চড়ে  কোনমতে দিন কাটাচ্ছিলেন তিনি। বিরাট ভবনের উপরে নীচের তলায় প্রতি

পীরের হজ্জ কাফেলা ও ভিন্ন মাত্রার আধ্যাত্মিকতা

আয়েশি ভঙ্গিতে দাঁত খেলাল করছিলেন আর মৌন ভঙ্গিতে বলছিলেন তার হজ কাফেলা এজেন্সিতে টাকার ধার্যটা একটু বেশীই। তারপরও তিনি হাজি সংকুলান করতে পারেন না। প্রতিবছরই এটা বাড়ছে। দেশের গণ্যমান্যদের ঠেলাঠেলি তার এজেন্সিতে লেগেই থাকে। তাই তাকে প্রতিবছরই তার হজ্জ কাফেলায়

সুদের-কারণে-ক্ষতি

সুদের কারণে যে ক্ষতি হয়

সুদের কারণে যে ক্ষতি হয়। ভদ্রলোক অবশেষে বুঝতে পেরেছিলেন যে, পাপের কারণেই তার এই রোগের সৃষ্টি। মসজিদের ঈমাম, এলাকার মুরুব্বী, পণ্ডিত, পিতা-মাতা সবাই বোঝালেন এই রাস্তা ছাড় আর আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাও, নিশ্চয়ই তিনি তোমায় মাফ করতে পারেন। এক সময়

সুখী হতে গিয়ে, যেখানে ভুল হয়

সুখ-শান্তি জীবনের উপাদান হিসেবে দুটোই মূল্যবান। দুটো কিন্তু এক বিষয় নয়। তফাৎ বুঝার জন্য, একজন খ্যাতিমান ডাক্তারের উদাহরণ পেশ করা যায়। তাঁর খ্যাতি ছিল এমন পর্যায়ে, বৃদ্ধাবস্থায়ও তার কাছে রাতদিন রোগী আসত। সকাল আটটা থেকে অনেক রাত অবধি রোগীর দীর্ঘ

সুদের কামাইয়ে সুখের তালাশ

ভদ্রলোকের বেতন বাংলাদেশী আড়াই লাখ টাকার মতন। ঘর-ভাড়া, বাচ্চাদের স্কুল, যাতায়াত, খাদ্যের যোগান মিটিয়ে মাসে মাসে যা জমেছে তাও প্রায় বাংলাদেশী চল্লিশ লাখের সমান। সুখী পরিবার। রোগ-বালাই মুক্ত জীবন। খানা খাওয়ার পরে দাঁতের আয়েশি খিলাল কার্যের সময় ভদ্রলোকের ঝিলিক মারা

মেয়েরা যখন বাপের বাড়ী লুট করে

ভদ্রলোকের ছয় মেয়ে। দুই মেয়ে হবার পরে দীর্ঘদিন থমকে দাঁড়িয়েছিলেন। একটি পুত্র সন্তানের আশায় দীর্ঘ দিন চিকিৎসার পর আবারো বংশ উৎপাদন ধারা শুরু হয়। ছয় মেয়ে হবার পর চিন্তায় পরে যায়, পরের বারেও যদি মেয়ে হয়! কেননা ততদিনে মেয়ে হবার

হালাল টাকার সন্ধানে

ভদ্রলোক অবশেষে হতাশ হয়ে বললেন, আমি আর রাস্তা দেখছি না। ভাইয়েরা কোন মতেই সহযোগিতা করছে না। এই যুদ্ধ তো এক কঠিন যুদ্ধ। আগে কোনদিন এমন করে ভাবিনি। আমার কাছে অনেক টাকা কিন্তু সামান্য হালাল টাকার অভাবে মাকে হজে পাঠাতে পারবনা!